বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রোবসেপিয়ান্সের ভালোবাসা-০৪

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ৭. লেকের পাড়ে ঘাসের উপর বসে আছে পিয়েলা, তার কোলে মাথা রেখে আকাশের দিকে মুখ করে শুয়ে আছে রিশান, মৃদু হাওয়ায় হালকা উড়ছে পিয়েলার চুল, ওহ! কি অদ্ভুত সুন্দর লাগছে তাকে , ভাবে রিশান। হঠাৎ সে বলে , "পিলি আমি তোমাকে ভালোবাসি, তুমি আমাকে ভালোবাসো না ?" রিশানের মুখে এ কথা শুনে পিয়েলা হঠাৎ একটু চমকিয়ে উঠে, তারপর শূন্য দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে বলে , "ভালোবাসা ! এটা কি রকম ব্যাপার?" হো হো করে হেসে উঠে রিশান, হাসতে হাসতে সে বলে তোমার কপোট্রনে এখনও "ভালোবাসা-ঘৃণা" এই অনুভূতিটা প্রবেশ করানো হয়নি । প্রবেশ করানোর পর বুঝবে আমার বুকে কেমন হাহাকার ছিলো এতদিন। কেবল মাত্র তখনই বুঝতে পারবে ক্ষণিকের ভালোবাসার জন্য পৃথিবীর ভয়ংকরতম ব্যক্তিটিও দুগ্ধপোষ্য শিশু হয়ে যেতে পারে আবার সবচেয়ে নিরীহ মানুষটিও দুর্ধর্ষতম অপরাধটি করতে কেন পিছপা হয় না। হঠাৎ রিশানের মোবাইল ফোনে একটা ভিডিও ম্যাসেজ আসে। ম্যাসেজটা খুলতেই সুন্দর একটা মেয়ের ত্রিমাত্রিক অবয়ব ফুলে উঠে, মেয়েটি বলে, " হ্যালো রিশান, অনেক দিন তোমার কোন খবর নেই কেন? ভালো থেকো, আর ম্যাসেজ দিও " মুখটা কঠোর হয়ে যায় পিয়েলা, বলে "কে এই মেয়ে?" রিশান হেসে বলে, " আরে তেমন কেউ না, আমর ক্লাসমেট, বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষে একসাথে থিসিস করে ছিলাম । " মুখটা আরও কঠোর করে পিয়েলা বলে, " খরবদার এর সাথে আর কোন দিন যোগাযোগ করবে না ! খবরদার । আর এক্ষনি এই ম্যাসেজ মুছে ফেল! আর ওর নাম্বারটাও মুছ, এক্ষণি" হা হা করে হেসে রিশান বলে, ঠিক আছে এক্ষণি মুছে ফেলছি, আর কখনো ওর সাথে যোগাযোগ করবো না। আর একটু মুচকি হেসে মনে মনে বলে , " ঈর্ষা! ঈর্ষা! কি ঈর্ষা! ৮. আজ রিশানের জীবনে একটা বিশেষ দিন, সকাল থেকেই বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছে, আজকে পিয়েলার কোপোট্রনে "ভালোবাসা- ঘৃণা" অনুভূতি প্রবেশ করাবে সে। আজকেই শেষ হবে তার জীবনের সেরা মিশন বাস্তবায়নের পথচলা। পিয়েলার কোপোট্রনের ভিতর থেকে খুব সাবধানে কাঁপাকাঁপা হাতে পাঁচ নাম্বার অনুভূতির প্রসেসরটা বের করে রিশান। তারপর পুরো প্রোগ্রামটা লোড করে আবার ঠিক জায়গা মত ঢুকিয়ে তিন পা পিছনে গিয়ে পাওয়ার সুইচটা অন করে রিশান। চোখ খুলে তাকিয়ে পিয়েলা দেখে তার সামনে দাড়িয়ে আছে রিশান, তার ভালোবাসার রিশান ! সে আবেশে আবার চোখ বন্ধ করে আবার খুলে, তারপর বলে, " রিশান আমি এখন বুঝি ভালোবাসা কি জিনিস"। আমি মরমে মরমে অনুভব করছি, আমার শরীরের প্রতিটা কোষ অনুভব করছে তোমার জন্য পরম ভালোবাসা। কিন্তু আমি তোমাকে বলে বুঝাতে পারবো না, কেমন এই অনুভূতি। রিশান পিয়েলার চোখে চোখ রেখে বলে, " পিলি, তোমার বুকে যেমন ভালোবাসার ঝড় বয়ে যাচ্ছে, আমার বুকেও রয়েছে ঠিক তেমন ভালোবাসা তোমার জন্য। আসলে মানুষের এই একটা অনুভূতি যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না । বলেই পিয়েলার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে পরে রিশান, "আমাকে শুধু এমন ভালোবাসায় ঘিরে রেখো" রিশানের মাথায় নিজের গালটা রেখে তার ঘাড়ে পিঠে হাত বুলাতে থাকে পৃথিবীর প্রথম রোবসেপিয়ান্স পিয়েলা লিয়ান আর ভাবে , “ওহ! রিশান এভাবে বলো না, প্লিজ; তোমাকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না”।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রোবসেপিয়ান্সের ভালোবাসা-০৪

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now