বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লোকজনের কাছে থেকে আগের শোনা কাহিনী গুলো রমিজ মিয়ার হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়।রমিজ মিয়া প্রচুর ভয় পাচ্ছিলো রাজ বাড়িটা পার হতে।কিন্তু উপায় নেই,কাল যে মেয়ের বাড়িতে পিঠে,পুলি,পোলাও,মাংস না পাঠালে তার নাক কাটা যাবে।মান সম্মান বলতে কিছুই থাকবে না।আল্লাহ্পাকের নাম নিয়ে রমিজ মিয়া বাড়ির দিকে হাঁটা শুরু করে।রাজবাড়ির সামনে আসার সাথে সাথেই রমিজ মিয়া নুপুরের আওয়াজ পায়।রমিজ মিয়া মনে মনে ভেবে রেখেছে যে,যা কিছুই হোক না কেনো সে ভুল করেও তাকাবে না।কিন্তু তার অজান্তেই চোখ যায় রাজবাড়ির গেটের পাশের আম গাছটার দিকে।এবং সে দেখতে পায় রাজকন্যার মতো সাজগোজ করা একটা মেয়ে আম গাছের উপর থেকে নিচে লাফ দিচ্ছে আবার চোখের পলক না ফেলতেই গাছে উঠে যাচ্ছে।সম্ভবত মেয়েটার পায়ের নুপুর গুলোর আওয়াজ এতোটা সময় সে শুনতে পেয়েছে।রমিজ মিয়ার আর বুঝতে বাকি নেই যে,তিনি খারাপ জিন বা শয়তানের পাল্লায় পড়েছেন।তাই রমিজ মিয়া কোন কিছু না ভেবে প্রাণপণ দোঁড়াতে লাগলো।এবং সে শুনতে পেলো গম্ভির গলায় কে যেনো তাকে বলছে আজকে বেঁচে গেলি তুই,কিন্তু তুই আর কোন দিন ভুল করেও একা এক পথ দিয়ে যাস তা হলো তোকে আর কেউ বাঁচাতে পারবে না।
সুস্থভাবে রমিজ মিয়া বাসায় আসে।এবং ঐরাস্তা দিয়ে আর যান না।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now