বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
"শ্যাডো অব দ্য ওয়্যারউলফ"
লেখক : গাই. এন. ক্রিস্টি
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু
------------------------
পর্ব ১৭
ক্যারেনের ভয় বাড়ছেই। অন্য এক ক্রিস
হ্যালোরানের সঙ্গে যেন সে বাস করছে।
ক্রিস প্রতি রাতেই বেড়িয়ে যায় বনে। ক্যারেন
টের পায়। গত রাতে সে একটি নয়, দুটি পশুর হাউলিং
শুনেছে। নেকড়ে ভয় পায় না ক্রিস? কেন ভয়
পায় না? এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেছে
ক্যারেন।
খুব ভোরে ঘুম ভাঙল ক্যারেনের। দেখল
পাশে শুয়ে অঘোরে ঘুমোচ্ছে ক্রিস।
কোমর পর্যন্ত কম্বলে ঢাকা। গা উদোম। কম্বল
দিয়ে ক্রিসের গা ভাল করে ঢেকে দিতে গিয়ে
ক্যারেনের নজর পড়ল ওর পিঠের দিকে। একি!
ক্রিসের গায়ের ত্বক এত রুক্ষ কেন! আর এত
লোম তো ছিল না ক্রিসের গায়ে! কেমন
বুনো বুনো ভাব! ভাল করে ঘুমন্ত ক্রিসের
মুখটা দেখল ক্যারেন। কেমন বিকৃত, হিংস্র! অজানা
আতঙ্কে হিম হয়ে এল ক্যারেনের সর্বাঙ্গ।
কার সাহায্য চাইবে ক্যারেন! কে ওকে এখান
থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাবে! শেরিল? হ্যাঁ
শেরিল। শেরিল যদি ওর গাড়ি নিয়ে এসে ওকে
এখান থেকে নিয়ে যায়! আজই পালাবে ক্যারেন
এখান থেকে।
ক্যারেন যখন কিচেনে তখন ঘুম ভাঙল ক্রিসের।
আজ তার মেজাজ খুব ভাল। মুখের পাণ্ডুর ভাবও
অনেকটা দূর হয়েছে। কিন্তু গায়ে কোনও কাপড়
নেই।
ক্রিস ডাকল, " ক্যারি, এদিকে এসো। দেখ, কি
চমৎকার হাওয়া দিচ্ছে বাইরে!"
ক্যারেন জিজ্ঞেস করল, " কিছু খাবে?'
" কিচ্ছু না।"
" এখান থেকে যাওয়ার কি ব্যবস্থা করলে?"
" যাব মানে? এসপেন ছেড়ে কোথাও নড়ছি না
আমি।"
" আমি একাই যাব তাহলে", জোর দিয়ে বলল
ক্যারেন।
" তোমার যা খুশী তাই কর, একদম আমার মেজাজ
খারাপ করবে না বলে দিচ্ছি" চড়া সুরে বলল ক্রিস।
নগ্ন শরীরেই ঘরে হাঁটাচলা করতে লাগল ক্রিস।
পোশাক পরার কোনও আগ্রহই নেই। ওর দিকে
তাকাতেও ভয় করছে ক্যারেনের।
তাড়াতাড়ি নাস্তা সেরে বাইরের পোষাক পরে
হ্যান্ডব্যাগটা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল ক্যারেন।
ক্রিসকে দূর থেকে বলল, " আমি একটু মার্সিয়ার
দোকানে যাচ্ছি।"
বাড়ির পেছনের শর্টকাট রাস্তাটা ধরে সে সোজা
চলে এল মার্সিয়ার দোকানে।
ওকে দেখে মার্সিয়া বলল, " ক্যারেন শুনছ?"
" এক মিনিট মার্সিয়া, আমি একটা ফোন করব।"
শেরিলের নম্বরটা ডায়াল করল ক্যারেন। রিং হয়েই
গেল। কেউ ফোন তুলল না। কি ব্যাপার! ক্যারেন
একটু আশ্চর্য হল। শেরিল কি বাথরুমে! না কি রঙ
নাম্বার? ফোন ধরছে না কেন শেরিল? আর
একবার ডায়াল করল। আরও একবার ডায়াল করল। কেউ
ফোন তুলল না।
মার্সিয়া বলল, " তুমি কি শেরিলকে ফোন করছ?"
" হ্যাঁ।"
" কেন খবর শোননি তুমি?"
" না। কি খবর? "
" গত রাতে তোমার বাসার সামনেই কার
এক্সিডেন্টে মারা গেছে শেরিল।"
" আঁ!" একটা ধ্বনি বেরিয়ে এল ক্যারেনের গলা
দিয়ে।
" তুমি বোধ হয় শর্টকাট রাস্তাটা দিয়ে এসেছ।
নইলে ওর গাড়ি দেখতে পেতে তুমি। বুকে
বোধহয় আঘাত লেগেছিল। তবে ওরই গাড়িতে
ওর বডি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এলগিনের
হাসপাতালে পোস্ট মর্টেমের জন্য।"
হতবাক ক্যারেন ভাবতে লাগল, ' কেন আসছিল
শেরিল গত রাতে? এখন কার সাহায্য চাইবে সে?
মার্সিয়া? ডাঃ গোয়েজ? কিন্তু ওরা তো
এসপেনেরই লোক। কে, কে সাহায্য করতে
পারবে তার? দম বন্ধ হয়ে আসছে ক্যারেনের।
কে এই ভীষণ সঙ্কটে তাকে সাহায্য করবে!
ও ইয়েস, রিকার্ডো বিটি। ইস! কি অপমানটাই না
সেদিন সে করেছিল রিকার্ডোকে! তবু
দরকারে এখন ওর কাছেই সাহায্য চাইবে সে।
মূহুর্তে নিজের মন স্থির করে ক্যারেন বলল, "
মার্সিয়া, আমি লস এঞ্জেলেসে একটা ফোন
করতে চাই। কিছু মনে কোর না, চার্জ আমিই
দেব।"
মার্সিয়া বলল, " ওকে, নো প্রবলেম। আগে
দেখো পাও কিনা। চার্জের কথা পরে।"
কন্টিনেন্টাল ইন্সিওরেন্স কোম্পানিতে কাজ
করে রিকার্ডো। এখন ওর অফিসেই থাকার কথা।
ওখান থেকে অপারেটর ফোন ধরল।
ক্যারেন বলল, " রিকার্ডো বিটিকে চাই। ক্লেমস
সেকশন। "
কিন্তু না, রিকার্ডো বিটি আসেনি অফিসে আজ।
ক্যারেনের আর কোনও সাহায্য দরকার কিনা
জানতে চাইল অপারেটর।
" ওর বাসার নাম্বারটা জানতে পারি? আমি ওর বন্ধু।"
নম্বর দিল অপারেটর।
ডায়াল করল ক্যারেন। ওপাশে রিং হওয়ার শব্দ শুনতে
পেল। প্রার্থনা করল, গড, রিকার্ডো যেন থাকে।
রিং থামতেই অধৈর্য ক্যারেন বলতে শুরু করল, "
রিকার্ডো শোন....."
কিন্তু না। ওপার থেকে ধীর গলায় একটা যান্ত্রিক
কন্ঠ ভেসে এল, " আমি রিকার্ডো বিটি। আমি বাড়ি
নেই। এটা রেকর্ডেড মেসেজ। ওয়েট, বিপ
বিপ শব্দ শুনবেন তিনবার। আপনার ফোন নম্বর বা
মেসেজ রেকর্ড করে রাখতে পারেন। আমি
পরে ফোন করব। কুড়ি সেকেন্ড সময় পাবেন।
থ্যাঙ্ক ইউ।"
বিপ বিপ শব্দটা হতেই ক্যারেন নিজের মেসেজ
রেকর্ড করল, " রিকার্ডো, আমি ক্যারেন
হ্যালোরান। ভীষণ বিপদে পড়েছি। তুমি প্লিজ
শিগগীর এখানে চলে এসো। সঙ্গে তোমার
রিভলভারটাও নিয়ে এসো। আর কিছু সিলভার বুলেট।
বিশ্বাস কর, আমি সত্যিই বিপদে আছি। প্লিজ আসবার
সময় সিলভার বুলেট নিয়ে এসো। "
মেসেজ রেকর্ড করে ক্যারেন কলের চার্জটা
দিল মার্সিয়ার হাতে।
ক্যারেনের চেহারা দেখে মার্সিয়া অনুমান করল,
মেয়েটা নিশ্চয় কোনও বিপদে পড়েছে। তাই
বলল, " কোনও সমস্যা হলে আমার কাছে চলে
এসো। আমি যদ্দুর পারি সাহায্য করব।"
" ধন্যবাদ মার্সিয়া। আমি জানি।"
মার্সিয়ার দোকান থেকে বেরিয়ে ক্যারেন
শেরিলের গাড়িটার দশা দেখবার জন্য বড় রাস্তাটা
ধরল, শর্টকাট রাস্তাটা নয়।
কিন্তু গাড়িটাকে কোথাও দেখতে পেল না। মার্সিয়া
অবশ্য বলেছিল যে শেরিলের গাড়িতে করেই
ওর লাশ মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু
এখানে এক্সিডেন্টটা কি করে হলল? এদিকে
তো কোনও বড় গাছ নেই যে ধাক্কা লেগে
দূর্ঘটনা ঘটবে!
এক জায়গায় ঘাসের ওপর অনেকটা রক্ত লেগে
রয়েছে দেখতে পেল ক্যারেন। শুকিয়ে
গেছে। কাছেই পড়ে আছে শেরিলের চশমা।
তবে ভাঙা। চশমাটা কুড়িয়ে নিল ক্যারেন। তারপর
এদিকওদিক তাকাতে দেখতে পেল, একপাটি টেনিস
শু পড়ে আছে। আরে এ তো ক্রিসের
জুতো! এখানে এল কি করে!
ক্রিসের জুতোজোড়া হাতে নিয়ে ঘরে ফিরল
ক্যারেন। শ্যু স্ট্যান্ডে জুতো জোড়া রাখতে
গিয়ে দেখল, ক্রিসের জুতোজোড়া নেই
ওখানে। কেঁপে উঠল ওর সর্বাঙ্গ। ক্রিসের
জুতোজোড়া স্ট্যান্ডে রাখতে গিয়ে হাত
কাঁপতে লাগল ক্যারেনের।
এদিকে ক্যারেন যখন রিকার্ডোকে ফোন
করেছে, রিকার্ডো তখন ঘরেই ছিল।
ঘুমোচ্ছিল। গত রাতে অফিসের কাজে বাইরে
ছিল। তাই অনেক বেলা করে আজ ঘুম থেকে
উঠল সে।
নাস্তা সেরে ধীরেসুস্থে ফোনের কাছে
গেল ও। কোনও মেসেজ রেকর্ড হয়েছে
কিনা দেখার জন্য।
দু একটা মেসেজ চেক করার পর ক্যারেনের
মেসেজ পেল সে। " রিকার্ডো, আমি ক্যারেন
হ্যালোরান। আমি ভীষণ বিপদে পড়েছি"......ক্য
ারেনের ভয়েস মেসেজটা বার দুই রিউইন্ড
করে শুনল রিকার্ডো। কিরকম বিপদে পড়েছে
ক্যারেন! রিভলভার আর সিলভার বুলেট নিয়ে
যেতে বলেছে! ঘটনা কি!
ক্যারেনের মানসিক অবস্থার কথা চিন্তা করে
রিকার্ডো ওর দূর্ব্যবহারের কথা বিস্মৃত হয়েছিল।
ভেবেছিল আবার দেখা করতে আসবে ক্রিস
আর ক্যারেনের সাথে। কিন্তু সময় করে উঠতে
পারেনি। তার ওপর এই মেসেজ। বিপদ তো
হতেই পারে। কিন্তু রূপোর কার্তুজ কেন চাই
ক্যারেনের?
কিন্তু ক্যারেনের দরকার যখন, তখন নিতেই হবে।
রিকার্ডো যদ্দুর জানে, রূপোর বুলেট বিক্রি হয়
না বাজারে।
টেলিফোন গাইড বুক ঘেঁটে ও ফোন করল
রূপোর গহনা যারা বানায় তাদের কাছে। ওরা জানাল,
ওরা রূপোর নকল কার্তুজ বানিয়ে দিতে পারে।
আসল নয়।
এরপর রিকার্ডো ফোন করল 'গানস্মিথ' বিভাগে।
এরা বন্দুক বানায়।
" আপনারা বুলেট তৈরি করেন?" ও জিজ্ঞেস
করল।
" কেন? বুলেট তো বাজারেই কিনতে পাওয়া যায়।
ঠাট্টা করছেন?"
" না, জানি। সিলভার বুলেট কিনতে পাওয়া যায়?"
" না।"
" তৈরি করে দিতে পারবেন পয়েন্ট টোয়েন্টিটু
বোরের?"
" পারব। তবে রূপো নিয়ে আসতে হবে।"
" কাজটা কিন্তু খুব আর্জেন্ট।। আজই চাই।"
রিকার্ডো শক্ত গলায় বলল।
" হয়ে যাবে। তবে রূপো নিয়ে আসুন আগে।
সঙ্গে রিভলবারও নিয়ে আসবেন"
বাসা থেকে বেড়িয়ে রিকার্ডো প্রথমে গেল
নিজের অফিসে, ছুটি নিল দু দিনের। তারপর ব্যাঙ্ক
থেকে টাকা তুলল, রৌপ্যকারের দোকানে গিয়ে
দশ আউন্স রূপো কিনল।
গানস্মিথের দোকানে যখন গেল ততক্ষনে
বেলা চারটে বেজে গেছে।
" ক'টা বুলেট দরকার আপনার?" জিজ্ঞেস করল
গানস্মিথ।
" এক ডজন। "
" তাহলে এত রূপো লাগবে না। আপনাকে
কয়েকটা বেশীই বানিয়ে দেব।"
" কতক্ষণ লাগবে?"
" নব্বই মিনিট। "
" তাহলে এখন বাড়ি গিয়ে কিছু খেয়ে আসি?"
" আসুন। তবে ঠিক ছটার আগে ফিরবেন।
ছটায় আমরা দোকান বন্ধ করে দিই।"
সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ফিরে এসে রিকার্ডো দেখল,
বুলেট রেডি। দোকানদার ওকে দোকানের
পেছনে নিয়ে গিয়ে বলল, " টেস্ট করে
দেখুন।"
রিকার্ডো দুটো বুলেট রিভলবারে ছুঁড়ে দিল, ঠিক
আছে।
গানস্মিথের দোকান থেকে রিকার্ডো বেড়িয়ে
গাড়িতে তেল ভরল, একটা পেট্রল পাম্পে গিয়ে।
তারপর ফুলস্পিডে রওনা দিল এসপেনের দিকে।
বাড়ি ফিরে ক্যারেন দেখল ক্রিস হ্যালোরান নেই।
শ্যু স্ট্যান্ডে টেনিস শ্যু জোড়া রাখতে গিয়ে
অজানা আতঙ্কে হাত কাঁপছিল ওর। সংশয় আর আতঙ্ক
চেপে বসছে ওর বুকের মধ্যে। তাহলে কি ও
যা সন্দেহ করছে, তা সত্যিই! সে রাতে
কোনও ওয়্যারউলফ ক্রিসের কাঁধে কামড়ে
দিয়েছিল! ডাক্তার বলেছিল, কামড়টা মানুষেরও
হতে পারে, জন্তুরও হতে পারে। শেরিল বলত,
কোনও মানুষকে ওয়্যারউলফ কামড়ালে সে
মানুষও ওয়্যারউলফ হয়ে যায়। তা হলে?
ভীষণ ভয় পেল ক্যারেন। মনে মনে স্থির
করল, আজ যদি রিকার্ডো না আসে, কাল যে
করেই হোক এই অভিশপ্ত গ্রাম ছেড়ে পালাবে।
যতটুকু গাড়ি চালাতে শিখেছে, তাতে এলগিন
পর্যন্ত যেতে পারবে ও। এলগিন থেকে বাসে
করে চলে যাবে রিজেন্ট পার্কে। গোছগাছ
শুরু করে দিল ও। গোছগাছ বলতে যতটুকু জিনিস না
নিলেই নয়।
লাঞ্চে নিজের পছন্দমতো খাবার তৈরি করে
খেল ক্যারেন। ক্ষুধা থাকলে মনের জোরও
কমে যায়।
ঘড়ি দেখল ক্যারেন। সন্ধ্যে হতে ঢের
দেরী এখনো। যদি রাত জাগতে হয়! আধখানা
ঘুমের বড়ি খেয়ে শুয়ে পড়ল ও।
ঘুম ভাঙল সূর্য পশ্চিমে অনেকখানি হেলে যাবার
পর। একটু পরেই পাহাড়ের আড়ালে ডুবে যাবে
সূর্য। তারপর শুরু হবে অন্ধকারের রাজত্ব।
বড় এক মগ ব্ল্যাক কফি বানিয়ে খেল ক্যারেন।
এখনো ফেরেনি ক্রিস। অবশ্য ওর মুখোমুখি
হতেও চাইছে না ক্যারেন। ওর হাতে এখনো
অনেক কাজ পড়ে আছে। দ্রুত শার্ট আরর হাফ
প্যান্ট পড়ে নিল। পায়ে গলাল ফিতে গলান রানিং শ্যু।
বন্দুকটা ভাল করে লোড করে সারা বাড়ির দরজা
জানলা এঁটে বন্ধ করে দিল। ঘুরে ঘুরে সব
দেখে নিল ঠিক আছে কিনা।
কাজ সেরে আর এক কাপ কফি পান করল, সঙ্গে
দুটো এসপিরিন। বাড়ির সমস্ত লাইটগুলো জ্বালিয়ে
দিল, ফায়ারপ্লেসে দিল আগুন। জানলার পর্দা সরিয়ে
দিল যাতে জ্যোৎস্নায় বাইরেটা দেখা যায়।
( ক্রমশ)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now