বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সাকিব আল হাসান আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্রিকেটার। আমি বড় হয়ে সাকিব আল হাসানের মতো ক্রিকেটার হতে চাই। আজ আমি সাকিব আল
হাসানের জীবনী বলবো।
"সাকিব আল হা সান" বাংলাদেশ
ক্রিকেটের এক বড় নাম। সাকিব আল হাসান ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় অল-রাউন্ডার। তাকে ছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট আর কিছু ভাবতেও পারে না।
সাকিব আল হাসানের জন্ম ১৯৮৭ সালের ২৪শে এপ্রিল মাগুরায়। তার বাবা ছিলেন একজন ফুটবল কোচ।এজন্য সাকিব আল হাসানকে তিনি ফুটবলার বানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাকিব আল হাসান ক্রিকেটপ্রেমী ছিল এবং ক্রিকেট খেলাকেই পছন্দ করতো। কিন্তু সাকিব আল হাসানের বাবা এটা মানতে পারেনি। তিনি চাইতেন সাকিব ফুটবলার হবে। কিন্তু সাকিব আল হাসান ফুটবলার হতে চাইতেন না। তিনি ক্রিকেটার হতে চাইতেন। এবং ক্রিকেট খেলতেন। এজন্য সাকিব আল হাসানের বাবা তার ক্রিকেট খেলার ব্যাট পুড়িয়ে ফেলতেন এবং ব্যাট দিয়েই মারতেন।????
এরপরও সাকিব ক্রিকেট খেলা ছাড়েন নি। তিনি আবার ব্যাট কিনে লুকিয়ে রাখতেন। যেন তার বাবা না দেখতে পারে। তার বাবা দেখতে পেলে বাবার পুড়িয়ে ফেলতেন এবং সাকিব পূনরায় ব্যাট কিনতো।
সাকিব আল হাসান ছোট বেলা
থেকেই ক্রিকেট প্রেমী ছিল। তিনি ছোট বেলা থেকেই ভালো ক্রিকেট খেলতেন। এরপর তার বাবা বুঝতে
পারলেন যে, আর আটকিয়ে বাধা দিয়ে কোন লাভ নেই তাকে ক্রিকেট খেলতে দেওয়াই উচিত এবং তিনি সাকিব আল হাসানকে ক্রিকেট খেলায় মনোযোগী করার চেষ্টা করলেন। সাকিব ভালো ক্রিকেট খেলে দেখে তার এক চাচা তাকে ভালো একটি ক্লাবে খেলার সুযোগ দেয়। যেন আরো ভালো ক্রিকেট খেলতে পারেন। তিনি সেখানেও ভালো ক্রিকেট খেলে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ এ খেলার সুযোগ দেয়। এরপর তিনি ২০০৬ ৪ই অক্টোবর বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পান। আজ তিনি একজন বিশ্বমানের বিশ্বসেরা ক্রিকেটার ক্রিকেটার। সাকিব আল হাসানের বাবা হয়তো এখনও আফসোস করেন যে কেন আরো আগে থেকেই খেলতে দেননি।
আমিও বড় হয়ে সাকিব আল হাসানের মতো বিশ্বসেরা ক্রিকেটার হতে চাই। আমার জন্য দয়া
করবেন এবং ভালো লাগলে conment করবেন। ধন্যবাদ
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now