বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পার্ট- ২
মাত্র ১৮ বছর বয়সে পাশের স্যাটরি অন্ঞ্বলে অ্যানি হ্যাথওয়েকে বিয়ে করার পর কবি স্ট্র্যাটফোর্ড ছেড়ে লন্ডনে গিয়ে বসবাস করেন। পরবর্তীকালে ফিরে নিউ প্লেস নামক একটি বাড়ির মালিক হন শেকসপিয়র। জীবনে বাকি দিনগুলো তিনি সেখানে কাটন। ১৮৪৭ সাল নাগাদ সরকার কবির বাসভবন সংরক্ষনের দায়িত্ব নেন।
বাসভবনে প্রবেশের পরে গাইড প্রথমে নিয়ে এলেন একতলার বসার ঘরে। পুরু কাঠের ফ্রেমে বাধানো নলখাগড়ার ওপর চুনবালি ঠাসা দেয়াল চারদিকে। সিলিংও ওই একই মালমসলায় তৈরি মনে হল। চৌকো বড় বড় পাথরের অমৃসণ মেঝে আর ইট ও পাথরে গড়া ফায়ারপ্লেস ছাড়া এ_ঘরে আর বিশেষ কিছুই নেই।
ঘোরানো সিঁড়ি ভেঙে উঠে এলাম দোতালার একটি ঘরে, এই ঘরেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন মহাকবি। নিচু অসমান সিলিং, ঘরের মেঝে কাঠের পাটাতন দিয়ে তৈরি। এককোণে একটি চুল্লি। শিকল দিয়ে ঘিরে রাখা একটি অংশে শিশুদের ঘুমপাড়ানি খাট, তার পাশে একটি প্রমাণ_আকারে বহ খাট। মেঝের কিছুটা অংশ কার্পেটে ঢাকা। গাইড বললেন, এই ছোট খাটটিতে শিশু উইলিয়ামকে ঘুম পাড়িয়ে রাখতেন মা মেরি।
সবাইতে উল্লেখযোগ্য এই ঘরে একটি মাত্র জানলা। জানলার কাচের পাল্লায় অসংখ্য দর্শক ও অতিথির হাতের লেখা। কাচের গায়ে শক্ত শলাকা দিয়ে লেখা সেসব জিনিসে....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now