বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রক্ত মাতৃকা ১

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান FAHAD (০ পয়েন্ট)

X লেখক অঙ্কিত ঘোষ রমের ছুটি মানেই দিশার মামাবাড়ি যাওয়ার সময় হওয়া। দিশা, কলকাতার বেথুন স্কুলে ক্লাস এইটে পড়ে। পড়াশোনায় মনোযোগী হলেও গরমের ছুটিতে মামাবাড়ির আদর না খেলে ঠিক চলে না, তাই দিশা আর ওর মা এই সময় চলে যায় দিশার মামাবাড়ি। এই কদিন দিশার বাবা, শৌর্য কলকাতার বাড়ির পাহাড়াদার। দিশার মামাবাড়ি মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থেকে আরো মিনিট ৪৫, যদিও এতদিন মামা কর্মসূত্রে জলপাইগুড়ি থাকতেন; এ বছরই, এই বাড়িটা কিনেছেন। তাই এ বছরই প্রথম যাবে ওরা ওখানে। গরমের ছুটি পরার পর দিনই দিশা আর ওর মা অনন‍্যা রওনা দেয়, মামাবাড়ির উদ্দেশ্যে। এবার তো নতুন বাড়ি। মামার কাছে গল্প শুনেছে, বাড়িটা নাকি বাগান বাড়ির মতো। তাই কী করবে, কোথায় যাবে এসব আকাশ কুসুম ভেবে চলছে দিশা। ওর মামা মামীরও নিজের কোনো সন্তান না থাকায়, ওর আদরের ভাগীদারও কেউ তেমন নেই। প্রকৃতপক্ষে,” মামার বাড়ি ভারী মজা।” কবিতাটা দিশার জন্য ভীষণভাবে খাটে। অবশেষে দিশার দিন গোনা শেষ হলো, যখন শিয়ালদহ স্টেশন থেকে হুইসেল বাজলো লালগোলা প‍্যাসেঞ্জারের। সারারাত এক্সসাইটমেন্টে দিশার ঘুম হলো না, কিছুক্ষণ পর পরই মাকে বলতে থাকলো,” ও মা কখন পৌঁছবে ট্রেন?” অনন‍্যা কখনো ভালোভাবে বললো আবার কখনও দিল ধমক। শেষ পর্যন্ত ট্রেন পৌঁছলো বহরমপুর স্টেশনে। মামা আগে থেকেই ছিলেন সেখানে। বেশ ভোর বেলায় বাড়িতে পৌঁছলো ওরা। অনন‍্যা ওর দাদাকে বললো,”দাদাভাই, এ তো বিশাল বাড়ি রে।” “হ‍্যা রে, বেশ কমেই পেলাম, বল।” মানে বাড়ির ইন্টেরিয়র??” “ইন্টেরিয়র কিছুটা ঠিক করতে হয়েছে বটে। চল দেখবি চল, ভিতরে।” বাড়ির সামনে বেশ বড়ো বাগান। সরু রাস্তার দুধারে সারিবদ্ধ দোপাটি আর নয়নতারা। দিশা ঢুকেই বাগানে দেখলো একটা কাঠবিড়ালি ঘুরে বেড়াচ্ছে, দৌড়ে গিয়ে সেটাকে ধরার অনেক চেষ্টা করলো কিন্তু ধরতে পারলো না। বাগানের মতো বাড়িটাও বেশ বড়ো, পুরোনো দালান বাড়ির মতো। অনন‍্যা দেখে বললো,”দাদাভাই, এতো বড়ো বাড়ির মেনটেনেন্স কিন্তু বেশ ঝক্কির ব‍্যাপার।” “তোর বৌদিকে বল। এটাই পছন্দ তার। বুঝবে বয়স বাড়লে।” “সেটাই।” কথা শেষ হওয়ার আগেই অনন‍্যার বৌদি ইপ্সিতা এলো সেখানে, “কতদিন পর দেখলাম তোদের, দিশা কত্ত বড়ো হয়ে গেছিস। চল ভিতরে চল। অনেক রান্না করেছি, সব তোর ফেভারিট।” বড় বারান্দা পেরিয়ে ঘর। দিশা ভিতরে গেল মামির সাথে। ঘরে ঢোকার চৌকাঠে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেল অনন‍্যা, দিশার মামা সুব্রত বাবু পিছন থেকে এসে বললেন, “আরে দেখি দেখি! কী করছিস!” একটু সামলে নিয়ে অনন‍্যা বললো,”হ‍্যা মানে দাদাভাই, আমার মনে হলো কেউ…!” “কী মনে হলো? সেই ছোট্টবেলা থেকে দুমদাম পড়ে যাওয়ার অভ‍্যাসটা যাইনি দেখছি এখনো।” অনন‍্যা একটা ম্লান হাসি হেসে ভিতরে ঢুকলো। চলবে,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রক্ত মাতৃকা ৫ (শেষ পর্ব)
→ রক্ত মাতৃকা ৪
→ রক্ত মাতৃকা ৩
→ রক্ত মাতৃকা ২
→ রক্ত মাতৃকা ১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now