বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ভালবাসার মানে তো আজ বুঝি। প্রতিটি নিঃশ্বাসে বুঝি। আমার তৃতীয় বিবাহবার্ষিকী গত হলো। আমাদের ভালবাসার ফসল, দুটি জমজ সন্তান। আবরার ও আদনান। তবে এর আগে ঘটেছিল এক বিচ্ছেদের করুন ইতিহাস।
সেদিন ছিল অপরাজিতার ডেলিভারির ডেট।
আর আমার ছিল শ্রেষ্ঠ কবিতা পদক সম্মাননা। তাই আসতে পারি নি। আসলেই মহা অন্যায় হয়ে গিয়েছিল।
এরপর বছর দুয়েক পর সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়। রেগে গিয়ে পদকটি ঢিল ছুঁড়ে ভেঙে ফেলে। আমি রেগে গিয়ে চড় কষিয়ে দিই।
- আমাকে তুমি মারলে? সামান্য পদকের জন্য।
- মেরেছি বেশ করেছি।
- আমি আর তোমার সংসারে থাকব না। চলে যাচ্ছি।
- যাও, তবে আবরার কে রেখে যাও।
অপরাজিতা আদনানকে নিয়ে চলে গেল। এরপর বিশটি বছর কেটে গেছে।
চোখে উঠল মোটা ফ্রেমের চশমা। চুলে পাক ধরেছে। বয়সের ছাপ পরিষ্কার। তবুও অপরাজিতা মনে রেখে এখনো পথ চলছি।
অপরাজিতাও কি এভাবে আমাকে মনে রেখেছে? আদনান কি তার বাবাকে চিনতে পারবে?
এসব প্রশ্ন মনেতে বারবার উঁকি দেয়। আজ আমি আমার বড় ছেলে আবরারকে জাবিতে ভর্তি করাতে এসেছি। উদ্ভিদবিজ্ঞান সাবজেক্ট। ও ভর্তি হতে রেজিস্ট্রার অফিসে গেল। আমি মাঠে গিয়ে অবাক হয়ে যাই। সেই নাক, সেই মুখ, শুধু মোটা ফ্রেমের চশমা। যেন বিশটি বছর পরে দেখছি। শরীরে পরিবর্তন এসেছে।
কাছে গিয়ে বলি উঠি,
- চশমাটা কখন ধরলে?
অপরাজিতার চোখে পানি জমে উঠল। বলল,
- কখন এসেছে?
- এই তো কিছুক্ষণ।
এভাবেই আমাদের কথা চলতে শুরু করল। কত কথা! কত স্মৃতি! মনে পড়ে অতীত। আমি ও অপরাজিতা। আমাদের সুখের সংসার।
স্মৃতি বিজরিত সুখের সংসার। আর মহাপ্রলয়ের একটু সময়। যা সব কেড়ে নিয়েছিল।
চলবে.....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now