বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
RS Shakil Azad (Writter)
স্কুল ছুটির পর আয়াত বাড়ি আসছে একটা বিল্ডিংয়ের সামনে দিয়ে । বিল্ডিংয়ের পাশে ফুলের বাগান! বাগানে সে দেখল হাস্যোজ্জ্বল ন্যান্সি তার ভাই জনকে বলছে....
-Brother you know , why you are my best friend...?!(ন্যান্সি)
-No , I don't know...(জন)
-You know why you are my best brother...?! (ন্যান্সি)
-I don't know. U say...(জন)
-Because you feel helpless and guttersnipe without your sister (me)...(ন্যান্সি)
-Hmm (জন)
দুর থেকে এতক্ষণ এই কথোপকোথন শুনছিল আয়াত! কী কারণে জানি চোখ থেকে ঝরঝর করে জল গড়িয়ে পড়ছে দুটো গাল বেয়ে! সেদিকে তার কোনোই ভ্রুক্ষেপ নেই! সে শুধু ভাবছে ,,, তার একটিও বোন নাই! কেন নাই? সবার আছে তার কেন নাই? আর এখন তার বোনও হবে না! সে এসব ভাবছে আর বাড়ির দিকে সেখান থেকে রওয়ানা দিচ্ছে । নিজেকে আবার ধমকও দিচ্ছে , বোন নাই তো কী হয়েছে?! বোন কী শুধু রক্তের সম্পর্কের হয়? এই যে পৃথিবীতে তার কতগুলো বোন । সে তাদের অনেক অনেক ভালোবাসে! নিজের বোন থাকলে হয়তো ততটাই ভালোবাসতো! তাদের সঙ্গে তার পবিত্র আত্মার সম্পর্ক , যা রক্তের সম্পর্ককেও হার মানায়! নিজেকে এভাবে ধমক দিতে দিতে বাড়ি চলে আসে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ুয়া আয়াত! ঘড়ে ব্যাগ রেখে গোসল করে ভাত খায়! ভাত খেয়ে ঘরে আসে! একাকিত্ব যেন চারপাশ থেকে জেঁকে বসে । বাসায় শুধু তার মা-বাবা আর সে থাকে! বাবা মাঠে কাজ করে! আর তার ভাইয়েরা পড়ার জন্য অনেকদিন ধরে বাইরে গেছে! বাড়িতে সে একা So , মনে একাকিত্ব আসারই কথা! আবারও সে বোনের issue নিয়ে ভাবতে লাগল! একটি যদি বোন থাকত এখনকার সময়টা কাটানো যেত! নিজেকে এবার বিরক্তির সুরে বলে , ধুরর...ভাল লাগে না কিছুই! আসলেই ভাইয়েরাও বাসায় না থাকায় বোনের প্রয়োজনটা সে গভীরভাবে অনুভব করে । আসলেই বোন ছাড়া একটা ছেলে নিজেকে helpless & guttersnipe ই মনে করে! কিন্তু এসব ভেবে আর মূল্যবান সময়টা নষ্ট করবে না আয়াত । জীবণের লক্ষ্যে পা বাড়াতে মন দিয়ে পড়তে লাগল! কিন্তু মন ভালো না থাকলে কী পড়ায় মন বসে...?! তারা বাচ্চা মানুষ , পড়ায় কী তাদের মন বসে..? তাছাড়া জীবণের লক্ষ্যটাও তো সে ভালো করে বুঝে না , So , জোর করে অযথা পড়বে কেন..? এই পিচ্চি ছেলেদের মনোভাব হয়তো এইরকমই! ছেলেদের আরও কিছু প্রবলেম , যারা বড় হয়েছে তারা তো নিজেকে বীরপুরুষ ভাবে..! প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ভাবে কাল থেকে ভালো করে পড়বে , কিন্তু কোনোদিন আর পড়া হয় না আর পরীক্ষার কিছুদিন আগে প্রশ্নপত্র ফঁসের ধান্দা । লক্ষ করলে দেখবেন অনেক ছেলের ক্ষেত্রে এমনটিই হয় । তবে তারা অনেকাংশেই বোকা টাইপের! তো আসি আগের কথায়....আয়াতের পড়াতে মন না বসায় সে এখন খেলতে যাবে । তবে এত তাড়াতাড়ি তো কেউ আসবে না মাঠে । তাই সে ট্যাব দিয়ে গেম খেলে একটু পর মাঠে চলে গেল!! ফুটবল খেলতে খেলতে তার বন্ধু সাজিদকে তার বড় বোন ডাকতে আসে । সাজিদ যাবে না আর তার বড় বোন তাকে বাসায় নিয়ে যাবে! এই পর্যায়ে সাজিদ ক্ষিপ্ত হয়ে তার বোনকে ফুটবল দিয়ে জোরে একটা আঘাত করে । তার বোন হাত দিয়ে ফুটবলের আঘাত ঠেকানোর চেষ্টা করলে তার একটি আঙুল ভেঙে যায়.....
সাজিদের বোন কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি চলে আসে আর সাজিদ আঙুল ভেঙে গেছে বুঝতে না পেরে খেলতে থাকে..........
(আসলে যার কিছু থাকে সে তার মূল্য বুঝে না আর যার কিছু থাকে না সেই মূল্যটা বুঝে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now