বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
দুইটা লাশের সাথে পুঁতে ফেলা হয়, এই বার সে একটা বুদ্ধি করে, কবরের উপর একটা পাকা ঘাট তৈরি করে যেনকখনো মাটি সরলেও লাশ বের না হয়ে আসে। এই ব্যাপারে সে যথেষ্ট সতর্কতা নেয়, একজন রাজমিস্ত্রি নিয়গ দেয়। কিন্তু বিধি বাম, রাজ মিস্ত্রি কাজ শেষ করার আগেই ঐ লাশের কংকাল দেখতে পায়। তাই তাকেও খুন করতে হয়। আর তার বউয়ের ব্যাপারটা ঠিক ধরতে পারছি না। মনে হয় স্বামীর অদ্ভুত আচারনে কিছুটা ভিত হয়ে চলে গেছেন।
মিসির আলি থামলেন। আবার এক কাপ চা নিয়ে বসলেন।
ওসিসাহেব থেকে থেক খাবি খাচ্ছেন। এমন জঘন্য ঘটনা তিনি কখনই দেখেননি।
সব শেষে বললেন- স্যার সব বুঝলাম, তবে একটা জিনিস বুঝতেছি না। হটাৎ সে আপনাকে এর মদ্ধেজড়িয়ে কেন সে নিজের সর্বনাশ করল?
মিসির আলি একটু হাসলেন। বললেন- ক্রাইম বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন যারা সিরিয়াল কিলার হয়ে থাকে তারা সাধারণত নিজেকে অনেকবুদ্ধিমান মনে করে। যে ভাবে দুনিয়াতে তার মত আর কেউএত বুদ্ধিমান নাই। তাই সে একটা গেম খেলতে চায়। সেই জন্যই সে স্কুলের ঐ শিক্ষককে ঘটনা বলে। ঠিক একই কারনে আমার সাথে সে এই গেমের আয়োজন করে!
অফিসার, আমি এতখন যা বললাম সব লজিক দিয়ে বলেছি, জ্ঞানিরা বলেন “যুক্তিযুক্ত অনুমান বাস্তবাতার চেয়ে বেশি শক্তিশালী! আশা করি আমার কথার প্রমান পাবে। আমি ঘুমাতে গেলাম কাল সকালে আমার ঢাকার বাস!
☯☯ ৮। মিসির আলি মতিকে নিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন। মতিকে একটা স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিয়েছেন। ছেলেটার মেধা ভাল, অল্প দিনেই অনেক কিছু শিখে ফেলেছে।
মিসির আলির দিন আগের মতই চলতে শুরু করল।
মিসির আলি শুয়ে শুয়ে একটা বইপড়ছেন, বইটার নাম “পাগলা দাশু”। খুব মজা পাচ্ছেন তিনি। থেকে থেকে হেসে উথছেন।
এমন সময় মতি একটাচিঠি এনে দিল। মিসির আলি খুললেন- ঐ ওসি সাহেব চিঠি দিয়েছে!
স্যার,
সালাম জানবেন। আশা করি ভাল আছেন। আমরাও এদিকে ভাল আছি।
স্যার, ঐ ঘাটের নিচ থেকে বেশ কয়েকটা কঙ্কাল পেয়েছি আমরা।
একটা ঘটনা জানানোর জন্য চিঠিটা লেখা। ইউনুস সাহেব আর নেই। উনাকে কোর্ট বিল্ডিঙে নেওয়ার পরে হটাৎ করে ছয় তালা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
আর আগামি মাসে আমার ট্রান্সফার হবে অন্য থানায়।
আপনি ভাল থাকবেন।
আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
ইতি,
জহির
ওসি, শান্তি পুর থানা।
মিসির আলি সাহেবের মন খুব খারাপ হয়ে গেল। তিনি চিঠিটা ভাঁজ করে বুকের উপর রেখেশুয়ে পড়লেন। মনে মনে ভাবলেন- আবার একবার যাবেন ঐ শান্তিপুরের বাগান বাড়িতে। একটা রাত কাটাবেন ঐ পুকুর পাড়ে। আত্মা বলে যরি কিছু থেকে থাকে হয়ত ঐ রাতে ইউনুসসাহেবের আত্তার সাথে দেখা হয়ে যেতে পারে! সেক্সপিয়ার বলে গেছেন- “দেয়ার আর মেনি থিংস ইন আর্থ এন্ড হেভেন”!!
হটাৎ ঘুমিয়ে পড়লেন মিসির আলি। আর ঘুমানোর সাথে সাথেই একটা স্বপ্ন দেখলেন তিনি!
ইউনুসের ভাই ইউসুফ! গভির রাতে সেই শান বাঁধা ঘাটে আধ ছেঁড়া লুঙ্গি পরে ভেজা শরীরে কাঙালের মত দুই হাত জড় করে বসে আছেন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now