বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সবাইকে পড়ার অনুরোধ করছি.…
এক বিবাহিত যুবক, কঠিন রোগে মৃত্যু
শয্যায় তার স্ত্রীকে ডাকলেন। তার
চোখ
দিয়ে অনুশোনার অশ্রু ঝরছে। যুবকের
স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন, এবং এটিই
তাদের
প্রথম সন্তান। সে স্ত্রী কে বললো-
দেখো
আমি সারা জীবনে নামাজ-রোজা
করিনি, আজ
মৃত্যু সময়ে ভুল ভেঙ্গে গেছে, কিন্তু আমি
নিরুপায় আমার আর কিছু করার সময়
সুযোগ হলো না।
যদি তোমার গর্ভের
সন্তান বেচে থাকে, বড় হয় তাহলে
তুমি তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে
দিও।
শুনেছি সন্তানের উসিলায়ও বাবা মা
বেহেশতে যেতে পারে।
স্ত্রী তাকে শান্তনা দিয়ে বললেন,
তোমার কথাই রাখবো। দু দিন পর যুবক
মারা গেলেন। এর কয়েক দিন পর তার
স্ত্রীর একটি ছেলে জন্ম নিলো। অনেক
কষ্টের মাঝে যখন ছেলেটির বয়স ছয়
বছর পুর্ণ হলো তার মা তাকে,
মাদ্রাসায়
ভর্তি করে দিলেন। প্রথম দিন
মাদ্রাসায়
শিক্ষক তাকে একটি আয়াত শিখালেন।
আয়াতটি হলো-
" বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"
(পরম করুনাময় মহান আল্লাহ
তায়ালার নামে শুরু করছি। )
মাদ্রাসা থেকে বাড়ীতে যাওয়ার পর
ছেলেকে নিয়ে স্বামীর কবরের কাছে
জিয়ারতে গেলেন। ছেলেকে কবরের
কাছে পাঠিয়ে দিয়ে মা বললেন, ঐ
তোমার বাবার কবর। ওখানে গিয়ে
তোমার বাবার জন্য আল্লাহর কাছে
দোয়া করবে। (মাদ্রাসায় পড়া শিশুরা
প্রায় সব সময় তাদের শিখিয়ে দেয়া
আয়াত বা কালাম এমনি এমনি
পড়তে থাকে। এগুলো অনেকে খেয়াল
করে থাকবেন।)
অতো ছোট শিশু কিভাবে দোয়া
করতে হয়,
কিছুই জানে না। কিন্তু মাদ্রাসায়
শিখানো জীবনের প্রথম আয়াত খানা
বার বার কবরের সামনে তিলাওয়াত
করতে লাগলো। ( অই কচি মুখের
তিলাওয়াতের এমন শক্তি.....আমার
আল্লাহর দরবারে বিনা বাধায় পৌঁছে
গেলো, মালিকের রহমতের দরিয়ায়
বাঁধভাঙা জোয়ারের ডাক এসে
গেলো,
বলুনঃ সুবহান আল্লাহ! )
মহান আল্লাহ তায়ালা আজাবের
ফেরেশতাদের বললেন, এই মুহুর্তে
ওই কবর বাসীর কবর আজাব বন্ধ
করে দাও। ফেরেশতারা বললোঃ হে
দয়াময়
পরোয়ারদিগার এই লোকটির
আমলনামায়
এমন কী পুণ্য পাওয়া গেলো ?
যে তার জন্য নির্ধারিত কঠিন
কবরের আজাব ক্ষমা করে দেয়া হলো?
আওয়াজ হলো, ফেরেশতারা শোনো-
কবরের
উপরে একটা অবুঝ শিশু বার বার
তিলাওয়াত করছে,
"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"
তিলাওয়াতকারী এই কবর বাসীর
ওয়ারিশ,
তার অবুঝ সন্তান। সে স্বাক্ষী দিচ্ছে
"আল্লাহ রাহমানির রাহিম"
- আল্লাহ পরম দয়ালু। আমি যদি
কবর বাসীকে ক্ষমা না করি, তাহলে
আমি কেমন দয়ালু ?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now
X
●সবাই এই গল্পটা পড়বেন অনেক ভালো
লাগবে......
একদেশের এক রাজা ছিলেন। রাজা
একদিন অনুভব করলেন উনি বৃদ্ধ হচ্ছেন।
সিংহাসনের
জন্য উনার একজন উত্তরসূরি রেখে যেতে
হবে। কিন্তু উনার পুত্র-কন্যা আর
মন্ত্রিসভার সবাই ভয়ানক দুর্নীতিতে
লিপ্ত ছিল।
কার উপর ভরসা করতে না পেরে
সিদ্ধান্ত নিলেন জনগন হতেই একজন
যোগ্য লোক খুঁজে নিবেন।
এরপর কিছু সময় ট্রেনিং দিয়ে রাজ্য
চালাবার জন্য উপযুক্ত করে
তুলবেন।
পুরো রাজ্য হতে ১৭-১৮ বছর বয়সী
হাজার খানেক তরুন-তরুণীকে বাছাই
করা হল।
এদের মধ্যে রাজার পুত্র-কন্যারাও
নিজেদের প্রমান করার সুযোগ পেল।
ওদেরকে একদিন ডেকে রাজা সবাইকে
একটা করে বীজ দিলেন।
বললেন,---"এটা খুব স্পেশাল একটা
বীজ। এটা তোমরা সবাই রোপন করবে,
যত্ন নেবে, পানি
দেবে। এক বছর পর যার বৃক্ষ সবচেয়ে
সুন্দর হবে, সেই এই রাজ্য শাসন করার
জন্য নির্বাচিত হবে। সেই পারবে
আমার জনগনের ঠিক ভাবে যত্ন নিতে।"
সবাই একটা করে বীজ পেল। এদের
একজনের নাম ছিল আনিস। আনিস ওর
মায়ের সাহায্যে বীজটা রোপণ করল।
অনেক যত্ন নেবার পর ও কোন চারা বের
হতে না দেখে আনিস খুব হতাশ হয়ে
পড়ল। মাসখানেক পরেই নির্বাচিত
অনেকের মুখেই
ওদের চারার গল্প শুনতে পেল।
কয়েক মাসেই অনেকের চারা বৃক্ষে
পরিনত হল।
আনিস ভাবছিল, নিশ্চয়ই কোন পাপের
ফল এটা। ওর কোন ভুলেই বীজ হতে চারা
বের হল না।
আনিস ওর ব্যর্থতার গল্প লজ্জায়
কাউকে বলতে পারল না।
একবছর পর নির্দিষ্ট দিনে একটা
বিশাল মাঠে সবাই যার যার বৃক্ষ তুলে
নিয়ে হাজির। আনিস লজ্জায় যেতে
চাইল না। ওর মা জোরকরে পাঠাল।
খালি টব নিয়ে আনিস পিছনের
এককোণায় কাঁচুমাচু হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।
অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখল সবার কি
সুন্দর সুন্দর সব বিশাল বৃক্ষ। আনিসের
খালি টব দেখে অনেকে খুব হাসাহাসি
করল, ব্যঙ্গ করল
নানা ভাবে।
রাজা এসে ঘুরে ঘুরে সবার গাছ
দেখলেন, তারিফ ও করলেন অনেক। হটাত
রাজার চোখ আনিসের উপর পড়ল।
গার্ডদের
সাহায্যে আনিসকে মঞ্চে নিয়ে আসা
হল। আনিস ভাবল, বীজ মারা যাওয়াতে
তার সম্ভবত বড়
শাস্তি হতে যাচ্ছে।
রাজা সবাইকে হতভম্ব করে দিয়ে
ঘোষণা দিলেন,---"পরবর্তী রাজার নাম
'আনিস'।
তোমাদের সবাইকে একটা করে বীজ
দিয়েছিলাম। সেগুলো ছিল সিদ্ধ বীজ
যেটাতে কোন চারা বেরই হবে না।
আনিস ছাড়া তোমরা সবাই ফুল, চারা,
গাছ এসব নিয়ে হাজির হয়েছ। তোমরা
যখন চারা বের হতে দেখনি, সবাই অন্য
বীজ লাগিয়ে মিথ্যা গল্প সাজিয়েছ।
একমাত্র আনিস সাহস আর সততার সাথে
তার ব্যর্থতা নিয়ে হাজির হয়ে