বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রহস্যময় সেই মেয়েটি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান টি.বি তৌহিদ (০ পয়েন্ট)

X দিনটা ছিলো আজকে হতে ১ বছর আগের,তখন আমার দিনগুলো ছিলো অনেকটা আগোছালো টাইপের,সবসময় বরিং ছিলো আমার খেলার সাথী,চলার সাথি,পথচলার সাথী,এককথায় সকলকিছুতেই অলস ছিলাম। নিজেকে অনেকবার গুছানোর ট্রাই করছি,কিন্ত কোন কাজ হয়নি। আর তারজন্য আমার লাইফের সাথে কারো ম্যানুয়ালি সেটাপ হতোনা, | একদিন রাত্র বেলা ফেইসবুকে ডুকলাম,অনেক দিন আগে একটা আইডিতে রিকু দিছিলাম,কিন্ত ৭দিন পেরিয়ে গেল,তবুও এক্সেপ্ট করার কোন নাম গন্ধ ছিলোনা, আর ওইদিন ফেইসবুকে ডুকারপর দেখি এক্সেপ্ট করছে রিকুটা, আমি অসংখ আবেগনিয়ে তারে আমি একটা ম্যাসেজ দিলাম,কিছুক্ষণ পরে মাথার মধ্যে একটু চিন-চিন ব্যাথা অনুভব করলাম, কারন সেই আইডি দিয়া আমার কাছে কোন ম্যাসেজ আসছিলোনা, অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম,কারন যার জন্য এতটিদিন বসে রিলাম,আর তার কোন খোজ পেলামনা, যখন বেশি চিন্তা করি তখন আমার বুকের মধ্য দরফর করে,আর তখনো এইরকম কিছুটা অনুভব করলাম। চিন্তা করতে করতে সেইদিন রাতে ঘুমিয়ে পড়ছিলাম। ||| প্রায় ৫দিন পরে আমি আবার আইডিটা এক্টিব করলাম,এক্টিব করার পরে যা কিছু দেখলাম,তা নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারছিলামনা, নিজের মধ্যে সেই ধরফর করাটা আবার অনুভব করা শুরুকরলাম,নিজেকে জোরে একটি চিমটি কেটে বিশ্বাস করালাম যা দেখছি তা সত্যি। ম্যাসেজটা ছিলো এইরকম- আপনি কোথায়ছিলেন এতদিন?? আপনাকে আমার মাইর দিতে ইচ্ছা করছে,এতটিদিন হয়েগেল,আমার একটিবার খোজ নিলে আপনি কি মারা যেতেন?? ... তখন ভাবলাম আমার সাথে তার এখনো কোনরকমভাবে পরিচয় হলোনা,তার আগেই এইরকম কথা,পরিচয় হলে যানি কি হয়,আল্লাহ ভালো যানে, তখন হতেই আমাদের বন্ধুত্বর একটা ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়,আমরা তখন অল্প অল্প কথা বলতাম ফেইসবুকে, বেশি কিছু বলতামনা, দুজোনার সব কিছু একজন আরেকজনের কাছে প্রকাশ করলাম। আমি মনে করতাম,ও হয়তোবা অনেক ভালো,নর্ম একটি মেয়ে হবে,তাই ওর সাথে আমি একটু চালাকি করার চেষ্টা করতাম,আমি যাই বলতাম,তাই মেনেনিতো, এভাবেই কিছুদিন কেটে যায় কথা বলতে বলতে। ||| হঠাৎ একদিন ওর সাথে আমাকে সরাসরি দেখা করতে বল্লো ওদের কলেজে,আমি বল্লাম পারবোনা দেখা করতে,ও বল্লো তুই যদি দেখা না করো,তাহলে আর আমি কখনো দেখা করবোনা তোর সাথে এবং কথাও বলবোনা, আমি বল্লাম ঠিক আছে করবো করবো, কালকেই করবো, আমি বল্লাম কোথায় আসতে হবে?? ও বল্লো আমাদের কলেজে আসিস, - ওহ! নামটাই তো বলা হয়নি,ওর নাম মিম,আমি হিমাদ্রী, যাই হোক! আমি পড়ি মডেল কলেজ,বরিশাল। আর ও পড়তো বিএম কলেজ। ||| শেষমেশ দেখা করতে যাচ্ছি মিম এর সাথে,রাতে ওর চিন্তা করতে করতে ঘুমটাও ভালোহয়নি।খুব সকাল সকাল ঘুম দিয়ে ওঠলাম,রেডি হয়ে নিলাম। একা একা রাস্ততে হাটছি,আর ওর কথা আনমনে ভাবছি। তারপর একটা রিকসা নিয়ে ওদের কলেজের সামনে গিয়ে নামলাম। পকেটে একটা মোবাইল ছিলো দামি,আরো টাকা পয়সাও ছিলো মোটামুটি,কারন টিউশুনি করে টাকাটা পেয়েছিলাম, আস্তে আস্তে কলেজের ভিতরে ডুকলাম,আর প্রচুর মানুষজন থাকায় আমি নিরিবিলি একটা যায়গাতে বসে পড়লাম পুকুর পাড়ে। অনেকক্ষণ বসে রয়েছি,কিন্ত মহারানীর খোজ নাই,ভাবলাম মেয়েরাতো এমনিতেও একটু সাজু-গুজু বেশি করে,তাই লেট হচ্ছে। কিছুক্ষণ পড় আমার মোবািলে কল দিলো: -কই তুই? কলেজে আসিস নায়?? (মিম) -আরেহ!! আমি সেই কখন হতে তোর জন্য বসে আছি,আর তোর কোন খোজ নাই।আমি পুকুর পড়ে বসা। (আমি) -আচ্ছা একটু বস,আমি ১মিনিটের মধ্যে আসতাছি। -ওকে"!! তারাতারি আয়। এর আগে আমি কখনো মেয়েদের সাথে কথা বলিনায়,মেয়েদের দ্যাখলে একটু ইমোশোন হয়ে পড়তাম,যাই হোক,কিছুক্ষণ পড় মিম আসলো,এবং আমার পাশেএসে বসলো,আমার খুব ভয় লেগছিলো তখন, যাই হোক,কিছুক্ষণ ওর চেহার দিকে আমি লুকিয়ে লুকিয়ে তাকাচ্ছিলাম,সেটা ও খেয়াল করছে,কিন্ত ও বুজেও না বুজার ভান করছে। তারপড় বল্লো আজকে বাসায় যাইতে হবে তারাতারি, বাসায় আম্মু একটু অসুস্ত, আমি বল্লাম আচ্ছা ঠিক আছে, -তোকে তোর বাসায় দিয়ে আসতে হবে?? -হুম,দিলেতো ভালই হয়,কিন্ত শর্ত আছে! -কি শর্ত? -হেটে হেটে যাইতে হবে। -আচ্ছা চল। তারপড়ে নিরিবিলি একটা রাস্ততে আমাকে নিয়ে গেল।এবং ওই খানে বসে বসে গল্প করতেছিলাম।আর কথা বলতে বলতে প্রায় সন্ধা গনিয়ে আসলো,তখনো ওর ওঠার কোন নাম নাই,আর রাস্তাঘাট ছিলো অদ্ভুত, কোন মানষজন ও দেখছিনা।। এবং তখন ও আমার সাথে ক্যামন যানি অদ্ভুত রকম আচরন করা শুরু করলো,আমাকে বলতাছে তোরে আমি শেষ করে দিবো,এই রাস্ততে যে একবার আশে আমার সাথে,দ্বিতীয় বার আর ফিরে যায়না,তোকেও মরতে হবে,প্রস্তুত হ তুই মরার জন্য, এবং ওর চেহারা টা একটা অদ্ভুত রকম হয়েগেল, চোখ দুটো মারবেল এর মতো জ্বল জ্বলে করছিলো। -আমি ভয়পেয়ে পালিয়ে যাবার চেষ্টা চালাচ্ছিলাম,কিন্ত ও তখন অট্টহাসি দিতে লাগলো। আর বলছে তুই কোথাও যাইতে পারবিনা,তোর মরন এখানেই হবে,হা হা হা হা। -আমি অনেক ভয় পাইলাম,এবং আমার শরীরের প্রতিটি যায়গা হতে ঘাম জড়ছিলো।আর আমার নাকে অদ্ভুত একটা পোড়া পোড়া গন্ধ আসছিলো,আর আমার পা-দিয়া একটুও হাটার ক্ষমতাবল ছিলোনা,শুয়েপড়তে বাধ্য হলাম,আর দেখলাম ও আমার দিকে আসতেছে। সেটা দেখারপড় সাথে সাথে আমার জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। ||| ||| পড়েরদিন সকাল বেলা আমি একটা কুরের ঘড়ের ভিতর আবিষ্কার করলাম। একটা বুড়ো টা টাইপের লোক আমাকে উঠে বসতে বল্লো,এবং বল্লো তুমি এই রাস্ততে কেন আসছো?? তুমি কি এই রাস্তা সম্পর্কে কিছুই জানোনা? আমি তোমাকে কালকে রাত ৩টার দিকে রাস্ততে পড়ে থাকতে দেখি,পড়ে আমার ব্যাংগাড়ি তে করে তোমাকে নিয়ে আসছি। - -তারপড় আমি সকল ঘটনা খুলে বল্লাম। দেখলাম আমার কথা শুনে সে অবাক হইয়া তাকিয়ে আছে আমার দিকে। এবং বল্লো তুমি যে বেচেআছো এটাই অনেক কিছু,আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করো। আমি বল্লাম,আমার কাছে একটু কাহীনিটা খুলে বলেন,এই রাস্ততে সমস্যা কি?? আর আমার সাথে ওই মেয়েটাও বা এইরকম করলো ক্যানো?? ||| শোনো তাহলে!! প্রায় ৫বছর আগের কথা,তখন তুমি যে মেয়েটার সাথে এই খানে আসছো,ও ২বছর আগে মারা গ্যাছে ওই যায়গায় বসে, আর মারাযাবার কারন হলো, মেয়েটা একটা ছেলেকে ভালোবাসতো,আর ছেলেটা ছিলো অনেকটা বখাটে টাইপের,আর মেয়েটা ছিলো মধ্যবিত্ত পরিবারের,পোলাটারও টাকা-পয়সা ছিলো অনেক। একদিন মেয়েটা বল্লো ছেলেটাকে,আমি প্যেইগন্যান্ট,আমাকে তুমি বিয়া করো,না হলে আমার অনেক বিপদ হবে। এই কথা শুনার পড়ে মেয়েটাকে ওইখানে ফেলে রেখে চলে যায়, কিছুদিন পড়ে মেয়েটাকে বিয়া করার কথা বলে তুমি যেখানে পড়ে রইছো,ওইখানে নিয়ে এসে বন্ধুদেরসাথে করে আবার রেপ করে,এবং ছুড়ি দিয়ে মেয়েটির শরীরের প্রতিটি যায়গাতে আঘাত করে,প্যাটের উপড় বুট জুতা দিয়ে আগাত করতে করতে মেরে ফেলছে। এবং তুমি যে একটা নাকে গন্ধ পাইছো,তার কারন হলো মেয়েটিকে মারার পড় ওই জানোয়ারের বাচ্ছারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। তার জন্যই গন্ধ পাইছো নাকে। আর তারপড় হতেই ওর আত্মাটা এইরকম অনেক খারাপ ছেলেদেরকে প্রেমের অভিনয় করে এই খানে এনে ভয়দেখিয়ে মরেফেলছে। তোমাকে আল্লাহ বাচিয়ে রাখছে,এটাই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করো। ||| কথা গুলো শুনার পড়ে আমার চোখ দিয়া আর নোনাজল রাখতে পারলামনা,তখন ভাবলাম মানুষ কতটা খারাপ হলে জানোয়ারের মতো আচরন করতে পারে। ।। ।। (গল্পটা কাল্পনিক) ------------- আপনারাই ভাবুন একটু,যারা প্রেম বা কোন সম্পর্কর মধ্যে আবধ্য আছেন,একটু সাবধান মতো চলুন,কারন মানুষ খারাপ হতে সময় লাগেনা,কিন্ত ভালো হতে অনেক সময়ের প্রয়োজন। লেখার মধ্যে একটু ভুলভ্রান্তী থাকতে পারে,ক্ষমার দৃষ্টিতে পড়বেন।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রহস্যময় সেই মেয়েটি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now