বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শিগব (পর্ব-৩)

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান উৎস বিশ্বাস (০ পয়েন্ট)

X : একটা ব্যাপার হচ্ছে শিগবদের বিশেষ এক প্রকার তরুণীর প্রতি আকর্ষন থাকে। এদের ধারনা ওই তরূণীকে জীবন্ত কবর দিলেই তারা মুক্তি পাবে। তৃষাও হয়ত সেই বিশেষ তরুণী। আসগর নামের শিগবটাও হয়ত তৃষার মাধ্যমে মুক্তি পেতে চায়। : কিন্তু এযুগে বসে এসব বিশ্বাস করি কিভাবে!!! : এই তোর এক সমস্যা। : সরি দোস্ত, আমি বিশ্বাস করছি। তুই তৃষাকে বাঁচা। : শোন, তৃষাকে বলবি সাহস নিয়ে শিগবটার সাথে কথা বলতে। শিগবটার কবর কোথায় তা জানা প্রয়োজন। : আচ্ছা আনোয়ার তুই যে বললি বিশেষ এক ধরনের তরুণী। এই বিশেষ তরুণীর বৈশিষ্ট কি? : এটা আমি জানি না। কোটি কোটি মানুষ থেকে এরা একজন তরুণী বা কিশোরী বেছে নেয়। কিভাবে বেছে নেয় তা জানি না। স্বপন, আজ থেকে তুই খুব সাবধান থাকবি। : কেন? : তুই তৃষাকে বাচানোর চেষ্টা করছিস। তার মানে তুইও শিগবটার শক্র হয়ে গেছিস। শিগবটা তোর কাছে ও আসতে পারে। : কি বলিস?!! সত্যি!! : হ্যাঁ। : তোর কোন বিপদ হতে পারে না? : আরে ধূর। আমি মানসিকভাবে খুবই শক্তিশালী। আর আমার শ’খানেক মন্ত্র মুখস্ত। আমার হাতে কত রকম তাবিজ দেখছিস। শিগবটা আমার কাছে আসতে সাহস পাবে না। : আনোয়ার আমার খুব টেনশন হচ্ছে। খুব ভয় লাগছে। : ভয় পাওয়া কোন কাজের কথা নয়। মনে সাহস রাখ। এখন থেকে কালো কোন কাপড় পড়বি না। পূর্নিমা, আমাবশ্যার রাতে বাসা থেকে বের হবি না। রাতে আয়নায় মুখ দেখবি না। সব সময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকবি।” স্বপন মাথা নিচু করে থাকে। কথাগুলো ঠিক মাথায় ঢুকতে চায় না। এমন বিপদের মাঝে পড়েছে বুঝতেই পারে নি স্বপন। যদি সত্যিই শিগব আসে? কি হবে তখন? চিন্তা করার শক্তি যেন হারিয়ে যায় স্বপনের। : আচ্ছা আনোয়ার শিগব সম্পর্কে আর কিছু জানিস? : হুঁ। ইন্টারনেটে ও এদের সম্পর্কে বেশ অনেক তথ্য পেয়েছি। শিগবের গন্ধ শক্তি প্রবল। এরা কয়েক মাইল দূর থেকেও গন্ধ পায়। অর্থাৎ তোর শরীরের গন্ধ একবার শুকে থাকলে, অনেক দূর থেকেও বুঝতে পারবে তুই কোথায় আছিস। প্রচন্ড জোরে দৌড়াতে পারে। ক্ষুধা-তৃষ্ণা কিছু নেই। যে কোন জিনিস ভেদ করে যেতে পারে। : শিগব কি অদৃশ্য হতে পারে? : না, তবে যে কোন জিনিসের সাথে মিশে যেতে পারে। অনেকটা অক্টোপাসের মত রং বদলায়। কোন জিনিসের সাথে মিশে গেলে তুই কোনভাবে একে আলাদা করতে পারবি না। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে অনেক সময় যানবাহনের সাহায্য নেয়। : তার মানে সে দিন তৃষাদের হলে শিগবটা রং বদলে ঢুকেছিল। : হ্যাঁ। হতে পারে। : আচ্ছা, আনোয়ার আজ যাই। মাথা কেমন যেন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। : চিন্তা করিস না। আমি তো আছি। যে কোন সমস্যায় ফোন করিস। স্বপন আনোয়ারের বাসা থেকে বেরিয়ে পড়ে। নিজের বাসার দিকে রওনা দেয়। বাসস্ট্যান্ডে অনেকক্ষন দাড়িয়ে থাকতে থাকতে অধৈর্য হয়ে উঠে স্বপন। হঠাৎ ডানদিকে একটু তাকাতেই স্বপন দেখতে পেল একটা কালো কাপড় পরা লোক দাঁড়িয়ে আছে। লোকটার মুখ দেখা যাচ্ছে না। স্বপনের বুকটা কেপে উঠে। আজই কি শিগবের সাথে দেখা হয়ে যাবে? স্বপন নিজেই নিজেকে সাহস দেয়। এই দিনের আলোতে তার কি করবে বদমাসটা? কালো কাপড় পড়া লোকটির দিকে এগিয়ে যায় স্বপন। তখনই লোকটা একটা চলন্ত বাসে উঠে পড়ল। স্বপন একটু আস্তে আস্তে বলল,“আমি তোমাকে চ্যালেঞ্জ করছি শিগব, তুমি আমার বা তৃষার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।”


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now