বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একজন কৃষ্ণাঙ্গ যাচ্ছিলেন রাজার কাছে কাছে বিচার চাইতে হঠাৎ পথের মধ্যে দেখা হয়ে যায় এক শ্বেতাঙ্গ লোকের সঙ্গে.....
শ্বেতাঙ্গঃ কিহ কৃষ্ণাঙ্গ ভাই এত শিঘ্র হাঠছেন যে! কোথায় যাচ্ছেন এদিকে?
কৃষ্ণাঙ্গঃ রাজার কাছে বিচার চাইতে।
শ্বেতাঙ্গঃ কিসের বিচার?
কৃষ্ণাঙ্গঃ শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গের সমান অধিকার।
শ্বেতাঙ্গঃ শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গের সমান অধিকার! সেটা কোনো ভাবেই সম্ভব না। কৃষ্ণাঙ্গদের থেকে শ্বেতাঙ্গ সবসময় সুন্দর।
কৃষ্ণাঙ্গঃ আস আমার সাথে রাজধরবারে সব জানতেও বুঝতে পারবে।
শ্বেতাঙ্গঃ তাহলে চল দেখি।
তারপর তারা দুজনে রাজার কাছে চলে গেল।
রাজাঃ তোমরা এখানে কোনো সমস্যা!
কৃষ্ণাঙ্গঃ হ্যাঁ রাজমশাই সমস্যা।
রাজাঃ কি সমস্যা?
কৃষ্ণাঙ্গঃ আমাদের কৃষ্ণাঙ্গদের শ্বেতাঙ্গদের সাথে সমান অধিকার দিতে হবে।
রাজাঃ এটা কোনো ভাবেই সম্ভব না। এটা আমাদের পরস্পরা।
কৃষ্ণাঙ্গঃ কোন পরস্পরার কথা বলছেন আপনি! কোনো যায়গায় লিখা আছে এগুলো! সবগুলো বিত্তবানদের মনগড়া ইচ্ছা শুধু।
রাজাঃ এই নিয়ে পূর্ব থেকেই একটা প্রার্তক্য ছিল। কিভাবে মনগড়া হলো এগুলো?
কৃষ্ণাঙ্গঃ আপনাদের মতো ব্যাক্তিরা যদি যা বলেন তাই সেটা হোক নেগেটিভ বা পজেটিভ। নারীদের আটারোর আগে বিয়ে নয় পুরুষদের একুশের আগে বিয়ে নয়। আাচ্ছা বলেন তো এটা কোন ধরনের আইন! নারীদের গড় আয়ু কি পুরুষদের থেকে কম!
রাজাঃ অবশ্যই না।
কৃষ্ণাঙ্গঃ তাহলে এটা কোন ধরনের আইন। আপনারা যা মনে করেন তাই। শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের প্রার্তক্য এসেছে শুধুমাত্র চোখের ব্রোম থেকে।
রাজাঃ তোমি ঠিক কথা বলেছ তবে শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গের মধ্যে প্রার্তক্য চোখের ব্রোম হল কিভাবে?
কৃষ্ণাঙ্গঃ মানুষ বিত্তবানদের থেকে পূর্বে থেকেই শুনে এসেছে কৃষ্ণাঙ্গ থেকে শ্বেতাঙ্গ সুন্দর তাই তারা শ্বেতাঙ্গকেই সুন্দর রূপে জানে। যদি বলা হতো কৃষ্ণাঙ্গ সুন্দর তাহলে সবাই সুন্দর্য্য হিসেবে জানত কৃষ্ণাঙ্গকেই। আর এখন যদি তোমাদের মতো বৃত্তবানরা সবাইকে বলে যে কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গের মধ্যে কোনো প্রার্তক্য নেই তাহলে কেউ প্রার্তক্য খুঁজে পাবে না। এগুলো শুধু মাত্ত শুনা কথার ব্রোম।
রাজাঃ তোমি ত খুব ভাবনায় ফেলে।দিয়েছ। আসলেই এইধরনের প্রার্তক্য আমাদের জন্য। আমি কি করতে পারি।
কৃষ্ণাঙ্গঃ তোমি সবাইকে জানাবে শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গের মধ্যে কোনো প্রার্তক্য নেই।
রাজাঃ আমার মতো একজনে করে কি হবে।
কৃষ্ণাঙ্গঃ তোমার মতো বৃত্তবানদের কথার গুরুত্ব বেশি। তোমাকে অনুসরণ করে একপ্রর্যায়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।
রাজাঃ তাহলে আমি আজ থেকেই শুরু করে দিব।
শ্বেতাঙ্গঃ আমিও আজ থেকে এই পথের পথিক। আমি এতদিন অন্ধ ঘরের বাসিন্দা ছিলাম। কিন্তু আজ তোমার কথাগুলো শুনে আমি আলোর পথে ফিরে এসেছি।
[ বিশেষ দৃষ্টব্যঃ আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত লেখাগুলো কপিরাইট করবেন না]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now