বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সাবলম্বী হওয়া আমার স্বপ্ন। আমি ছেলে না কি মেয়ে এটা বড় কথা নয়। আমি শুধু ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হবো এটাও কোন বিষয় নয়। দুনিয়ায় অনেক অনেক কাজ আছে। অবশ্যই তা হালাল পন্থায় হতে হবে।
আমি দুনিয়ায় যাই করি না কেন যেন অন্যের ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমি লেখাপড়া শিখছি শুধু চাকরি করার জন্য।এই চিন্তাটাও পারফেক্ট মনে হয় না।কারণ আমি অনেক গার্ডিয়ান দেখেছি তারা শুধু ছেলেমেয়েদের মাথায় এই চিন্তা দিয়ে রাখছে ভালো রেজাল্ট কর মেডিকেল এ চান্স পেতে হবে । না হলে জীবনে কিছু করতে পারবি না।জীবনটা বরবাদ হয়ে যাবে। কিন্তু তাদের বাচ্চাদের পড়াশোনা র ব্যাপারে ওতটা আগ্রহ নাই। অন্যদিকে তারা কিন্তু একজন খুব ভালো আর্ট করতে পারে ।কেউ খেলাধুলায় ভালো।কেউ সুন্দর সুন্দর নকশা করা জামা কাপড় তৈরি করতে পারে।কেউ পুকুরে মাছ চাষ করতে আগ্রহী।
এবং এই কাজ গুলো তারা যথেষ্ট ভালো করেই করে ।যে মেয়েটা জামায় নকশা করে সুন্দর করে সেলাই করে ।এটা দেখে তারা আশ্চর্য হয় বলে সত্যিই তুমি করছো বাহ্ ভালোই তো পারো ।এই কাজ টা যে ওই মেয়েটা এত মনোযোগ দিয়ে করছে ।এতটা ভালো হচ্ছে।তাকে যদি একটু হেল্প করা যায় তাহলে কিন্তু সে এভাবেই তার জীবিকা বেছে নিতে পারে।
যে মেয়েটা সুন্দর করে আর্ট করছে । যে এই কাজটাকে মনে প্রাণে ভালোবেসে ফেলেছে।তাকেও এই এককথা শুনতে হয় ভালো করে পড়াশোনা কর মেডিকেলে চান্স পেতে ই হবে।
যে ছেলেটা মাছ চাষ জমাজমি আবাদ করতে আগ্রহী ।তাকেও একি কথা শুনতে হচ্ছে।
কিন্তু না বর্তমানে কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে বা হতে যাচ্ছে। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।বাবা মা বা গার্ডিয়ান গুলো এখনো ভালো ভাবে নিচ্ছে না এসব বিষয়।
কিন্তু আমার মনে হয় প্রত্যেকটা মানুষ ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন যোগ্যতা নিয়েই পৃথিবীতে আসে।সো তাদের সেই যোগ্যতা গুলো কাজে লাগাতে পারলে তারা স্বতসফুর্তভাবে কাজ টা করতে পারতো ।এতে তাদের ওপর বাড়তি পেসার ও থাকতো না।
এক্ষেত্রে মেয়েদের অনেকে বিভিন্ন ধরনের সেলাই ফোরাই , হাঁসমুরগির পালন,সবজি আবাদ,সহ আরো অনেক কিছু করতে পারে।তো আমরা যদি তাকে বাধা না দিয়ে সাহায্য করি তবে সে নিজেই সাবলম্বী হতে পারে।এদিটায় দুইটা লাভ হয় ।এক তারা বাড়িও দেখাশোনা করতে পারে । আবার আয় রোজগার ও হয়।
আমার মনে হয় সাবলম্বী হওয়া অধিকার টা প্রত্যেকেরই আছে।সে ছেলে হোক আর মেয়ে হোক।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now