বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শ্যালো ঘর

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X ~অণুগল্পঃঃ-শ্যালো`ঘর_ ' বাশঝাঁড়ের পাশে ছোট্ট একটা কুড়েঘর। পশ্চিম পাশে পাট পঁচানোর বিস্তৃত হ্রদ,পুর্বে তিস্তা নদী। উত্তর দক্ষীন জুড়ে সবুজের সুফলা সুজলার সমারোহ। এই ঘরটা শ্যালো ম্যাশিন রাখার জন্য নির্মান করা হয়েছে। দিনের বেলা খুব কম মানুষের চাহিদা থাকে পানি সংগ্রহ করার প্রতি।রাতের বেলা দম নেয়ার সময় নেই ম্যাশিনের_সারারাত ভুটভুট শব্দে চলতেই থাকবে। ম্যাশিনের ঘরে ইদানিং শুভ্রকে ঘুমাতে হচ্ছে। মামা মন্টু মোল্লা বউ আনতে শশুর বাড়িতে গিয়েছেন।ফিরতে আরও সপ্তাহ খানেকের অপেক্ষা। সারারাত ভুটভুট আওয়াজে ঘন্টায় ঘন্টায় ঘুম ভেঙে যায় শুভ্রর।নির্জন এলাকায় সঙ্গে পেয়েছে মামাতো ভাই অনিককে। শুভ্র এবার ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে,অনিক বাচ্চা ছেলে,মাত্র পাঁচ ক্লাসে উঠেছে। শীতের রাত্রি।প্রচুর কুয়াশা পরেছে। শরীরে চাদর মুড়িয়ে একের পর এক লোকজন আসছেন।প্রয়োজনীয় পানি জমিতে ঢুকিয়ে ফের চলে যাচ্ছেন।এভাবে একের পর এক বিরামহীন পরিক্রমা চলছেই। এখন রাত ১০ টা বাজে।নিজের পড়াশুনার পাঠ চুকিয়ে ড্রেনের আইলগুলি দেখে নিচ্ছে দু'ভাই মিলে। কোথাও ভাঙা পেলে মেরামত করে দিচ্ছে।ম্যাশিন চালু হয়েছে সেই সন্ধে বেলায়। . হঠাৎ শুভ্রর পেট কামড়ানি শুরু হয়।এই অনিক এই নে টর্স লাইট।লাইট কিন্তু বন্ধ করবিনা।ওই যে শিমুল গাছটা দেখছিস আমি ওখানেই যাচ্ছি।ঠিক মতো তাক করে ধরে রাখবি কেমন। অনিক শুভ্রর দিকে বিস্ময় ভরা চোখে তাকিয়ে আছে। ও ভাইয়া,তুমি কি হাগতে যাচ্ছো?আমিও যাবো ওইদিকে,আমার ভয় করে তো! ওরে গাঁধা ভাই আমার,হাগতে নয় হাগু করতে বলবি। ওদিকে প্রচুর কাঁদা পানি,তুই এখানেই লাইট ধরে দাঁড়িয়ে থাকবি।। শুভ্র ভাই আম্মুও তো কয় এভাবে_হাগতে গেলাম বাবা। শুভ্র আর ছোটো ভাইয়ের কথায় কর্নপাত করেনা। প্রচুর মোচর শুরু হয়ে গেছে তলপেটে।এই ডাক আসলে নিজেকে সামলে রাখা খুব দুরুহ ব্যাপার বটে। শুভ্র দৌড়ে গিয়ে শিমুল গাছের শেকড়ের আঁড়ালে বসে পরে।অনিক বাধ্য ছেলের মতো ঠিক সেভাবেই লাইট ফোকাস করে দাঁড়িয়ে থাকে। . পাঁচ,দশ,পনেরো করে প্রায় বিশ মিনিট অতিবাহিত হয়ে যায়।অতঃপর পেট পরিস্কার করে শুভ্র ফিরে আসে। ও ভাইয়া এতোক্ষনে আসলা।যে যতো বেশি খায় তার হাগুও ততো বেশি হয় তাইনা ভাইয়া?আমার পাঁচ মিনিটেই হাগু কমপ্লিট হয়। আরে বোকা ভাই আমার_তা হবে কেনো?পেটটা খারাপ করছিলো প্রচুর।কষা হাগু বুঝলি।চল ভিতরে গিয়ে ঘুমাই।এতো রাতে আর কেউ আসবেনা।ম্যাশিন চলতে থাকুক।ওই বড় জমি ভড়তে মধ্যরাত হয়ে যাবে।এ্যালার্ম দিয়ে আমরা ঘুমায় পরি কেমন। .


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শ্যালো ঘর

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now