বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পার্ট- ১
বার্মিংহাম থেকে বাসে চেপে এলাম নিউ স্ট্রিট রেলস্টেশনের গায়ে মিডল্যান্ড রোড বাস টার্মিনালে। নেমে দেখি স্ট্র্যার্টফোর্ডে যাওয়ার জন্য অপেক্ষামান যাত্রীর সংখ্যা কম নয়। দাড়িয়ে পড়লাম কিউতে। একটু পরেই আসলো লাল টুকটুকে একটি বাস। ৮৫ পেনির টিকিট কেটে জানালার ধারে গিয়ে বসলাম। বাসে উৎসাহী ছেলে-মেয়েদের ভিড়। গন্তব্য মহাকবি শেকসপিয়রের স্মৃতিতীর্থ। বার্মিংহাম থেকে বাসে একঘন্টার পথ স্ট্র্যার্টর্ফোর্ড। স্ট্র্যার্টফোর্ড পৌছে বাস-অফিসের জিম্মায় আমার তল্পিতল্পা জমা রেখে হালকা হলাম অনেকখানি।
ঝকঝকে সুন্দর সকাল। আজ নাকি অনেক দিন বাধে এখানে সূর্যের মুখ দেখা গেছে। শীতের দিনে এ এক বিরল সৌভাগ্য। পথেঘাটে খুশির জোয়ার।
প্রথমে এলাম সরকারি তথ্যকেন্দ্রে। পথের নিশানা বুঝে নিলাম। তারপর ভিরের স্রোতে এগিয়ে চললাম হিনলি স্ট্রিট বরাবর। পথের দুধারে দোকানিরা নানারকমের পসরা সাজিয়েছে। সেসব দেখতে দেখতে এসে হাজির হলাম মহাকবির বাসভবনের দোরগোড়ায়। এখানেও কিউ। প্রথমে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হল। ১৫৬৪ সালে শেকসপিয়র এখানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভেবে বিচিত্র এক অনুভূতির সন্ঞ্চার হচ্ছিল সারা দেহে। এই গৃহে শেকসপিয়ার এবং মা মেরি আর্ডেন ও বাবা জন থাকতেন......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now