বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সময়টা আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের ।স্কুল জীবন থেকেই গড়ে উঠে রফিক রহিমার প্রেম।একটু একটু করে বাড়তে বাড়তে সেই প্রেমের কাছে হেরে যায় সবাই তাই বুঝি এতটা বছর পর রফিক রহিমার বিবাহ হয়।এতে অবশ্য পরিবারের সম্মতি ছিলো।আর এ কারনেই তারা সুখের দেখা পায়।
.
পেশায় রফিক একজন প্রায়মারি স্কুল টিচার।আর রহিমাও তেমনি চাকরির অপেক্ষায়।রাফিক চায় না রহিমা চাকরি করুক ।কারন চাকরি করতে গেলে হয়তবা সবাই তাকে দেখবে এই নিয়ে রফিকের হিংসা আর রহিমাকে হারানোর ভয়।হঠাৎ যদি কারো প্রেমে পরে যায় রহিমা
রফিক চাইতো না রহিমার চাকরি হোক,তাই সে প্রতিনিয়ত রহিমার চাকরির ব্যাপারটাকে এরিয়ে যাচ্ছে।
*
এ ব্যাপারটায় রহিমার একটু একটু খটকা লাগে।সে ভাবে রফিকের কারো সাথে এফেয়ার আছে।
*
ওদিকে রফিক ভাবে প্রতিদিন সে স্কুলে আসতে চায় কেন নিশ্চয় কারো সাথে এফেয়ার আছে।এই ভেবে তাদের মাঝে জেদাজেদিটা একটু বেরে জায়।তাই রফিক ভাবলো আজ থেকে পরপুরুষের সাথে নিজের স্ত্রির প্রেমের ভার সে আর বইতে পারবে না!এই ভেবে সে সিদ্ধান্ত নিল রহিমাকে সাথে নিয়ে সে আর চলবেনা।ওদিকে রহিমাও হাল ছাড়ার পাত্র নয়।সেও ভাবলো রফিকের কার সাথে রিলেশন সেটা সে দেখেই ছারবে।এভাবে রহিমাও বেরিয়ে পরে রফিকের পিছে।রফিককে প্রতিনিয়ত ফলো করে।একদিন হঠাৎ রফিক রহিমাকে দেখে ফেলে। সেও ভাবে রহিমা কারো সাথে দেখা করতে এসেছে।রফিকও রহিমাকে ফলো করে।এভাবে ই তাদের দুজনের জল একই দিকে গড়ায়।রফিক যেদিকে যায় রহিমাও একই দিকে।আর রহিমা যেদিকে যায় রফিক ও একই দিকে।
.
এভাবে প্রায় অনেক দিন চলে তাদের লুকোচুরি খেলা। একদিন তাদের মাঝে অনেক ঝগড়া হয়।এসব ভেবেই তাদের একে অপরের মাঝে ডিবোড্স হয়।
***
রফিক রহিমার মাঝে একজনই কমন সে হলো রাসেল।প্রেমের আদি থেকেই রাসেল এদের সকল ব্যাপার জানে।.
দিবোড্স এর প্রায় ছয় মাস পর
.
রফিক রহিমার আর একা একা ভালোলাগে না।তাই তারা ঠিক করলো আবার নতুন একটা সম্পর্কে জড়াবে।তো কার সাথে কিভাবে।তারা উভয়েই ভাবলো রং নাম্বারে কোন এক অচেনা কারো সাথে নিজের পরিচয় গুপন করে।এই ভেবে রফিক রহিমা দু জন দুটা নতুন সিম কিনলো।এবার রফিক রং নাম্বারে ট্রায় করেতে করতে কারো সাথে প্রেম হয় না।কেও গালি দেয় আবার কেও ধমক দিয়ে রেখে দেয়।তাই একদিন রফিক রাসেলকে বললো :রাসেল তোর কাছে কি কোন মেয়ের নাম্বার আছে?
.
রাসেল ভাবলো এই তো সুযোগ এই ভেবে সে রহিমার নতুন সিমের নাম্বার টা দেয়।একদিন হঠাৎ রহিমার কাছে রফিকের ফোন।ফোনে গলাটা শুনেই কেমন যেন চেনাচেনা লেগেছিল।কিন্তু তারা দুজনেই দুজনার নাম পাল্টে কথা বলে।তবে কেন যেন দুজনকেই আগের স্মৃতিগুলি মনে করিয়ে দেয়।কেন যেনো অতিপরিচিত মনে হয় রফিক রহিমার কাছে।এভাবে রংনাম্বারে রফিক রহিমার সাথে নতুন প্রেমের জন্ম নেয় নতুন পরিচয়ে।
.
এভাবে প্রায় অনেক দিন কেটে যাওয়ার পর তারা সিদ্ধান্ত নেয় দেখা করবে।তবে একটু অন্যভাবে।প্রথম দেখায় তারা একটিই স্থান ঠিক করে সেটা হলো কাজি অফিস।তারা ঠিক করে দুজনের পক্ষ থেকে দুজন সাক্ষি নিয়ে তারা বিবাহ করবে
.
তারা দুজনেই সাক্ষি হিসাবে রাসেলকে ইন্ভাইট করে।রাসেল ব্যাপারটা বুঝে যায় তাই সে রহিমা রাসেলকে না জানিয়েই সে তাদের সকল বন্ধুকে ইন্ভাইট করে নতুন প্রেমের নতুন বিবাহের জন্য।
.
পর দিন কাজি অফিস সাজিয়ে গুছিয়ে একটু আরালে লুকিয়ে থাকে তাদের বন্ধুরা। তাদের দিজনেই উপস্থিত হয়। কাজি অফিসের গেটে রাসেলকে দারিয়ে থাকতে দেখে রহিমা একটু আল্তু করে নাক ছিট্কে ভিতরে ঢুকে যায়।আর রাসেল না দেখার ভান করে আরাক দিকে তাকিয়ে থাকে।একটু পর রাফিক প্রেমিকার দেরি দেখে ফোন দেয়। রহিমা বলে আমি ভেতরেই আছি তুমি আসো।রফিক রহিমাকে দেখে ভাবে ও এখানে কি করছে।তাই সে আবার ফোন দেয়।আর রহিমা রফিকের দিকে তাকিয়ে অপলোপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে কাঁদতে থাকে।আজ তাদের প্রিয় মানুষদুটির দেখায় তাদের ভূলগুলো ভেঙ্গে যায়।আর দুজন দুজনকে জরিয়ে ধরে কেদে কেদে ভালাবাসাটুকু পূন্য করে।আর ওদিক থেকে তাদের বন্ধুরা তাদের নতুন প্রেমকে ফুলের তুরা দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়।
.
এবং আবার নতুন করে বিবাহ দেয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now