বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
#সেই–অনেক–আগে
#পর্ব ৬
#লেখক: আবির আহম্মেদ
----
আম্মুঃরিয়া আসো আসো মা।
রিয়াঃ জি
আম্মুঃ কি খাবা বলো।
রিয়াঃ কিছু না
আম্মুঃ তোমরা কথা বলো।আমার আর একটু রান্না বাকি
(এরপর আম্মু আমাকে আর রিয়াকে রেখে রান্না ঘরে গেলো।কিছুখন পরে আম্মু আমাদেরকে ডাক দিয়ে টেবিলে আসতে বলল।আমি আর রিয়া টেবিলে গেলাম।আম্মু আজকে অনেক কিছু রান্না করেছে। আমাকে আর রিয়াকে প্লেট দিলো।)
আম্মুঃ রিয়া আম্মু কি লাগবে আর।
রিয়াঃকিছু না এতো কিছু রান্না করেছেন বুঝতেছি না কি দিয়ে শুরু করবো।
(এরপর আম্মু নিজের হাত দিয়ে রিয়াকে সব কিছু বেরে দিচ্ছে।আমার প্লেট ফাকা।আম্মু রিয়াকে মেয়ে তার আদরের ছেলেকে ভুলে গেলো)
আমিঃ আম্মু আমার খাবার কই আমি কি শুধু প্লেট খাবো।
আম্মুঃ তুই তোর খাবার তুই নিয়ে খাঁ
আমিঃ বাহ ভালো ভুলে গেছো।
আম্মুঃ হুম এখন বেশি কথা বলিস না রিয়া খাচ্ছে।
(আমি আর কিছু না বলে।আমি নিজের খাবার নিজেই নিয়ে খেতে লাগলাম।আর আম্মুর দিকে তাকিয়ে দেখি আম্মু অনেক খুশি।আর আম্মুর খুশিতে আমিও অনেক খুশি হই।কিছুখন পর সবার খাওয়া শেষ হলো।)
আম্মুঃরিয়া তোমার বাসায় কি জানে আমার ছেলের কথা।
রিয়াঃ না আন্টি।
আম্মুঃ ওকে ২ দিন পরে আমি তোমাদের বাসায় গিয়ে সব বলব।
(আমি মনে মনে অনেক খুশি হই।কিন্তু রিয়া কিছু বলে না চুপ করে থাকে।আমি কিছুই বুঝতেছি না। রিয়া প্রায় চুপ হয়ে যায়)
আম্মুঃ বুঝছি তুমি লজ্জা পেয়েছো।
(আমি কিছুটা বুঝতে পারি।রিয়া চুপ করে থাকার কারন লজ্জা না অন্য কোনো কারন আছে)
রিয়াঃ আন্টি এখন আমি আসি।
আম্মুঃ ওকে তাহলে আসো।সময় পেলেই আসবে ওকে।
রিয়াঃ ওকে
আম্মুঃ সাকিব তুমি রিয়াকে বাসার সামনে দিয়ে আসো।
আমিঃ তুমি বললেও রিয়াকে দিয়ে আসতে যাবো না বললেও যাবে।
আম্মুঃ ফাজিল যা।
(এরপর আমি রিয়াকে নিয়ে হাটতে হাটতে রিয়ার বাসার সামনে গেলাম।তখন রিয়াকে জিজ্ঞাস করলাম)
আমিঃ রিয়া তুমি প্রায় চুপ হয়ে যাও কেন।একটু অন্য রকম হয়ে যাও কেন।তখন মনে হয় তুমি আমার থেকে দূরে সরে যাবে।
রিয়াঃ কিছু না এমনি চুপ হয়ে যাই।
আমিঃ এমনি তো আর কেউ চুপ হয় না।আমাকে বলতে পারো সমস্যা থাকলে।
রিয়াঃ সমস্যা বললে তুমি ঠিক থাকতে পারবা না।
আমিঃ মানে।
রিয়াঃ কিছু না সময় হলে বলবো। আচ্ছাহ আমার আর তোমার কথা তোমার সব ফ্রেন্ড জানে।?
আমিঃ হুম জানে।।
রিয়াঃ কই তুমি তো কখনও আমাকে তোমার ফ্রেন্ডদের কে দেখাও নাই।
আমিঃ আচ্ছাহ কালকে সব ফ্রেন্ডদের সামনে তোমাকে নিয়ে যাবো।
রিয়াঃ আচ্ছাহ
(এই বলে রিয়া চলে গেলো।কিছুই বুঝতেছি না।তখনি লিমন ফোন দিলো)
লিমনঃ দোস্ত ভাবি কেমন আছে।
আমিঃ এইতো ভালো। রিহা কেমন আছে?
লিমনঃ রিহা রাগ করছে তোর সাথে কথা বলবে না।
আমিঃ কেন।
লিমনঃ তুই রিয়ার ছবি দিস নাই তাই।
আমিঃ ওহ সরি।আচ্ছাহ রিহাকে ফোনটা দে।
রিহাঃ হে কি হয়েছে।
আমিঃ তুমি রাগ করেছো।
রিহাঃ না।
(রাগি কন্ঠে বলল)
আমিঃ আচ্ছাহ ছবি না দিয়ে যদি।তোমার সামনে নিয়ে আসি তাহলে কেমন হবে।
রিহাঃ সত্যি।
আমিঃ হুম।
রিহাঃ মিথ্যা বলতাছো।
আমিঃ আচ্ছাহ কালকে তুমি আর লিমন। ঠিক বিকাল ৫ টায় রেডি থাকবে। তোমাদের নিতে আসবো আমি।
রিহাঃ কেনো।
আমিঃ রিয়াকে দেখবা না।
রিহাঃ হুম।
আমিঃ তাহলে কোনো কথা না ওকে রেডি থাকবা।
রিহাঃ ওকে
আমিঃ ওকে বায় টাটা।
রিহাঃ ওকে টাটা ভাইয়া।
(এরপর আমি ফোন কেটে দিলাম।বাসায় গিয়ে ঘুমিয়ে পরলাম।ঘুম থেকে উঠে। বের হয়ে ভাবতেছি কালকে রিয়াকে কথায় নিয়ে আসবো।কথায় রিয়াকে সবাই কে দেখাবো।তখনি আমি একটা কেফে গিয়ে সম্পুর্ন কেফটা এক দিনের জন্য ভাড়া করলাম।রাহুলকে ফোন দিয়ে।আসতে বললাম।কিছুখন রাহুলও এসে পরলো)
রাহুলঃ কিরে এখানে আসতে বললি কেন?
(রাহুলকে সব বললাম)
আমিঃ এখন এই কেফ সুন্দর করে সাজাবি।
রাহুলঃ ওকে মামা।চিন্তা কইরো না।
আমিঃ হুম।তাহলে আমি এখন চলে যাই। সবাইকে বলতে হবে।
রাহুলঃ ওকে তুই যা। আমি এখানে সব দেখতেছি।
আমিঃ ওকে
(এরপর আমি বাসায় গিয়ে সবাইকে ফোন দিয়ে বললাম।পরের দিন রিয়াকে কেফে আসতে বলে। আমি রিহা আর লিমনকে আনতে গেলাম।রিহা আর লিমন কে নিয়ে কেফের ভিতরে গেলাম।সবাই আসছে কিন্তু রিয়া এখনও আসে নাই।রিয়াকে ফোন দিয়ে বললাম)
আমিঃ কই তুমি।তোমার জন্য সবাই বসে আসে।
রিয়াঃ সবাইকে চলে যেতে বলো।
আমিঃ কিহ ফাজলামি করতেছো।
রিয়াঃ আমার আসতে আরো সময় লাগবে।
আমিঃ ওকে তাড়াতাড়ি আসে
# চলবে
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now