বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সাইকোলজি খেলা,,,?

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ruhul Amin Raj (০ পয়েন্ট)

X M.B.A শেষ বর্ষের ক্লাস চলছে একজন বৃদ্ধ শিক্ষক ক্লাসে এলেন, তিনি সামনের সীটে বসে থাকা একটি মেয়েকে ডাক দিলেন টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করলেন :- মা! তোমার কি বিয়ে হয়েছে?? মেয়েটা লজ্জিত অবয়বে উত্তর দিলো "হ্যাঁ! স্যার" আমার একটা দুই বছরের ছেলেও আছে টিচার চট করে উঠে দাঁড়ালেন, খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন :- আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললেন :- মা! আজকের জন্যে তুমিই টিচার আর আমরা সবাই তোমার ছাত্র এই নাও চক' এবং ডাষ্টার, এবার যাও মা!! তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো, মেয়েটা বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লিখলো, টিচার জিজ্ঞেস করলেন :- এরা কারা?? তাদের পরিচয় ডান পাশে লেখো মেয়েটা এদের পরিচয় লিখে স্যারের দিকে তাকালো, সংসারের সবার নামের পাশে দুই একজন বন্ধু এবং প্রতিবেশীর নামও আছে, টিচার এবার বললেন :- লিষ্ট থেকে পাঁচ জনকে মুছে দাও, মেয়েটা তার প্রতিবেশী আর বন্ধুর নাম গুলো মুছে দিলো, টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন আরো তিন জনের নাম মুছো ফেলো মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পরে গেলো, ক্লাসের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে, খুব মনযোগ দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ করছে, মেয়েটার হাত কাঁপছে সে ধীরে ধীরে তার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নামটি মুছে দিলো, এবং বাবা আর মায়ের নামও মুছে ফেলল, এখন মেয়েটা রিতিমত কাঁদছে যে আনন্দ নিয়ে ক্লাসটা শুরু হয়েছিলো, সেই মজা আর নেই এখন ক্লাসের অন্যদের মাঝেও টানটান উত্তেজনা, লিষ্টে আর বাকী আছে দুইজন, মেয়েটার হাজবেন্ড আর সন্তান, টিচার এবার বললেন, আরো একজনের নাম মুছে ফেলো, কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো, কারোর নামই সে আর মুছতে পারছেনা, টিচার বললেন :- মা গো! এটা একটা খেলা সাইকোলজিক্যাল খেলা, জাষ্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!! মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো, টিচার এবার মেয়েটার কাছে গেলেন, পকেট থেকে একটা গিফ্ট বের করে বললেন :- তোমার মনের উপর দিয়ে যে ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত আর এই গিফ্ট বক্সে দশটা গিফ্ট আছে, তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য এবার বলো, কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে?? মেয়েটা বলতে শুরু করলো, প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম, কারন তবু আমার কাছে বেষ্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই রইলো, পরে যখন আরো তিন জনের নাম মুছতে বললেন! তখন বেষ্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে দিলাম, ভাবলাম, বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না! আর বেষ্ট ফ্রেন্ড না থাকলে কি হয়েছে?? আমার কাছে আমার পুত্র এবং তার বাবাই বেষ্ট ফ্রেন্ড, কিন্তু সবার শেষে যখন এই দুইজন থেকে একজনকে মুছে ফেলতে বললেন! তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না পরে ভেবে দেখলাম, ছেলেতো বড় হয়ে একদিন আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে, কিন্তু ছেলের বাবাতো কোন দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না, তাই আমি এই সিদ্ধান্তটি নিয়েছি, শিক্ষাঃ- "বন্ধুরা! এই হল স্বামীর প্রতি স্ত্রীর প্রকৃত ভালোবাসা ও বিশ্বাস, একজন গুণবতী স্ত্রী তার স্বামীর জন্য পৃথিবীর সকল সুখ, সকল সখ, সকল আশা, সকল সঙ্গ ত্যাগ করতে প্রস্তুত, তবুও তার স্বামীকে ছেড়ে থাকতে প্রস্তুত নয়। .


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সাইকোলজি খেলা,,,?

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now