বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রোমান্টিক মরনফাঁদ

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X . -হাসিব অনলাইনে নাকি কি এক গেম বের হয়েছে যেটা বর্তমানে মরনফাঁদ নামে পরিচিত? -হুম মামা ব্লু হোয়াইল! -খবরদার তুই কিন্তু ওইসব খেলবি না! -না মামা আমি খেইল্লা মইরা গেলে তোমার মেয়ের জামাই কে হবে? -ইস!শখ কতো আইছে জামাই হতে তোকে আমি জীবনেও বিয়ে করবো না! -বিয়ে তুই করবি কেনো!করবো তো আমি!আর দেখছিস সিনিয়ররা কথা বলছে তুই আবার মাঝখানে বাঁহাত দিলি কেনো? -ইহহহহহ!সিনিয়র!পনেরো দিনের বড় হইয়া নিজের অধিকার বেশি হয়ে গেছে! -পনেরো দিন হোক বা একদিন সিনিয়র তো সিনিয়রই!তাই না মামা? -হুম আলিফা!হাসিব কিন্তু ভুল কিছু বলেনি! -ইস!দেখো দেখো আদিক্ষেতা!নিজের মেয়ের থেকে উনার বোনপোর সাপোর্ট বেশি দেয়! -শুধু বোনপো হলে সাপোর্ট কম দিতাম কিন্তু.... -কিন্তু কি? -কিছুনা মা!তুই যা।কলেজে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে নে! -আচ্ছা যাচ্ছি যাচ্ছি কিন্তু আবার যদি এই হাসিব্বারে জামাই বলেছো তাহলে বাবা তোমার একদিন কি আমার যে কয়দিন লাগে! -আজকাল বিয়ে-স্বাদীর জন্য একদিনেই যথেষ্ট!শুধু রেজিস্ট্রি হলেই হয়! -বাবা তুমি একটা। -কি? -ইহহহহহ! . এতোক্ষন কথোপকথনে ছিলাম আমি হাসিব স্টাডির সুবিধার্থে মামার বাড়িতেই থেকে লেখাপড়া করছি।আর আলিফা আমার মামাতো বোন যদিও একটু জেদি টাইপের কিন্তু মানিয়ে নেয়ার মতো।আমি ও আলিফা দুজনেই এবার অনার্স থার্ড ইয়ার। . [কিছুক্ষন পর] -হাসিব তুই আলিফাকে নিয়ে কলেজে যা আমি অফিসে যাচ্ছি। -আচ্ছা মামা। কলেজে আসার পর আলিফা ওদের ডিপার্টমেন্টে চলে গেলো আর আমি আমার ডিপার্টমেন্টে। -কিরে হাসিব কেমন চলছে? -কি? -প্রেম? -আরে আলিফাকে তো বলিই নাই! -কি বলিস নাই!একেবারেই কি কিছু বলিস নাই? -একেবারেই কিছু বলি নাই তা নয়!বলেছি তবে ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে! -এভাবে বললে হবে? তুই সরাসরি বল। -না বলবো না।ও আমাকে বলবে। -এভাবে হলে তুই জীবনেও পারবি না! -জাস্ট তিনদিনে ও রাজি হয়ে যাবে! -কি বলিস!তিন বছর মামার বাড়ি থাইক্কা মামাতো বোনকে যে পটাইতে পারে নাই সে আবার তিনদিনে!অসম্ভব। -মামাকে যখন পটাইছি তাহলে এটাও সম্ভব। -কোনো মেয়ের বাবা কিন্তু এভাবে ছাড় দেয় না।তুই পটালি ক্যামনে! -মামা তো ছাড় দেয়!একমাত্র অাদরের ভাগ্নে বলে কথা! -তা হয়তো দিতে পারে।কিন্তু তিনবছরে পারিস নাই তো তিনদিনে আলিফাকে পটাইতে পারবি তো? -হুম! -কিভাবে? -রোমান্টিক মরনফাঁদ! -মানে? -ব্লু হোয়াইল! -তুই জীবন বাজির গেম খেলছিস হাসিব! -না আবির চিন্তার কারন নেই সময় হলেই দেখবি জীবন বাজি না,রোমান্টিক গেইম খেলছি! -যা করার সাবধানে ও ভেবে..... -বেস্ট ফ্রেন্ডের উপর ভরসা আছে তো? -হুম! -তাহলে চিন্তা করিস না,আমি মরুম না!তোদের ভালোবাসার টান বলে কথা! -আচ্ছা দোস্ত। -বেস্ট অফ লাক!আমি জানি তুই পারবি! . অতঃপর ক্লাস শেষ করে বাসায় রওনা দিলাম।পিছন থেকে আলিফা ডাক দিলো হাসিব,ওই হাসিব দাঁড়ানা! -কি হয়েছে কি? -তুই তো প্রতিদিন আমার সাথে যাইতি আজ কি হয়েছে!অপেক্ষা না করে একাই চলে যাচ্ছিস যে! -সেটা আমার ইচ্ছা। -তোর ইচ্ছা মানে!আমি তোর সাথে যাবো। -না আমি নিবোনা! -আমি যাবোই! -ঠাসসসসস!তুই যাবিনা। -কিরে তুই আমাকে কোনো কারন ছাড়াই মারলি?আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে হাসিব আমি যতক্ষণ না আসি ততক্ষন ক্যাম্পাসে ওয়েট করে একসাথে বাসায় যাওয়ার জন্য আজ সে হাসিব আমায় চড় দিছে তাও আবার সাথে যাওয়ার কথা বলার জন্য!এই তুই কোনোরকম ওই গেমসটা খেলছিস নাতো?যেখানে গার্লফ্রেন্ডকে ইগনোর ও অপমান করতে বলা হয়! -আমি খেললে তোর কি আর তুই কি আমার গার্লফ্রেন্ড নাকি যে খেললেও তোকে ইগনোর করবো? -তুইতো বরাবরই সেটাই ভাবিস আর তুই খেললে তোর কিছু হয়ে গেলে আমার বাবা কষ্ট পাবে তোর মা-বাবা কষ্ট পাবে! -আর কেউ পাবেনা? -আমি পাবোনা! -আমি তোর কথা জিজ্ঞাস করেছি!তার মানে তুই কষ্ট পাবি!কিন্তু আমি মরে গেলে তো তোর আরো হ্যাপি থাকার কথা! -চুপ!তুই ওসব খেলবি না! -আমি খেলি না তো! -সত্যি তো? -হুম।যা বাসায় যা। -না আমি তোর সাথেই যাবো! -আমি যাবোনা। -কেনো? -তোর সাথে গেলে বেড়ে যায়! -কি? -আবেগ? -কিসের? -তোর সাথে প্রেম করার! -তবেরে তোরে!এখন চলনা আমার সাথে আর তুই জানিসই এখন রাস্তাঘাটের যা কন্ডিশন বখাটে ছেলেগুলা মেয়ে দেখলেই টিজ করে,তুই কি চাস ওরা আমাকেও টিজ করুক? -নাহ!চল যাচ্ছি। . একসাথে বাসায় এসে আমি আমার রুমের দরজা লাগিয়ে শুয়ে রইলাম আমি জানি আলিফাকে চড় মারা ঠিক হয়নি কিন্তু ওকে সন্দেহ করানোর জন্যই চড়টা মেরেছি।নিজেরও খুব কষ্ট হচ্ছে ওকে মারাতে!কিন্তু যাই হোক একটু হলেও সন্দেহ করাতে পেরেছি যে আমি ওই গেম নামের মরনফাঁদ নিয়ে খেলছি! -আলিফা দেখতো মা হাসিবের কি হয়েছে?সেই কলেজ থেকে আসার পর এখনো আর রুম থেকে বের হয় নি। -আচ্ছা দেখছি। -হুম যা। -ঠক ঠক ঠক,ঠক ঠক!হাসিব দরজা খুল,কি করছিস? -আসছি। ইচ্ছে করেই ল্যাপটপে একটা হরর মুভি চালিয়ে দিলাম!তারপর দরজা খুললাম। -কিরে কি করছিলি? -না কিছুনা। -কিছুনা মানে?ওই কুত্তা তোর ল্যাপটপে হরর মুভি কেনো? -কেনো দেখতে মানা আছে নাকি? -আগেতো দেখতি না! -বলনা তুই কি ওই গেমসটা খেলিস?তোর তো আবার বদ অভ্যাস আছে অনলাইন আর পিসি গেমসগুলা খেলার! -না আমি খেলি না! -তাহলে তুই দরজা বন্ধ করে হরর মুভি দেখছিস কেনো? -এমনি!আমি দেখলে তোর কি?যা সামনে থেকে ভাগ। -আমারই তো সব। -কি? -কিছুনা!যাচ্ছি যাচ্ছি! -হুম তাই কর! . আলিফা চলে যাওয়ার পর আবিরকে ফোন দিলাম। -হ্যালো দোস্ত! -হুম বল! -দোস্ত কালকে আলিফার সামনে একটু এক্টিং করবো তুই কিন্তু আমাকে হেল্প করবি! -কিসের এক্টিং?আর আমিই বা কি হেল্প করবো? -সিনক্রিয়েট! -মানে? -আলিফার সামনে তোকে সিনক্রিয়েট করবো তুই মাইন্ড করিস না দোস্ত জাস্ট একটা এক্টিং! -আচ্ছা ঠিকাছে। - ওহ দোস্ত ধন্যবাদ। -ধন্যবাদ কেনো!আরে তুইতো বলিস বন্ধুত্বে কখনো ধন্যবাদ দিতে নেই। -হুম। . [পরেরদিন কলেজে আসার পর] আলিফাকে আমাদের দিকে আসতে দেখে আবিরকে একটা থাপ্পড় দিলাম। -দোস্ত তোর লাগে নি তো! -না!তুই চালিয়ে যা। -হুম ঠিকাছে। -আলিফা কাছে চলে আসতেছে তো!লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন! -দেখ আবির তুই আর আমার সামনে আসবি না! -কিন্তু কেনো? -আমি তোকে দেখতে পারি না,তুই আমার চোখের বালি! -কি বলছিস হাসিব আমি তোর বেস্ট ফ্রেন্ড! -রাখ তোর বেস্টফ্রেন্ড তোকে আমি চিনি না! -তোদের কি হয়েছে?তোরা ঝগড়া করছিস কেনো?আর হাসিব তুই এ দুদিন ধরে এমন করছিস কেনো?প্লিজ বলনা! -বলবো না। -ঠাসসসসস!তুই কি ওই ব্লু হোয়াইল খেলিস? -আমার পার্সোনাল ব্যাপারে তুই আসবি না।যা সর! -আসবো একশবার আসবো! -কেনো আসবি কেনো? -কারণ তোকে আমি... -কি? -আমাদের ছেড়ে কোথাও যেতে দিবো না!আমি আজকেই বাবার কাছে বলছি যে তুই ওই গেমসটা খেলিস! -যা যা বল।তবুও তুই আমার সামনে আসবি না। আলিফা কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলো! -দোস্ত তুই ওকে খুব কষ্ট দিচ্ছিস।কিন্তু মেয়েটা তোকে সত্যিই ভালোবাসে। -এই কথাটাই তো ওর মুখ দিয়ে বের করানোর জন্যই নাটকটা করতে হচ্ছে। -তা তুই বললেই পারিস! -আগে অনেক বলেছিলাম চুপ করে থাকে কিছুই বলে না!তাই এখন আর বলি না।এখন ওর মুখ থেকেই ভালোবাসি শুনবো! -তুই না বলেছিলি কখনো ওকে বলিস নি? -বলেছি কিন্তু ঘুরিয়ে-প্যাঁচিয়ে তবে বুঝার মতো! -সরাসরি বলে দেখনা! -ওটা ওকে দিয়েই বলাবো! -আচ্ছা তোর যা করার কর!কিন্তু মনে আছেতো আজকের দিন গেলে সময় কিন্তু একদিন! -হুম মনে আছে! . সেদিন কলেজ শেষে বাসায় এসে স্ট্যাটাস দিলাম!I AM BLUE WHILE! কিছুক্ষন পর আলিফা এসে হাজির! -তুই ব্লু হোয়াইল না?দেখাচ্ছি তোর হোয়াইল!আজ তোর পিসি,মোবাইল সব ভাঙবো! -কোনো লাভ নাই এতে আরো প্রব্লেম হবে!ওরা তোর মোবাইলেও ফোন দিতে পারে আমার কন্টাক্ট লিস্ট ও পাসওয়ার্ড সহ যা যা তথ্য আছে সব ওরা পেয়ে গেছে! -মানে কি!তোকে আমি কিন্তু বারণ করেছিলাম!বাবা...ও বাবা!দেখে যাও কি কান্ড! -কি হয়েছে কি মা? -এই যে তোমার আদরের বোন পো দেখে মরণ খেলা খেলছে! -কি!হাসিব তোকে না বারণ করেছিলাম!আচ্ছা আলিফা তুই যা আমি কথা বলছি ওর সাথে! -আচ্ছা যাচ্ছি কিন্তু ও মইরা গেলে কিন্তু তোমার আদরের ভাগ্নের সাথে সাথে তোমার জামাইও মইরা যাইবো! -যাক এতো দিনে স্বীকার করলি! -না মানে কিসের স্বীকার?আমি কিছু বলিনি,তুমিই তো জামাই জামাই করো দেখে আমি ওটা বললাম!উপরওয়ালাই জানে তোমার কোন জন্মের মেয়ের জামাই! -এ জন্মেরই!এখন যাতো! -যাচ্ছি যাচ্ছি কিন্তু একে সামলাও প্লিজ!আমি নিশ্চিত এর মাথা খারাপ হয়ে গেছে! -আচ্ছা আমি সামলাচ্ছি। -হুম। আলিফা চলে গেলো রুম থেকে! -কেমন চলছে? -ভালোই মামা! -পরিবর্তণ কিছু দেখলি? -একটু একটু। -আমি জানি তুই পারবি। -আচ্ছা মামা। . পরের দিন সকালে!আজ শেষ দিন যে করেই হোক আলিফাকে রাজি করাতে হবে। বিকেলে আলিফাদের দ্বিতল কোচিং সেন্টারের নিচে বসে আছি।এমন এক প্লেসে বসলাম যাতে ওদের কোচিং সেন্টারের জানালা দিয়ে আমাকে স্পষ্ট দেখা যায়। কিছুক্ষন পর!আলিফা দৌড়ে ছুটে এসে! -তুই কি করছিস এসব!ফালা এইটা! -দেখছিস না কি করছি! -ঠাসসসসস...তুই হাতে তিমির ছবি আঁকছিস তাও ব্লেড দিয়ে!তুই জানিস আমার কষ্ট হয়! -কেনো কষ্ট হবে কেনো?আমি মরলে তো শুধু মা-বাবা আর মামা কষ্ট পাবে তাতে তোর কি? -আমারই সব!তুইও আমার!তোর কিছু হয়ে গেলে?তোকে ছাড়া আমি বাঁচবো নারে!(জড়িয়ে ধরে) তোকে আমি ভালোবাসি।রিয়েলি আই লাভ ইউ!আর কক্ষনো এমন করবি না! -আই লাভ ইউ টু।কিন্তু আমি গেমসটা মোটেও খেলি নাই! -তাহলে এসব কি? -প্ল্যান ছিলো! -কিসের? -ভালোবাসতে ও বউ করার রাজি করানোর জন্য!তোকে আমি গত তিনবছরে অনেকবার অনেকভাবে বুঝিয়েছি ভালোবাসি কিন্তু তুই কিছু বলিস নি!তাই এমনটা করতেই হলো! -বুঝলাম!কিন্তু এটাও কি কখনো বলেছি যে তোকে ঘৃনা করি? -না। -তাহলে করলি কেনো এমন।[বুকের মধ্যে আলতো ভাবে কয়েকটা এলোপাথাড়ি কিল-থাপড় দিয়ে] আমার কষ্ট হয়নি?তুইতো তিনদিনে খুব নাটক করলি আমার কথা ভেবেছিস?ভেবেছিস আমি কতখানি কষ্ট পেতে পারি? -আচ্ছা আচ্ছা সরি!কিন্তু যাই বলিস না কেনো ব্লু হোয়াইল নামের মরনফাঁদ গেমসটা সবার ক্ষতি নিয়ে আসলেও আমার জন্য নিয়ে এসেছে এক ঝাক রোমাটিকতা! -দাঁড়া বের করছি তোর রোমান্টিকতা। -আগে বউ হবি তারপর রোমান্টিকতার গুষ্টি তেজপাতা করিস!অন্তত ব্যাচেলর হাসিবরে রোমান্টিকতা করতে দে! -ইস!মামা বাড়ীর আবদার!বউ কি মামার দেয়া নাকি! -হুম!শশুড়বাড়ি যেহুতু মামার আলয় তাহলে বউতো মামার দেয়াই হবে!আর আইডিয়াটাও মামারই দেয়া! -মানে? -মানে এই তিনদিনে যা হয়েছে পুরোটার আইডিয়া মামাই দিয়েছি। -আচ্ছা বাসায় যাই আজকে ওই বুড়োকে দেখাবো মজা! -বাবা হয় তোর! -তুই থাম! . [বাসায় আসার পর] -বাবা ও বাবা! -কি হয়েছে কি? -কি হয়েছে?তুমি নাকি হাসিব্বার সাথে প্ল্যান করেছিলে? -নাম ধরে বলছিস কেনো ও এ বাড়ির হবু জামাই! -ইহহহহহ!জামাই!তুমি কি বলেছো ওকে? -কি আর বলবো বলেছি ওকে আমার মেয়ের জামাই করবো! -আমিও রাজি। -কিসে? -তোমার মেয়ের জামাই করতে! -হাহাহাহা! . রুমে গিয়ে আবিরকে ফোন দিলাম! -দোস্ত বাহাত্তর ঘন্টা এখনো শেষ হয়নি কিন্তু! -তার মানে?তুই তিনবছরের মিশন তিনদিনে এন্ডিং দিতে পারলি? -হুম মামা আর তোর জন্যই সম্ভব হয়েছে হয়তো।ক্রেডিটটা মামারই বেশি! -সে যাই হোক কিন্তু কোনো মেয়ের বাবা কিন্তু এভাবে সেক্রিফাইজ করে না! -মামা তো করে?কথায় আছে না মামা বাড়ীর আবদার! -হুম।কিন্তু দোস্ত তুই লাকি।মরনফাঁদকে রোমান্টিক করে ফেলেছিস! -হুম!If You Try Everything Is Possible! -তাহলে আগে কি গত তিনবছরে একবারও ওকে রাজি করানোর ট্রাই করিস নি? -করেছি।কিন্তু এতো সিরিয়াস ভাবে করি নি।যেকোনো কিছুকে সিরিয়াস ভাবে নিলে তার লক্ষ্যে পৌঁছানো অসম্ভব কিছু নয়! -ইয়াপ দোস্ত!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রোমান্টিক মরনফাঁদ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now