বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
.
.
.
স্কুল লাইফে যখন আগের প্রাইমারি ছেড়ে অন্য প্রাইমারিতে ভর্তি হলাম , প্রথম ৪ দিন ত ভয়ে ভয়ে কেটেছিল, আমি ছোট কালে ভিতু আর লজ্জা টা একটু বেশি ছিল আর খানিকটা বেশি বুঝতাম বেশ ভালই পেকেচিলাম কিন্তু সব সময় আমি কিছু জানি না টাইপেন ভোলন মার্কা হয়ে থাকতাম , এতে বেশ কিছু সুবিধা ছিল অবশ্য যেমন কোন অপরাধ করে না জানার ভান করে কেবলা মার্কা হয়ে থাকলে সন্দেহ ত দুরের কথা আমার দিকে কেউ তাকাত না ।
.
স্কুলের এর এক বড় ভাইয়ার ( বড় ভাই বলতে এক ক্লাশ উপরে পড়া চ্যাংড়া প্যাংড়া) সাথে এমনেইতে কথা বলছিলাম তার কিছুক্ষণ বড় ভাইটা চলে গেল আমি এমনতেই আনমনে বসে ছিলাম তখন লক্ষ করলাম বড় ভাইটা একটা মেয়ের সাথে খেলা করছে ( বুজতে পারছেন ছোট বাচ্চা কাচ্চা তখন) মেয়েটাকে প্রথম দেখাতে ভাল লেগেছিলতার হাসিমাখা মুখটা , আমি তখন ত বুঝতাম না এটাকে ক্রাস বলে যাইহোক তারপর ক্লাসে যেয়ে জানতে পারলাম মেয়েটা আমার ক্লাশমেট তার পর আস্তে আাস্তে তার নাম জানতে পেরেছিলাম আহা কি নাম নিশি ( পরিচয় গোপন কৃত) । আমি আবার ছোট কাল থেকেই মেয়েদের সাথে মিশতাম না একবার ত নাচতে গিয়ে ( বাচ্চা কাচ্চার নাচ বোঝেন না) একট মেয়ের সাথে হাত ধরে নাচতে হবে কিন্তু আমি মেয়েটার হাত ধরছিলাম না মেয়েটা আবার আমার সিনিয়র ছিল সেখানে সেও ছিল কিন্তু সে মেয়েদের সাথে নাচছিল (এখন মনে হরে অফসুস হয় কেন মেয়েটার হাত ধরেছিলাম না আর কেনবা তার সাথে নাচতে পেরেছিলাম না ) ।
.
.
.
আমার আর তার সাথে সিনেমার মত ধাক্কাও খেয়েছিলাম তখন যে কি পরিমাণ লজ্জা পেয়ে ছিলাম । তার পরে এরকম অনেক ঘটনার মধ্যে দিয়ে পিএসসি পরীক্ষা দিলাম তার পরে ভর্তি হলাম সেই খানকার উচ্চ বিদ্যালয়ে কিন্তু সে ... উপজেলার বিদ্যালয়ে ভর্তি হল তার পরে ত তার থেকে বিচচ্ছেদ হয়ে গেলাম
.
তার পরে রাস্তা ঘাটে দেখা হলেও কথা আর হয়নি । যখন অষ্ঠম শ্রেণীতে উঠলাম ভালবাসা কি বোঝা শিখলাম আমার মন এক সেকেন্ড তার নাম মনে হত । তার পর জেএসসি দেবার পরে আমি চলে গেলাম শহরের বিদ্যালয়ে আর সে সেখানে থেকে গেল । নবম-দশম শ্রেণীতে থাকতে কত সুন্দর ললনার দেখা মিলল কিন্তু কাউকে পছন্দ হয়নি । শুধু তার প্রথম দেখা হাসি হাসি মায়াময় মুখ ভেসে উঠত । যখন থেতে জানলাম যাকে বা যা গভীর মন দিয়ে চাওয়া যায় তা পাওয়া যায় তখন থেকেই তাকে গভীর মন থেকে চাইতাম । বন্ধুরা অনেক বারি জিঙ্গেস করেছিল আমার পছন্দের মানুষ আছে নাকি আমি বলতাম বিয়ের পরে একদম বউকে পছন্দের মানুষ করে নিব।
.
.
এখন আমি কলেজে পড়ি এখনও তাকেই ভালবাসি আমার বন্ধুরা প্রেম করে আর আমি তাকে নিয়ে কল্পনা সাজাই কিন্তু আমি জানি আমার তাকে নিয়ে কল্পনা সাজানো পর্যন্ত সিমাবদ্ধ থাকবে, সে কি এখন সিঙ্গল আছে , তার ত ভালবাসার মানুষ থাকতে পারে তারপরেও আমি দেখতে খারাপ কেনইবা সে আমাকে ভালবাসবে , এগুলা বাস্তবতার কথা কিন্তু.... মন ... মন কি আর তা মানে ..মন ঠিক তাকে নিয়ে কল্পনা আকতে ব্যস্ত , বাস্তবতা বলে আমাদের মিলন সম্ভব নয় কিন্তু মন ত তা আর মানে না সে ঠিক গভীর ভাবে তাকে চায় ... মিরাক্কেলের আশায় বসে থাকে ..আমার আর তার মিলনের
তবুও বাস্তবতা বড়ই কঠিন আমি না হয় তাকে নিয়ে কল্পনা একে ভাল থাকি আর অপেক্ষায় থাকি কোন মিরাক্কেলে
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now