বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শ্মশানের পাশে

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান siam ahmed (০ পয়েন্ট)

X আসসালামু আলাইকুম।ঘটানাটা আমার চাচার সাথে।তখন তার বয়স ২১ বছর।একদিন এক জরুরি কাজে তাকে এক জায়গায় যেতে হয়।ফিরতে রাত হয়।আমাদের গ্রামের পাশে একটি শ্মাশান আছে।এর পাশে একটি রাস্তা আছে।এই রাস্তা দিয়ে কেউ যাওয়া আসা খুব কম করে।কারণ এখানে নাকি ১০০ বছর আগে এক হিন্দু মহিলা আত্মহত্যা করেছে।তাকে প্রায়ই শ্মশানের বট গাছে ফাসির রশিতে ঝুলতে দেখা যায়।ঘটানার দিন আমার চাচা রাত বেশি বলে ওই রাস্তা দিয়ে আসে।যখন তিনি শ্মাশানের কাছাকাছি আসলেন তার গা যেন ছমছম করতে লাগল।তার ঐ কথা গুলো মনে হতে লাগল।হঠাৎ তিনি শুনতে পান কান্নার শব্দ।তিনি ভয় পেয়ে যান এবং পেছনে ফিরে তাকান।দেখলেন কেউ নেই।তিনি দ্রুত হাটতেঁ শুরু করেন।তিনি লক্ষ করেন কে যেন তার পেছনে পেছনে হাটঁছে।পূর্ণিমার রাত তাই তিনি দেখলেন একটি ছায়ার পেছনে কতগুলো কুকুর হাটছে।তিনি সূরা পড়া করে আর দ্রুত হাঁটা শুরু করেন। এই রাস্তা যেন আর শেষ হয় না।তিনি কিছুক্ষণ পেছনে ফিরে দেখলেন কুকুর গুলো নেই।ছায়াটা তার সাথে হাটঁছে।তিনি একপযার্য়ে দৌড় শুরু করলেন।তিনি যখন শ্মশানের শেষ মাথায় চলে এলেন তখন হঠাৎ লক্ষ করলেন একটি বট গাছের উপর একজন মহিলা গলায় রশি দিয়ে ঝুলে তার দিকে চেয়ে হাসছে।তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। জ্ঞান ফেরে তিনি জানতে পারলেন একজন লোক তাকে বাড়ি নিয়ে এসেছে এবং তার সাথে কতগুলো কুকুর ছিল।তিনি বললেন তিনি আমার চাচার বন্ধু।আমার চাচা প্রায় তাকে স্বপনে দেখেন।তাছাড়া তিনি মাঝেমাঝে দেখেন কতগুলো কুকুরের ছায়া মধ্যরাতে তার ঘরে হাটছে।কিন্ত এগুলো তার ক্ষতি করছে না। এই হল আমার ঘটনা।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শ্মশানের পাশে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now