বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
রোবটের খাওয়া দাওয়া পার্ট ১
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)
X
প্রফেসর পল মর্গেন আমেরিকার খুব বড় বিজ্ঞানী, আমেরিকা, কানাডা, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা ও বার তিনি কয়েক বছর সময় নিয়ে একটা রবোট বানালেন। সেই রবোটের চকচকে হাত, চাকা লাগানো পা, | টাইটেনিয়ামের খাড়া নাক আর সবুজ রংয়ের চোেখ । এই রবোট নিয়ে পল মর্গেন জার্মানী, ফ্রান্স, জাপান, সিংগাপুর হয়ে। বাংলাদেশে এসেছেন। বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরে সেই রবোট নিয়ে বড় সেমিনার হল, সেখানে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরাও সেই রবোট দেখে একেবারে মুগ্ধ হয়ে গেলেন।
সেমিনার শেষ করে পল মসো তার রবোট নিয়ে হাঁটতে বের হয়েছেন তখন তার ফজলুর সাথে দেখা। ফজলুর বয়স মাত্র বারো কিন্তু এই বয়সেই তার মা আর বোনকে দেখে শুনে রাখতে হয়। সে স্কুলে যেতে পারে না সারাদিন টেম্পোর হেল্লার হয়ে কাজ করে । সেই ফজলুর পল মর্গানের সাথে রবোটকে দেখে অবাক হয়ে বলল, “আরে বাবা! এটা আবার কী?” প্রফেসর পল মর্গেন যেই দেশে যান সেই দেশের ভাষা শিখে ফেলেন, বাংলাদেশে
এসেও একটু একটু বাংলা শিখে ফেলেছেন। তিনি ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলায় বললেন, “ইহা হচ্ছে
রবোট। আমেরিকা রবোট। রবোট অর্থ হয় যন্ত্র মানুষ।”
পল মর্গেনের বাংলা শুনে ফজলুর খুব হাসি পেয়ে গেল কিন্তু সে তবু হাসল না, বলল, “সত্যিকারের মানুষই তো আছে, যন্ত্রের মানুষের কী দরকার?” পল মর্গেন বললেন, “ইহা রবোট মানুষের পরিমাণ কথা বলিতে পারে।” ফজলু বলল, “আমিও তো কথা বলতে পারি।”পল মর্গেন বললেন, “ইহা রবোট অনেক উন্নত আছে। ইহা অনেক কার্য করিতে ফজলু বলল, “আমিও তো অনেক র্জ করতে পারি।”
পল মর্গেন তখন মাথা চুলবে বললেন, “ইহা রবোট খাদ্য খেতে পারে।”
ফজলু তখন অবাক হয়ে বলল, “খেতে পারে?”
পল মর্গেন মাথা নেড়ে বললেন, “সমগ্র পৃথিবী মাঝে শুধু ইহা রবোট খাদ্য খাইতে পারে। ইহা রবোটের সিলিকনের দাঁত আছে, পলিমারের জিহ্বা আছে, যন্ত্র পরিমাণ মুখ আছে। খাবার দিলে ইহা রবোট কচমচ করিয়া খাওয়া করিতে পারে। ইহা অনেক উন্নত
পরিমাণ রবোট আছে।” ফজলু তখন অবাক হয়ে বলল, “কী আশ্চর্য! একটা যন্ত্রের মানুষ কিন্তু সেটা খেতে
পারে।” পল মর্গেন বললেন, “আপনি মানুষের বিশ্বাস না হইলে খাদ্য দিতে পারেন। ইহা
রবোট খুব সুন্দর রকম কচমচ করিয়া খাওয়া করিবে।" ফজলুর কাছে ছিল একটা কলা, সে তখন কলাটা রবোটের দিকে এগিয়ে দিল। রবোট তার চকচকে যন্ত্রের হাত দিয়ে কলাটা নিয়ে সবুজ রংয়ের চোখ দিয়ে ঘুরে ফিরে দেখল, টাইটেনিয়ামের নাক দিয়ে ধুঁকল তারপর ঘরঘর শব্দ করে মুখ হা করে সিলিকনের দাঁত
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now