বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ১৩

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ruhul Amin Raj (০ পয়েন্ট)

X মিসির আলি খুব শান্ত স্বরে এবং দৃঢ় কণ্ঠে বললেন- আপনি ইউনুসকে খুন করতে পারবেন না কারন আপনি আসলেই তার বড় ভাই ইউসুফ নন বরং আপনি ইউনুস! ☯☯ ৬। এই কথার পরে বসা অবস্থা থেকে লাফ দিয়েমিসির আলিকে লক্ষ করে উঠে এল ইউসুফের ভূতবেশি ইউনুসসাহেব। যেন মিসির আলিকে ছিঁড়ে খুড়ে খাবেন তিনি। কিন্তু তার আগেই পুকুর পাড়ের চার পাশ থেকে দশ বারটা শক্তিশালী টর্চের আলো নিকষ কাল পুকুর পাঁড়কে ধাধিয়ে দিল। চার পাঁচ জন পুলিশ এসে ইউনুসকে ধরে ফেলল। রাগে ক্রোধে ইউনুস হাত পা ছুঁড়ছে। পুলিশরা তাকে নিয়ে বাগান বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল। ওসি সাহেব মিসির আলিরপাশে এসে দাঁড়ালেন। বললেন- অনেক ধন্যবাদ স্যার। মিসির আলি বললেন- আমার কি মনে হয় জানেনা ওসি সাহেব- এই শান বাঁধানো ঘাঁটটা ভেঙ্গে কিছুদূর মাটি খুঁড়লেই পেয়ে যাবেন হতভাগ্য ইউসুফ, মনি আর ঐ মসজিদের ইমামের কঙ্কাল। ওসি সাহেব তার অধনস্ত একজন অফিসারকে হুকুম দিলেন- লোক এনে এখনই এই ঘাট ভাঙ্গা শুরু করা হোক। ☯☯ ৭। রাত চারটা বেজে এগারমিনিট। দশ বার জন লোক অনেক উৎসাহের সাথে পাকা ঘাটলা ভাঙ্গা শুরু করল। মিসির আলি আর ওসি সাহেব বাগান বাড়ির বারান্দায় বসে চা খাচ্ছেন। ওসি সাহেব একটু ইতস্তত করে বলল- স্যার অনুমতি দিলে একটা সিগারেট ধরাব। মিসির আলি একটু স্মিত হাসলেন, বললেন- ধরাও। সিগারেট ধরাতে ধরাতে ওসি বললেন- স্যার, আমারচাকুরি জীবনে এমন কেস একটাও পাই নাই। আপনি শুরু থেকে একটু যদি খুলে বলতেন। মিসির আলি শুরু করল- ঘটনার শুরু মনি মেয়েটিকে নিয়ে। ইউনুস সাহেব বলেছিলেন মনি মেয়েটা অনেক সুন্দরি ছিল, দুই ভাই ঐ মেয়েটার ভালবাসায় পাগল ছিল বলে আমার ধারনা। আর মেয়েটি বোধহয় বড় ভাই ইউসুফকেই ভালবাসত। তারপর যখন মনির বিয়ে ঠিক হয়ে যায় তখন ঐ রাতে ইউনুস কোন কারনে বাড়ি দুর্ভাগ্যক্রমে বাড়ি এসেছিল। কিন্তু নিজের ঘরে বড় ভাইকে না দেখে একটা সন্দেহ মাথায় আসে, সে সোজা চলে যায় বাগান বাড়ি। এই বাগান বাড়িতে ঐ সময়েও কেউ থাকতো না। ইউনুস এসে দেখে তার ধারনাই ঠিক। ইউসুফ আর মনি দুজন এই বাগান বাড়িতে গোপনে দেখা করতে এসেছে। ইউনুস বোধহয় ছোট বেলা থেকেই একটু মানসিক ভারসাম্যহীন। সে এই দৃশ্য দেখে আর ঠিক থাকতে পারে নি। দুইজনকেই রাগের মাথায় খুন করে। তারপর লাশ নিয়ে যায় পুকুর পাড়ে। সেখানে গর্ত করে পুঁতে ফেলে সে। তারপর ভোর হবার আগেই দোকানে চলে যায়। যেহেতু গ্রামের রাস্তা আর দোকানে কেউ ছিল না সেই রাতে তাই ইউনুস যে দোকানে ছিল না রাতে এটার প্রমান রইল না কোথাও। সবাই ভাবল ইউসুফ আর মনি পালিয়ে গেছে। মিসির আলি একটু থেমে আবার শুরু করলেন- চিন্তা কর, সেই বয়সের একটা ছেলে একরাতে দুটা খুনের পর লাশ গুম করে ফেলা রাতারাতি! সেই সময়ই তার মধ্যে দ্বৈত সত্ত্বার জন্ম নেয়। এক সত্ত্বায় সে সাধারনইউনুস আরেক সত্ত্বায় সে ইউসুফ যে কিনা মৃত অবস্থায় নিজেকে লুকিয়ে রাখতে চায়। বৃদ্ধ বাবা হয়ত পুকুর পাড়ের ঐ গোপন কবর দেখে ফেলেছিলেন তাই তাকেও খুন করা হয়। ইমাম সাহেব বুঝতে পারেন যে ইউনুসের বাবা সাধারনভাবে মারা যান নাই সেই জন্য তাকেও খুন করে লাশ আগের


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ১৪
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ১৩
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ১২
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ৯
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ১০
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ১১
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ৮
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ৭
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ৬
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ৫
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ৪
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ৩
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ২
→ সাবধান মিসির আলী পৃষ্টা ১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now