বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

স্বামীর জন্য কিছু চাওয়া

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Samia (০ পয়েন্ট)

X আসসালামুওয়ালাইকুম,................. আমি আজ এমন একটি গল্প তোমাকে বলবো যা থেকে তোমরা অনেক কিছু শিখবে। শুরু করা যাক,............... সুমি অনেক বড়লোক ঘরের মেয়ে কিন্তু মনে কোনো অহংকার নেই। সৃষ্টিকর্তা ওর ভিতরে সব গুন দিয়েছে। ছোট বেলা থেকেই আগ্রহ ছিলো নামাজ পড়ার প্রতি আর সে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার চেষ্টা করতো, সে তার মায়ের হাতের রান্না খেতে না যদি না তার মা নামাজ পড়তো। সে পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকত ভালো স্টুডেন্ট ছিলো। সে যখন এইচ এইচএসসিপরীক্ষারপড়ে সুমির বিয়ে ঠিক হয়, সুমি বিয়ে পড়ে করতে চাই।কিন্তু ওর বাবা বলে ও বিয়ের পরেও পড়াশোনা করতে পারবে।সুমি আর কিছু বলে না শুধু বলে ছেলে কি নামাজ পড়েন নাকি। সুমির বাবা বলে হে পড়ে ।তারপর একদিন ঘরোয়া ভাবে ওদের বিয়ে হয় সুমি বেশি জাঁকজমক অনুষ্ঠান পছন্দ করে না। যার সাথে বিয়ে হলো সুমি শুধু তার নাম ও কি করে এটাই জানতো।সাইফ নাম ছেলেটার জব করেন একটা এনজিও তে।বিয়ে করে শশুর বাড়ি যেতে রাত হলো অনেক সবাই কে সালাম করে পরিচয় পব শেষ করে বাসর ঘরে গেলো সুমি পরে সাইফ এলো সুমি সাইফ কে সালাম করে বলে নামাজ পড়ি চলেন ।সাইফ এখন আবার কিসের নামাজ পড়তে হবে। সুমি বলে বাসর ঘরে দুইরাকাত সফল নামাজ আদায় করতে হয়। পরে সুমির কথা মতো সাইফও নামাজ পড়ে।তারপর গল্প গুজব করে ঘুমিয়ে পড়ে ভোরে সুমি ফ্রেশ হয়ে নামাজ পড়ে নেই কিন্তু সাইফ উঠে না সুমি বারবার ডাকে তারপরেও ঘুমিয়ে থাকে। এভাবে ১মাস চলে যাই সাইফ নামাজ পড়ে না মাঝেমধ্যে শুক্রবারে মসজিদে যাই।সুমি নামাজ পড়ে আল্লাহ্ কে বলে ...................... ¤হে আল্লাহ্ আমি কখনো তোমার কাছে কিছু চাইনি। কিন্তু তুমি এ কোন ঘরে আমাকে পাঠালে। তুমি যার সাথে যার ভাগ্যকে লিখেরেখেছো সেটাই সবাই।মেনে নিতে বাধ্য, কিন্তু আমি যে ঘরে এসেছি সে ঘরে কোনো নামাজ নেই তোমার আমল নেই ।এখন আমি কি করবো ,আমার স্বামী তো নামাজ পড়ে না কিন্তু তুমি তাকে ভালো রেখো,সব বিপদ থেকে রক্ষা করো ওকে। সুমি সব সময় ওর স্বামীর জন্য আল্লাহ্ কাছে দোয়া চাই। এভাবেই কেটে গেছে 4বছর সুমি এবার আর ধয্য ধরতে পারছে না, কারণ এখন যদি তার স্বামী কে নামাজ পড়তে বলে তাহলে তার স্বামী সুমি কে মারে। সুমি তবুও কাউকে কখনো কিছু বলে না। শুধু আল্লাহ্ কে ডাকে আর বলে তার স্বামীর হেদায়েত দান করতে। যখনি নামাজ এর কথা বলে মার খাই । একদিন সুমি তার স্বামী কে বলে এখনি নামাজ পড়তে যাবে, তখন সুমির স্বামী ঘুমিয়ে ছিলো ,বারবার ডাকছে শুনে উঠে খুব মারধর করে। সুমি মার ঠেকাতে গিয়ে ওর স্বামীর গায়ে হাত উঠে যাই।তারপরে সুমি তার ভুলের জন্য তার স্বামী পা ধরে ক্ষমা চাই।স্বামী কিছু না বলে চলে যাই, আছরের নামাজ পড়ে সুমি দু হাত তুলে আল্লাহ্ কে বলে যে । ৹৹হে আল্লাহ্ আমি ইচ্ছে করে আমার স্বামীর গায়ে হাত উঠাইয়া নাই , তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও ওকে মাফ করে দেও আমি নামাজ পড়ানোর জন্য যদি মার খেয়ে মরে যাই তাও কোনো দুঃখ নেই আমার। শুধু ও আমাকে মাফ করে দিলেই হবে আমি কতো বড় ভুল করেছি ।মার ঠেকাতে গিয়ে আমি আমার স্বামী গায়ে হাত উঠাইয়ছি। তুমি আমাকে জাহান্নমে ঠাঁই দিও কিন্তু আমার স্বামী কে তুমি বেহেস্তে বাসিন্দা করে দিয়ো।স্বামী জন্য এইটুকু চাওয়া আমার তোমার কাছে। আমিন,ওর স্বামী সব শোনা বাইরে দাড়িয়ে আর বলে আমার ঘরে আল্লাহ্ এমন একটা লক্ষি বউ পাঠাইছে যে নিজের জন্য কিছু না চেয়ে আমার জন্য আল্লাহ্ কাছে দোয়া চাইছে। যাকে আমি এতো মার ধরে করি আর সে সব সময় আমার ভালো চেয়ে প্রার্থনা করে আমি এতো ভালো একটা বউ পেয়েছি জীবন।পরে সাইফ ঘরে গিয়ে সুমির কাছে তার অপরাধের জন্য ক্ষমা চাইল।আর বললো আজকের পর থেকে সে আর কখনো নামাজ বাদ দিবেনা। ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন তার সাথে ও আর খারাপ ব্যবহার করবে না। সাইফ বলে আজ বুঝলাম তুমি আমার জীবনের কি।কতটা , আমি আজ থেকে নামাজ পড়া শুরু করলাম আর কখনো ছাড়ব না । সুমি এই তো আর কিছুই চাওয়া র নেই আমার আল্লাহ্ আমাকে সব কিছুই দিছে এখন আমার সুখের সিমা নেই। এই গল্পটা পড়ে সবাই কি শিখলেন কমেন্টস এ জানাবেন........... সাফাই ভালো থাকবেন, বাই বাই ????????????✋


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ স্বামীর জন্য কিছু চাওয়া

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now