বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সেই অনেক আগে(৪)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান abir ahmed sagor (০ পয়েন্ট)

X #সেই—অনেক—আগে #পর্ব ৪ #লেখক: আবির আহম্মেদ (এরপর সুমাইয়া নাম বল।আমি বাসায় গিয়ে। রিয়ার আইডি খুজতেছি।কিন্তু পাই না রিয়া নামের অনেক আইডি।কি যে করি।তখনি সুমাইয়াকে মেসেজ দিলাম) আমিঃ কিরে রিয়ার আইডি কোনটা৷ এখানে তো অনেক আইডি। সুমাইয়াঃ আরে হিজাব পড়া একটা মেয়ের ছবি প্রোফাইল দেওয়া। আমিঃ আগে বলবি না।।পাইছি। সুমাইয়াঃ হুম। (এরপর রিয়াকে ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট দিলাম।জানি না আমার রিকুয়েষ্ট গ্রহণ করবে নাকি।রাত বাজে ১ টা রিকুয়েষ্ট গ্রহণ করলো না।খারাপ লাগলো।তারপর ঘুমিয়ে পরি। সকালে উঠে দ্রুত স্কুলে গেলাম।রিয়াকে খুজতেছি। রিয়া যে কথায় গেলো। কিছুখন খুজার পর রিয়াকে দেখতে পেলাম রিয়ার সামনে গিয়ে।বললাম) আমিঃ জানেমান sn sakib আইডিটা রিকুয়েষ্ট গ্রহণ কইরো। রিয়াঃ ওকে করবো। (রিয়ার কথা শুনে একটু অবাক হলাম।কিছুই বলল না) আমিঃ ওকে যাও ক্লাসে। রিয়াঃ ওকে। (কিছুই বুঝতেছি না।রিয়ার কি হলো।আমার কি আমার তো আরও ভালো এইভাবে কথা বললে।আর আমি ক্লাস করে বাসায় চলে যাই। বাসায় গিয়ে দেখাম। রিয়া আমাকে মেসেজ করছে।পরে আমিও মেসেজ করলাম) আমিঃ হুম কেমন আছো? রিয়াঃ ভালো তুমি? আমিঃ এই তো আছি কোনো রকম। রিয়াঃ কেন কি হয়েছে।? আমিঃ কিছু না। রিয়াঃ হুম। আমিঃ আচ্চাহ তুমি কাও কে লাভ করো?? রিয়াঃ না আমি একাই। আমিঃসত্যি বলো প্লিয। রিয়াঃ আরে বাবা সত্যি তোমার সাথে মিথ্যা বলে লাভ কি। আমিঃ আচ্ছাহ তোমার কি শরির খারাপ? রিয়াঃ না কেন? আমিঃ না আসলে আমার সাথে তো এতো ভালো করে কথা বলো নাই কখনও তাই। রিয়াঃ আরে পাগল তখন তো তোমাকে চিনতাম না তাই। আমিঃ এখন তো চিনো। রিয়াঃ হুম তুমি অনেক ভালো গল্প লিখতে পারো। আমিঃ তোমাকে বলছে কে? রিয়াঃ না তোমার আইডিতে গল্প গুলো পরেছি অনেক ভালো। আমিঃ ধন্যবাদ। রিয়াঃ একটা কথা বলি? আমিঃ হুম বলো। রিয়াঃ না থাক তুমি রাগ করবা। আমিঃ আরে না বলো। রিয়াঃ আগে বল তোমার কি গার্লফ্রেন্ড আছে। আমিঃ না। কেনো? রিয়াঃ না তোমার গল্পতে অই মেয়ে গুলো নাম দিছো তো৷ তাই। আমিঃ আসলে এই নাম গুলো আমার ফ্রেন্ড আমার বোন। রিয়াঃ তাহলে তোমার গল্পতে এখন থেকে আমার নাম দিবে বুঝলে। আমিঃ হুম ওকে দিবো।। রিয়াঃ ধন্যবাদ।রাতে খাবার খেয়েছো। আমিঃ না তুমি। রিয়াঃ হুম খেয়েছি।। আমিঃগুদ। রিয়াঃ আচ্ছাহ বায় ঘুমাবো টাটা। আমিঃ ওকে জানেমান বায়। রিয়াঃ ওকে।। (কিছুই বুঝলাম জানেমান বলার পরে বলে ওকে।রিয়া কি তাহলে আমাকে লাভ করে।।কিভাবে জানবো রিয়া আমাকে লাভ করে নাকি।এই ভাবতে ভাবতে আমিও ঘুমিয়ে পরি।সকালে উঠে দেখি রিয়ার মেসেজ) রিয়াঃ কি ঘুম হয় নি। আমিঃ হুম হয়েছে। রিয়াঃ যাবা কখন স্কুলে।। আমিঃ এই তো ১০ মিনিট।পরে বের হবো। রিয়াঃ ওকে বায়। (এরপর আমি রেডি হয়ে।স্কুলে যাওয়ার জন্য বের হলাম।স্কুলের সামনে গিয়ে দেখি রিয়া দাড়িয়ে আছে।রিয়ার সামনে গিয়ে দাড়াতেই লিমনের ফোন।) লিমনঃ দোস্ত কেমন আছিস। আমিঃ এই তো ভালো। লিমনঃসবাই কেমন আছে? আর তোর রিয়ার সাথে কেমন চলতাছে। আমিঃ সবাই ভালো আছে আর ও এখন আমার পাশে। লিমনঃ ওহ তাহলে ঠিক হয়ে গেছে। আমিঃ দূর এখনও কিছু হয় নাই। লিমনঃ হুম আমিঃ শুন আজকে একটু আমার সাথে দেখা করিস। লিমনঃ কেন? আমিঃ ক্রেডিট কার্ড নিয়ে যাইস। লিমনঃ কেন? আমিঃ আরে আমি জানি তো এখন টাকা লাগবে।আর নতুন বিয়ে করছিস।বউকে নিয়ে ঘুরতে যাবি।। লিমনঃ কি যে বলে তোকে ধন্যবাদ দিবো।তুই আমার ভাইয়ের থেকেও অনেক। আমিঃ আচ্ছাহ বায় পরে কথা বলবো। (ফোন কেটে দেখি রিয়া আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে।) আমিঃ কি হয়েছে এভাবে তাকিয়ে আছো।কেন? রিয়াঃ ফোনে কি বলছিলাম কে তোমার পাশে।আর সে আমাকে চিনলো কিভাবে। আমিঃ আরে কিছু না। চলো।ক্লাসে যাবা না। রিয়াঃ হুম। (এরপর আমি আর রিয়া এক সাথে ক্লাস রুমে দিকে যেতেই সব পোলাপাইন আমার দিকে তাকিয়ে আছে।রাহুল আমার সামনে এসে বলল) রাহুলঃ মামা এতো তাড়াতাড়ি। আমিঃ চুপ যা। (সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে।আমি বিরক্ত হয়ে সবার দিয়ে রাগি মুখ নিয়ে তাকাতেই সবাই চলে যায়।আমিও আমার ক্লাসে চলে গেলাম।ক্লাস শেষ করে রিয়ার জন্য দাড়িয়ে আছি।কিছুখন পরে রিয়াও চলে আসলো।) রিয়াঃ কি হয়েছে দাড়িয়ে আছো কেন? আমিঃ তোমার জন্য। রিয়াঃ তোমার তো অনেক আগেই ক্লাস শেষ হয়েছে। আমিঃ হুম। রিয়াঃ আচ্ছাহ চলো। (এরপর আমি রিয়া এক সাথে যাই কিছুখন যাওয়ার পর রিয়া রিয়ার বাসায় চলে যায়।আমি একা একা বাসায় চলে যাই।বাসায় গিয়ে ভাবতেছি রিয়াকে প্রোপস করবো।কিন্তু কিভাবে প্রোপস করবো।তখনি রিয়ার মেসেজ।) রিয়াঃ কেমন আছো? আমিঃ ভালো না। রিয়াঃ কেন? আমিঃ এমনি। রিয়াঃ হুম। আমিঃ রিয়া একটা কথা বলবো? রিয়াঃ হুম বলো। আমিঃ না থাক কালকে বলবো।কালকে ক্যান্টিনে আসবে ওকে। রিয়াঃ ওকে।বায়। (এরপর রিয়াও অনলাইন থেকে চলে যায়।আমিও ঘুমিয়ে পরি।পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে রাহুলকে আর সুমাইয়াকে ফোন দিলাম।এবং ওদেরকে ক্যান্টিন খালি করে রাখতে বললাম।আমি স্কুলে গিয়ে দেখি সম্পুর্ন ক্যান্টিন খালি।) আমিঃ রাহুল ফুল কই। রাহুলঃ এই যে। (এরপর আমি ফুল গুলো নিয়ে বসে থাকি।রিয়ার অপেক্ষায়।কিছুখন পরেও রিয়া চলে আসলো।রিয়া ক্যান্টিনে আসতেই।আমি হাটু গেধে রিয়াকে ফুল প্রোপস করলাম।আর বললাম) আমিঃ আই লাভ ইউ।আমার আম্মুর বউ মা হবে?? (রিয়া কিছুখন আমার দিকে তাকিয়ে থাকে।পরে বলে) রিয়াঃ হুম হবো।। (এরপর রিয়া আমার ফুল গ্রহণ করলো।এরপর আমি রিয়ার হাত ধরে বললাম) আমিঃ কখনও ছেড়ে দিও না আমাকে। রিয়াঃ হুম। (আমি রিয়ার চোখের দিকে এক নজরে তাকিয়ে আছি) রাহুলঃ ভাই চোখ নামা।নাহলে তো চোখ খুলে বের হয়ে আসবে। (রিয়া লজ্জা পেয়ে চলে গেলো) আমিঃ বলদ তোর জন্য রাগ করছে রিয়া। সুমাইয়াঃ এটা রাগ না লজ্জা। আমিঃ হুম জানি। (এরপর আমিও চলে গেলাম।বাসায় গিয়ে ফোন হাতে নিয়ে দেখি রিয়া ফোন দিয়েছে) আমিঃ হায় জানেমান। রিয়াঃ হুম। আজকে দিনটা ভালো ছিলো। আমিঃ ধন্যবাদ। কিন্তু তোমার কন্ঠ শুনে মনে হয় না তোমার কাছে আজকে দিনটা৷ ভালো ছিলো। রিয়াঃ হুম। আমিঃ রিয়া জানো তোমাকে আমি সেই প্রথম দেখাতেই ভালোবেসে ফেলছি। রিয়াঃ জানি। আমিঃ আই লাভ ইউ জানেমান। রিয়াঃ টুটুুুুটুু। আমিঃ আমাকে সত্যি ভালোবাসো? রিয়াঃ না। আমিঃ কিহ। রিয়াঃ তোমাকে আগে মানুষ বানাবো তারপর তোমাকে লাভ করবো। আমিঃ কেন আমি কি মানুষ না? রিয়াঃ না তুমি অমানুষ। আমিঃ হুম পাগলি। রিয়াঃ পাগল আমিঃ জানেমান তোমাকে কালকে আমার বাসায় নিয়ে আসবো। আমার আম্মুর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো। রিয়াঃ না কি বলো। আমিঃ সত্যি।আম্মু তোমাক দেখে অনেক খুশি হবে। রিয়াঃ আমার ভয় লাগে। আমিঃ আরে আমি আছি আমার আম্মু অনেক ভালো। রিয়াঃ ওকে ঠিক আছে। আমিঃ হুম। রিয়াঃ আচ্ছাব বায় ঘুমাবো। আমিঃ ওকে #চলবে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সেই অনেক আগে(৪)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now