বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কে যেন ডাকলো।পিছনে তাকিয়ে দেখি রিফাহ।আমি বললাম"কি বলিস?"
রিফাহ বলল"সুবর্ণাকে খুঁজে পাচ্ছি না।"
আমি বললাম"কেন?কোথায় গেলো সুবর্ণা?"
"জানি নারে।ইশাও খুঁজছে।"
ইশা পিছন থেকে বলে উঠলো"ইসরাত সুবর্ণাকে সত্যিই পাওয়া যাচ্ছে না।"
আমি ইশার দিকে তাকিয়ে বললাম "কোথায় গেল?আমি খুঁজে দেখছি।সায়েন্সের রুমে দেখেছিস?"
রিফাহ বলল"হ্যা ইসরাত।"
"আমি একবার দেখছি।"
খুঁজছি সুবর্ণাকে।স্কুলে তো এসেছে।তাহলে?তাহলে কোথায় গেলো?বাইরে গেল নাকি?পুরা স্কুল খুজলাম।কিন্তু নেই।রিফাহ আর ইশাকেও তো এখন দেখছি না।তাহলে কোথায় গেল সবাই?হঠাৎ কোথায় থেকে যেন শুনলাম কেউ ডাকলো।সুবর্ণার কন্ঠ।আমি চারদিকে তাকিয়ে দেখছি কে ডাকলো।কোথায় সুবর্ণা।আবার শুনলাম।ওহ হ্যা আমি তো আমাদের ক্লাসে দেখিনি।ক্লাস রুমের জানালা দরজা সব বন্ধ।আমি ক্লাস রুমে ঢুকলাম।অন্ধকার।বোর্ডের দিকে তাকিয়ে আছি।পিছন থেকে সুবর্ণা বলে উঠলো "Happy Birthday Eshrat." তখনি সবগুলো লাইট জ্বলে উঠলো।সবাই আমার কাছে আসলো।দেখলাম টেবিলে কেক।ভাবলাম তাহলে সুবর্ণা হারিয়ে যায়নি।আমার জন্য এত কিছু।তারপর কেক কাটলাম।তারপর অনেক আনন্দ করলাম।পরদিন স্কুলে গেলাম।ব্যাগটা রেখে ক্লাস থেকে বাইরে এলাম।দেখলাম ইভা আসছে।আমি ইভার কাছে গেলাম।বললাম"হাই ইভা।"
ইভা বলল "ওহ হাই ইভু।"
"চল ক্লাসে।"
আমি আর ইভা ক্লাস রুম থেকে বের হয়ে এলাম।আমি বললাম "ইভারে।"
"কিরে ইসরাত?"
"একটা জিনিস ভাবছি।হিহিহি।"
"কে ভেবেছিস?"
"ভাবছি ঐশী এলে তাকে সায়েন্সের রুমে নিয়ে যেয়ে বাইরে থেকে আটকে দিবো।ওই দেখ ঐশী।"
"আচ্ছা।হিহিহি।"
ঐশী এলো।আমি বললাম"এই ঐশী চল সায়েন্সের রুমে যাই।"
ঐশী আমি আর ইভা গেলাম।সায়েন্সের রুমের ঢুকলাম।আমি বাইরে এসে বললাম"এই ইভা শোন।"
ইভা এলো।আমি তখনি বাইরে থেকে লাগিয়ে দিলাম।ঐশী চিল্লাচিল্লি শুরু করে দিলো।আমি বললাম "থাক।ছুটি পর্যন্ত।"
ঐশী ঐপাশ থেকে বলল "এই দুই ইভা কি শুরু করছিস?খুলে দে।"
ইভা বলল "পরে।"
এইদিকে সুমাইয়া বলল"চল বাথরুমে যাই।"
সুমাইয়ার সাথে গেলাম।সুমাইয়ার সাথে বাথরুমে যাওয়ার কারণ তাকেও বাথরুমে বন্দি করে রাখবো।আমি গেট বাইরে থেকে আটকে দিয়ে সে গেলাম।সুমাইয়া চিল্লাচিল্লি শুরু করে দিয়েছে।সায়েন্সের রুমের গেট খুলে দিলাম।ঐশী রাগান্বিত হয়ে আমার কাছে এলো।জুতা খুলে আমার পিছে পিছে দৌড়াতে লাগলো।আমি দৌড়াতে রিফাহর সাথে ধাক্কা খেলাম।রিফাহ বলল"কিরে এভাবে দৌড়াস কেন?"
"ঐশী।"
এই বলে আবার দৌড়াতে লাগলাম।রিফাহ ঐশীর কাছে সব শুনল।আমি দেখলাম সুমাইয়া।আমার হাত ধরে ফেললো।বলল"কিরে তুই আটকে রেখেছিলি কিসের জন্য।"
"এমনি।"
"খালি ফাজলামি।"
"আরে ফাজলামি না করলে এই দিনগুলো স্মৃতি হয়ে থাকবে কেমন করে।"
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now