বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রেহান আর খেয়ার

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X - কই তুই? - বাসায়। - বাসায় কি করিস? - ঘুমোচ্ছি। - তুই দুপুর বারোটা পর্যন্ত ঘুমাস। রাতে কি নাইটগার্ডের চাকরি নিছিস? - আরে ধুর। কোন কাজের কথা থাকলে বল। ঘুম আসতেছে ঘুমাব। - হুম। কাজ আসে। ১০ মিনিটের মাঝে আমার কোচিং এর সামনে আয়। - এখন আসতে পারব না। আগে ঘুমিয়ে নিই। - ১০ মিনিট। - পারব না আসতে। - মাত্র ১০ মিনিট। ১ মিনিট অবশ্য চলে গেছে এতক্ষনে। - আরে কথা ত শুনবি। আমি খুব ক্লা......( ফোন কেটে গেছে শেষ করার আগেই) রেহানকে আর কিছুই বলতে দিল না খেয়া। রেহান আর খেয়ার বন্ধুত্বের বয়স প্রায় চার বছর হতে চলল। খেয়া প্রায়ই এমন করে রেহানের সাথে। হুটহাট করে বলে এখানে যাবে, ওখানে যাবে। রেহানেরও কিছু করার থাকে না, নিয়ে যায় প্রতিবারই। এভাবেই একটু একটু করে খেয়াকে ভালবাসতে শুরু করে রেহান। কিন্তু কখনোই বলতে পারেনা রেহান। ভয় যদি বন্ধুত্বটা ভেঙে যায়। প্রতিমুহুর্তেই ভাবে বলবে কিন্তু বলতে পারেন। খেয়া যেতে বলেছিল ১০ মিনিটের মধ্যে। আর রেহান গেল আধা ঘন্টা পর। খুব রেগে আছে খেয়া। রেহান রাগ ভাঙানোর ব্যর্থ চেষ্টায় - - আরে আর বলিস না। রাস্তায় প্রচুর জ্যাম। - থাক, আর অজুহাত দিতে হবেনা। - অজুহাত না। সত্যিই অনেক জ্যাম ছিল। - তোর সত্যি না ছাই। তুই মেকাপ করতে গিয়ে দেরি করছিস, তাই না? - মে-মে-মেকাপ!!! আমি মেকাপ করছি? - হুম করছস। নাহলে মুখে সাদা সাদা স্নো এর মত এগুলা কি? - ঐটা তো আসলে... আসলে... - থাক থাক আর বলতে হবেনা কিছুই। এখন চল পার্কে যাই। রিকশা ডাক। রিকশায় উঠলো। যাওয়ার পথে অনেকবারই রেহান সানগ্লাস দিয়ে চোখ আড়াল করে খেয়াকে দেখার চেষ্টা করল। প্রতিবারই খেয়া তা লক্ষ্য করল কিন্তু কিছুই বলল না পার্কে কিছুক্ষন হাটাহাটি করে তারা ছোটখাট একটা ফাস্ট-ফুডের দোকানে গেল। রেহান তখন অস্থির হয়ে আছে খেয়াকে ভালবাসার কথাটা বলার জন্য। সিদ্ধান্ত নিয়েই নিয়েছে সে, আজকে বলবেই। যা হওয়ার হোক। - খেয়া? - হুম। কি খাবি অর্ডার দে? - অর্ডার পরে। তোকে কিছু কথা বলার আছে। - কি কথা? - সিরিয়াসলি শুনবি তো? - আগে বল। শোনার পরে ভেবে দেখব। - ধুর শালা। যা আর বলবই না। - আচ্ছা বাবা আচ্ছা। সিরিয়াসলি শুনব। বল এখন। - আমাকে ভালবাসবি? - (চোখ উঁচু করে) কেন? - বলনা, ভালবাসবি আমাকে? - তোর কি এমন গুন আছে যে তোকে আমার ভালবাসতে হবে কেন? - আছে। একটা বিশেষ গুন আছে। - কি বিশেষ গুন? - আমিও তোকে ভালবাসি। এই ধরণের কথা শোনার জন্য খেয়া একদমই প্রস্তুত ছিল না। পুরো ৪৪০ ভোল্টের একটা শক খেল সে। তারপর কষে এক থাপ্পড় দিল রেহানের গালে। - ইডিয়ট। এই কথাটা বলতে তোর চার বছর সময় লাগে? - মানে? - মানে আর তোর বুঝতে হবে না। এখন থেকে আমাকে তুমি করে বলার অভ্যাস করবি। - মানে? - এত মানে মানে করস কেন? এইবার খাবার অর্ডার কর। রেহান বোকা হয়ে রইল। তার ভালবাসা খেয়া গ্রহন করল না ফিরিয়ে দিল, এখনও তার মাথায় ঢুকছে না এইটা। লিখাঃ অপ্সরা তমা


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রেহান আর খেয়ার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now