বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
( সম্পূর্ণ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। গল্পটিতে কিছু ১৮+ কন্টেন্ট আছে, তাই অপ্রাপ্তবয়স্ক পাঠকরা দয়া করে গল্পটি পড়বেন না)
"শ্যাডো অব দ্য ওয়্যারউলফ"
লেখক : গাই. এন. ক্রিস্টি
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু
------------------------
পর্ব ৬
সারাদিন কেটে গেল নানান কাজে। রাতে শয্যায় ঝড় তুলে, চুম্বনে, আলিঙ্গনে, মন্থনে দীর্ঘদিন পর পরিতৃপ্ত হল ক্যারেন। জো থম্পসনের হামলার পর দীর্ঘদিন বাদে ক্যারেনের সাথে মিলিত হয়ে খুশী হল ক্রিস। উন্নতি হচ্ছে ক্যারেনের। নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ল ক্রিস।
এক পরিতৃপ্ত আবেশ নিয়ে জেগে রইল ক্যারেন।
কিছু একটা শোনার অপেক্ষায় জেগে রইল ও। যেন শব্দটা না শুনলে ঘুমই আসবে না ওর।
বাইরে গাছের পাতার সরসর আওয়াজ। কোনও কোনও নাম না জানা পাখি মূহুর্তের জন্য ডেকে থেমে যাচ্ছে। কই!.... গত রাতের মত সেই শব্দটা তো...... ঠিক তখনিই বাইরে থেকে শোনা গেল সেই ভয়ঙ্কর ডাক। আঁউ আঁউ করে একটানা ডেকে চলেছে নেকড়ে। গত রাতে মনে হয়েছিল নেকড়েটা বুঝি তার পুরুষ সঙ্গীকে খুঁজছে। কামনার আকুলতা চিরে চিরে বেরোচ্ছিল তার ডাকে। কিন্তু আজ মনে হচ্ছে এ যেন আশাহতের ডাক। পশুর ডাক ভালোই চেনে ক্যারেন। বিয়ের আগে সে মা বাবার সাথে এক চিড়িয়াখানার কাছে থাকত। পশুর ডাক চিনিয়ে দিতেন তার বাবা।
দুই তিনবার ডেকেই থেমে গেল নেকড়েটা। ভয় পেল ক্যারেন। ভীত শিশুর মতোই সে একসময় ঘুমিয়ে পড়ল ক্রিস হ্যালোরানের বুকের ভেতর।
সকালে ঘুম থেকে উঠে ক্যারেন দেখল জানলার কাঁচের ফাঁক দিয়ে রোদ এসে পড়েছে বিছানায়। ক্রিস বিছানায় নেই। কিচেন থেকে ভেসে আসছে কফির ঘ্রাণ।
দিনকয়েক ওরা আর গ্রামে ঘুরতে বেরল না। কাছেই বাড়ির আশে পাশে ঘুরে বেড়াল। এদিকটায় লোকজন আসে না একেবারেই। এখানে নিশ্চিন্তে বিকিনি পরে টাইগারকে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় ক্যারেন। পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে ক্যারেনের প্রায়-নগ্ন শরীরের দিকে লুব্ধ চোখে তাকায় ক্রিস। একটু মাংসল হয়েছে ক্যারেনের শরীর। তবুও, শরীরের বাঁকে বাঁকে রোদ খেলা করে। ঠেসে ধরে ক্রিস ক্যারেনকে গাছের গায়ে । চুমু খায়। তৃপ্ত হয়। এক একেক দিন তো ক্যারেনকে কাঁধে নিয়ে ঘরে ফেরে ক্রিস। নগ্ন হয়ে সানবাথ করে। হাট করে দরজা জানলা খোলা। বাতাসে মদির কম্পন। শয্যায় তোলপাড়।
এই কটা দিন রাতে আর কোনও শব্দ শোনেনি ক্যারেন। সকালের রোদে বেরিয়ে তার স্বাস্থ্যও ভাল হয়েছে। সকালে ক্রিস কাজে বেরিয়ে গেলে সে নগ্ন হয়ে বাইরে গিয়ে কিছুক্ষণ সানবাথ করে। আয়নার সামনে নিজের নগ্ন চেহারাটাকে মিলিয়ে দেখে ছবির নগ্ন চেহারার সাথে। স্বামীর জন্য প্রস্তুত করে রাখে নিজেকে। যোগব্যায়ামও করে।
সারাদিন কেটে যায় তার বই পড়ে, গান শুনে আর ক্রিসের অফিসের কাজের লেখা টাইপ করে। রাতে ক্রিস ফিরে এসে কাজ করে, ক্যারেন রান্না করে।
অবশ্য রাতে আর কোনও ডাক না শুনতে পাবার আরও কারণ আছে। ডাক্তার তাকে কতগুলো ঘুমের বড়ি দিয়েছিল। মাঝে যতদিন পেরেছে ঘুমের বড়িগুলো খাওয়া বন্ধ রেখেছিল সে। এখন অপারগ হয়ে আবার বড়িগুলো ধরেছে সে। তাছাড়া, প্রতি রাতেই তো আর সফল হয় না শারীরিক মিলন। সে কথা ক্যারেন ক্রিসকে খুলে বলতেও পারে না।
কিন্তু দিনকয়েক পর থেকে ক্যারেন আবার শুনতে পেল সেই নেকড়ের ডাক। ডাক নয়, যেন কাতর কান্না। পশুটা যেন আকুল হয়ে কাউকে কাছে ডাকছে।
দিনকয়েক বন্ধ থাকার পর এবার যেন আরও করুণ সুরে ডাকছে নেকড়ে। আরও করুণ। ক্যারেন ভয় পেয়ে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে ক্রিসের বুকের মধ্যে আশ্রয় নিল।
নতুন করে ক্রিসকে কিছু জানায়নি ক্যারেন। ও কিচ্ছু বিশ্বাস করবে না। বলবে, " তোমার মাথায় ভূত ভর করেছে, তাই এসব আবোল তাবোল ভাবছ।"
এসপেন দিনে সত্যিই চমৎকার, অপূর্ব। কিন্তু রাতে এর চেহারা ভয়ঙ্কর। চারিদিকে নেমে আসে গাঢ় অন্ধকার। অসহ্য নীরবতা।। আর সেই অন্ধকারের বুক চিরে কোথা থেকে ভেসে আসে বিরহী পশুর আকুল আর্তি।
ক্যারেনের মাঝে মাঝে মনে হয় পশুটা বুঝি শুধু ওকেই ডাকছে। ও কি সত্যিই কোনও পশু না প্রেত? না কি কোনও পিশাচসিদ্ধ মানুষ?
কোনও তান্ত্রিকও হতে পারে। ওদের নাকি অদ্ভুত ক্ষমতা থাকে। ওরা মন্ত্রবলে মানুষকে বানাতে পারে পশু, পশুকে মানুষ। এই গ্রামের পরিত্যক্ত বাড়িগুলোর কোন একটাতে এসে আস্তানা গেড়েছে। মার্সিয়াকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলে কেমন হয়! ও কি রাতে কোনও শব্দ শোনে? নেকড়ের আকুল আহ্বান?
ক্যারেন এও ভাবে, এসব হয়ত কোনও দুষ্টু লোকের কারসাজি। কোথা থেকে নেকড়ের ডাক রেকর্ড করে এনে লাউড স্পিকারে বাজাচ্ছে। কিন্তু তা হলেও তো গ্রামের অন্যান্যদের তা শুনতে পাওয়ার কথা। দেখা যাক।
আজকাল রোজ শহরে যায় না ক্রিস। বাড়িতে বসেই কাজ করে। কাজ শেষ করে শহরে গিয়ে পাবলিশারের কাছে জমা দিয়ে আসে স্ক্রিপ্ট।
রোজ ভোরে ওরা মর্নিং ওয়াক করতে বাইরে যায়। কুয়াশায় পা ভিজিয়ে হাঁটে ক্যারেন, টাইগারকে নিয়ে খেলা করে, রঙিন প্রজাপতির পেছনে ছোটে, কখনো স্বামীর কোমর জড়িয়ে ধরে হাঁটে। বাড়ি এসে ফের কাজে বসে ক্রিস।
ক্যারেন লক্ষ্য করল, ক্রিস আজকাল দুপুরের দিকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। একা একা বনের মধ্যে ঘোরে। বাড়ি ফিরলে ওকে কিছু জিজ্ঞেস করা হলে বলে, ফায়ারপ্লেসের কাঠ আনতে গিয়েছিল। অথচ বাড়িতে স্টোরভর্তি কাঠ। ক্রিস কি ওকে আজকাল এড়িয়ে যাচ্ছে? কোথায় যায় রোজ দুপুরে ক্রিস?!
ক্রিস সেদিন বলল, "লস এঞ্জেলেস যেতে হবে আমায়। কিন্তু ডার্লিং, তোমায় ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করছে না। " তারপরই জামাকাপড় পড়ে রেডি হতে লাগল ক্রিস। ক্যারেনের মনে হল, ক্রিস যেন বাইরে বেরোতে পারলে বাঁচে। কথাটা যে বলল, সেটাও তাড়া লাগিয়ে। যে কাজের অজুহাত দেখাল সেটা ডাক মারফতও করা যেত। তাহলে লস এঞ্জেলেসে কি?
ক্রিসের গাড়ি কম্পাউন্ড ছেড়ে বেরোতেই মনটা খারাপ হয়ে গেল ক্যারেনের। আকাশে ঘন কালো মেঘ। ঝোড়ো হাওয়া বইছে। একটা উঁচু গলার পুরু পুলওভার চড়িয়ে টাইগারকে নিয়ে বেরোল ক্যারেন। এখানে সাপের ভয় নেই। তাই পুরনো দু একটা বাড়ির কম্পাউন্ডও ঘুরে দেখল ক্যারেন। তবে কোথাও তান্ত্রিক তো দূরের কথা, একটা পিঁপড়েরও দেখা মিলল না।
দুপুরে বাড়ি ফিরল একরাশ ক্লান্তি নিয়ে। ব্রান্ডি খেল। স্যান্ডুইচ আর দুধ খেলো। টাইগারকেও খাওয়াল। খাওয়ার পর একটা বই নিয়ে বসল, কিন্তু একঘণ্টায় একপাতাও পড়তে পারল না। বার বার জানলার বাইরে তাকাতে লাগল, ক্রিসের গাড়ির শব্দ পাওয়া যায় কিনা।
বিকেলের দিকে ক্রিসের গাড়ির শব্দ পাওয়া গেল। ক্যারেন বাইরে এসে দাঁড়াতেই ক্রিস গাড়ি থেকে নেমে ওকে বেশ জড়িয়ে ধরে একটা চুমু খেল। বলল, " লস এঞ্জেলেসে গিয়ে একটুও মন টিকছিল না। মন পড়েছিল ক্যাজুরিনায়।"
ক্যারেন তার হাত ধরে আবদারের সুরে বলল, " আমার জন্য একটা বাইসাইকেল আনার কথা ছিল না?"
" ওহ, মাই গড! একদম ভুলে গিয়েছি। আচ্ছা তুমি বরং ড্রাইভিংটা শিখে নাও। বাইসাইকেল পরে না হয় কেনা যাবে।"
রাতে চমৎকার রান্না করল ক্যারেন। ক্রিস খেলও পেট পুরে। ঠাট্টার সুরে বলল, " তোমার রান্নার হাত সত্যিই চমৎকার। এখান থেকে ফিরে গিয়ে আমরা একটা হোটেল খুলব। তোমার হাতের রোস্ট বেচেই আমরা বড়লোক হয়ে যাব।"
এইসব ঠাট্টাতামাসার মধ্যেই টাইগারকে বাইরে পাঠিয়ে দিল ক্যারেন। টাইগার তো কিছুতেই বেরোবে না। তাকে কোনওরকমে ঠেলেঠুলে বাইরে পাঠান হল। প্রাকৃতিক কাজটা বাইরেই সারুক টাইগার।
ফায়ারপ্লেসের ধারে দুজনে গায়ে গা লাগিয়ে বসল। ক্রিস ক্যারেনের উরুতে একটা চিমটি কাটল। ওর শরীরে ধীরেধীরে বুলোতে লাগল হাত। ক্যারেনের শরীরে যেন বান ডাকল। আজ ক্রিসকে ওর চাই।
চমৎকার মুডে আছে ক্যারেন। তাই ক্রিস বলল, " চলো সময় নষ্ট করে লাভ নেই।"
ক্যারেন বলল, " সময় নষ্ট করছ তো তুমি। ওঠার নামটি নেই।"
" তোমায় সময় দিচ্ছিলাম। এখন চল, হটব্যাগ রেখে বিছানা গরম করে রেখেছি আমি।"
ফায়ারপ্লেসের ধারেই ক্যারেনকে পিষ্ট করে ফেলতে চাইল ক্রিস। ওর বলিষ্ঠ হাত ক্যারেনের সারা শরীর হাতড়াচ্ছে। কি যেন খুঁজে বেড়াচ্ছে।
নিজের সমস্ত পরিধেয় খুলে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে গেল ক্রিস। ক্যারেনকেও নগ্ন করল। মাতাল হয়ে গেল দুজনেই। কামনায় লাল ক্যারেনের সারা মুখ। দুটো শরীর পরস্পর প্রবল কামনায় একে অপরকে বিদ্ধ করে চলেছে।
ঠিক সেই সময় বাইরে থেকে সেই আকুল ডাক ভেসে এল। নেকড়ের সেই রক্ত শীতল করা ডাক। চমকে উঠল ক্যারেন। ঠকঠক করে কেঁপে উঠল তার শরীর। ক্রিসকে একপাশে ঠেলে দিয়ে বলল, " ওই শোন, নেকড়ের ডাক শুনতে পারছ? এখনো অবিশ্বাস করবে তুমি?"
ক্রিসের রক্তে তখন আগুন। বিরক্ত হয়ে বলল, " বাদ দাও তো ওসব। কোথায় শেয়াল না কুকুর কাঁদছে। তাই শুনেই কলজে শুকিয়ে যাবার যোগাড় হচ্ছে তোমার।"
" শেয়াল কুকুর নয় ক্রিস, ওটা নেকড়ে।"
" হলই বা নেকড়ে। নেকড়ে তো আর আমাদের ঘরে এসে ঢোকেনি।"
ক্রিস বুঝল আর জাগানো যাবে না ক্যারেনকে। তাই সে তাকে লেপ দিয়ে ঢেকে উঠে পড়ল। নিজের গাউনটা কুড়িয়ে গায়ে দিয়ে ক্যারেনের পাশে পাশ ফিরে শুয়ে পড়ল।
ক্যারেন ছলছল চোখে বলল, " মাফ করো ক্রিস। কিন্তু তুমি বিশ্বাস কর, ঐ শব্দ শুনলে ভয় পাই আমি। আমার সারা দেহ অবশ হয়ে আসে। মাফ করে দাও আমায়।"
" আরে বাদ দাও তো যতসব ফালতু কথা। উদ্ভট যত সব চিন্তাভাবনা। " পাশ ফিরে শুয়ে শুয়েই বলল ক্রিস।
কয়েকবার ডেকেই থেমে গেল জন্তুটা। সেরাতে আর কোনও ডাক শুনতে পেল না ক্যারেন। কিন্তু যা হারাবার তা হারিয়ে ফেলল ও।
ক্যারেন স্বামীর পিঠে হাত রাখল। বলল, " ডার্লিং, এই অবস্থা আমি খুব শীগগিরই কাটিয়ে উঠব। তোমায় অতৃপ্ত রাখব না আমি।"
ক্রিসের দিক থেকে কোনও সাড়া নেই।
ক্যারেন বলল, " আচ্ছা, দিনের বেলায় তো কোনও জন্তু ডাকে না। তখন না হয় আমায় নিয়ে শুয়ে থেকো। "
ক্রিসের দিক থেকে তবু কোনও সাড়া নেই।
জলে ভিজে উঠল ক্যারেনের চোখ। ক্রিসকে কি করে বোঝাবে সে ওই নেকড়ের ডাক কানে গেলেই তার জো থম্পসনের কুৎসিত চেহারাটার কথা মনে পড়ে যায়। সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি। উরু বেয়ে দরদর করে নামছে রক্তের ধারা। কি করে বোঝাবে ও ক্রিসকে এসব কথা।
ক্রিসের দিক থেকে কোনও সাড়া না পেয়ে দুটো ঘুমের বড়ি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ল ক্যারেন। পরদিন সকালে ক্রিসের আগেই তার ঘুম ভাঙল। স্নান করে ঢুকল কিচেনে। আজ ক্রিসের মনের মতো করে ব্রেকফাস্ট বানাবে সে।
তাক থেকে কি একটা কৌটো নামাতে গিয়ে ডগ ফুডের কৌটোটার দিকে নজর গেল ওর। সঙ্গে সঙ্গে আঁৎকে উঠল ক্যারেন। কাল রাতে টাইগারকে ঘরে ফিরিয়ে আনা হয়নি! বেচারা সারারাত ধরে কোথায় আছে, কে জানে! ঠান্ডায় হয়ত জমে পড়ে আছে কোথাও।
স্টোভ নিবিয়ে বাইরে গিয়ে কয়েকবার ' টাইগার টাইগার' বলে ডাকল ক্যারেন। কোনও সাড়া নেই। আজ আর লেজ নাড়তে নাড়তে তার কাছে ছুটে এল না টাইগার।
( চলবে)
------------------
।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now