বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বিষাক্ত সাপের কামড়ের চিকিৎসায়
ব্যবহৃত অন্যতম কার্যকরী ওষুধের
সঙ্কটে পড়তে যাচ্ছে বিশ্ব। এতে
হাজার হাজার মানুষের জীবন ঝুঁকির
মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন
বিশেষজ্ঞরা।
চিকিৎসা সাময়িকী মেডিসিন্স স্যান্স
ফ্রন্টিয়ার্সের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার
এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।
এতে বলা হয়, আফ্রিকার সাব-সাহারা
অঞ্চলের ১০ ধরনের বিষাক্ত সাপের
কামড়ে আক্রান্তদের বিষক্রিয়া
নিষ্ক্রিয় করতে ব্যবহৃত ফ্যাব-
আফ্রিকু ওধুষের পুরনো মজুদ ফুরিয়ে
যাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায়
ওষুধটির নতুন মজুদ গড়ে তোলা
দরকার।
এই ওষুধটির শেষ চালানের মজুদ
আগামী বছরের জুন নাগাদ
মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাবে। কিন্তু
নতুন চালান না থাকায় তখন কোনো
বিকল্প হাতে থাকবে না।
ওষুধটির প্রস্তুতকারক স্যানোফি
পাস্তুর জানিয়েছে, উচ্চমূল্যের কারণে
ওষুধটি আর বাজারে পাওয়া যায় না।
এর বিকল্প ওষুধ সহজলভ্য হলেও
সেগুলো ওই মানের নয়।
প্রস্তুতকারক কোম্পানিটি আরও
জানিয়েছে, ফ্যাব-আফ্রিকুই একমাত্র
এন্টি-ভেনোম যা আফ্রিকার সাব-
সাহারা অঞ্চলের বিভিন্ন ধরনের
সাপের বিষের বিরুদ্ধে নিরাপদ ও
কার্যকরী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
এই এন্টি-ভেনোমটির রেসিপি তারা
অন্যান্যদের সঙ্গে বিনিময় করে থাকে
বলে জানিয়েছে স্যানোফি।
কোম্পানিটি ২০১৪ সাল থেকে এই
ওষুধটির উৎপাদন বন্ধ করে দিয়ে তার
জায়গায় র্যাবিসের চিকিৎসার একটি
ওধুষ উৎপাদন শুরু করেছে।
ফ্যাব-আফ্রিকু উৎপাদনের জন্য
অন্যান্য কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা
চালিয়ে যাচ্ছে স্যানোফি। তবে ২০১৬
সালের শেষ দিকের আগে এই
আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে যাবে না
বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এতে জুনের
পর আরো প্রায় দুই বছর ওষুধটি
বাজারে থাকবে না বলে মনে করা
হচ্ছে।
ওই পর্যন্ত একটি নিরাপদ ও
কার্যকরী এন্টি-ভেনোমের অভাবে
অসংখ্য মানুষ মারা যাবে বলে
জানিয়েছে স্যানোফি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে,
সাপেড় কামড় একটি অবহেলিত ইস্যু।
কিন্তু এতে আরো মনোযোগ ও
বিনিয়োগ করা দরকার।
প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫০ লাখ
মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হয়।
এদের মধ্যে এক লাখ মারা যান ও
অপর চার লাখ সারা জীবনের জন্য
অক্ষম বা বিকলাঙ্গ হয়ে পড়েন।
এদের মধ্যে প্রতি বছর শুধু সাব-
সাহারা অঞ্চলেই মারা যান ৩০
হাজার মানুষ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now