বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রবোগড-২(শেষ)

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mim (০ পয়েন্ট)

X ৭২ নয়, মাত্র ৪৮ ঘন্টার মাথায় ইমারজেন্সি টাস্ক ফোর্স গঠন করা হলো। ৫৩ তম ঘন্টায় আক্রমণ করা হলো শিকাগোর সেই কয়লাখনির রোবোট- ঘাটিতে। রোবোটরা সতর্ক থাকার পরও শেষরক্ষা হলো না। প্রথমেই পাওয়ার হাউজগুলো ধ্বংস করে দেয়ায় শক্তিও দ্রুত শেষ হয়ে আসতে লাগল তাদের। অল্প সময়েই রোবোট-ঘাটি টাস্ক ফোর্সের নিয়ন্ত্রণে চলে এলো। যুদ্ধ শেষ হতে টাস্ক ফোর্সের লিডার ফ্লিন রাইডার দলবল নিয়ে হন্য হয়ে খুঁজতে লাগল ড. জোনকে। ড. জোন আগে থেকেই সুরক্ষিত স্থানে লুকিয়ে ছিলেন। টাস্ক ফোর্সের সাড়া পেতে বেরিয়ে এলেন। "ড. জোন? আপনি ঠিক আছেন?" ফ্লিন রাইডারের প্রশ্নে মৃদু হাসলেন ড. জোন। "হ্যা, আমি ঠিকাছি। আপনাদের কি অবস্থা অফিসার? পুরো বেইজ নিয়ন্ত্রণে আছে তো?" "ইয়েস ডক্টর, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আমাদের নিয়ন্ত্রণে।" "গুড! এখন কিছু কাজ করতে হবে আমাকে। যত দ্রুত সম্ভব বিজ্ঞান একাডেমীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। ব্যবস্থা করুন অফিসার!" ফ্লিন রাইডার তাচ্ছিল্যের হাসি হাসল, "অবশ্যই ডক্টর, এখনি করছি!" বলেই হাতের রিভলভারটা ড. জোনের হৃৎপিন্ড বরাবর তাক করে গুলি করল সে। ছিটকে গিয়ে পাঁচ হাত দূরে পড়লেন ড. জোন। দু'হাতে বুক চেপে ধরে দাঁতে দাঁত ঘষে গর্জে উঠলেন- "হোয়াট দা হেক আর ইউ ডুয়িং ইউ সান অফ বিচ?" "আয়াম জাস্ট ফলোয়িং অর্ডার!" ঠান্ডা গলায় উত্তর দিল ফ্লিন রাইডার। ||পাঁচ|| (দশ বছর আগের কথা।) টিভিতে একটা অডিটরিয়াম দেখা যাচ্ছে। কোন একটা ইউনিভার্সিটির অডিটরিয়াম। একজন দীর্ঘদেহী প্রফেসর লেকচার দিচ্ছেন। কতগুলো ছাত্র- ছাত্রী শুনছে আর নোট করছে। উপরে বামদিকে লেখা- "LIVE" মাইকে প্রফেসর বলে যাচ্ছেন...."দিজ ভাইরাস হ্যাজ ভেরি স্মোল এমাউন্ট অফ রাইবোনিউক্লিক এসিড...." ড. জোন ছাডা অন্যরা প্রথমে লেকচারের জটিল বায়োকেমিক্যাল টার্মের কিছুই বুঝল না। কিন্তু শুনতে লাগল মনোযোগ দিয়ে। পনের সেকেন্ড কেটে গেল। সবাই তাকিয়ে আছে টিভি সেটের দিকে। তারপর টিভিতে এমন কিছু হলো, এমন কিছু বললেন দীর্ঘদেহী প্রফেসর, যে হঠাৎ করেই ঘরের সবাই ভয়াবহ রকমের চমকে উঠল। এমনকি পাতলা সুন্দরী চিৎকার দিয়ে উঠল। প্রেসিডেন্ট লাফ দিয়ে দাড়িয়ে গেলেন। "ওহ নো...হলি শীট....আই কান্ট বিলিভ ইট....।" ড. জোন মৃদু মৃদু হাসছেন এখন। সবার বিস্ময় উপভোগ করছেন। ক্যামেরাটা দীর্ঘদেহী প্রফেসরের মুখের উপর জুম করা হলো, যে দীর্ঘদেহী প্রফেসরকে টিভিতে দেখা যাচ্ছে, সেটা ড. জোনের চেহারা। এটা দেখেই সবাই বিস্মিত। কেউ বুঝতে পারল না যে, টিভির লাইভ প্রোগ্রামে যে চেহারাটা দেখা যাচ্ছে, সেটা যদি ড. জোন হয় তাহলে তাদের সামনে যে বসে আছে সে কে! এয়ার মার্শাল গর্জে উঠলেন- "এসব কি ডক্টর? টিভির প্রফেসরটা কে?" জোন হেসে উত্তর দিলেন, "উনিই আসল ডক্টর জোন।" "তাহলে আপনি? আপনি কে?" "আমিই রোবোগড।" "হোয়াট?" পাতলা সুন্দরীর দিকে কটমট করে তাকাল সে। মেয়েটা কাঁধ ঝাকিয়ে বুঝাল যে সে নিজেও বিভ্রান্ত! "ওয়েল জেন্টলম্যান! আমি ব্যাখ্যা করছি," জোনরূপী রোবোগড বলতে লাগল, "ড. জোন রোবোগডকে, মানে আমাকে হুবুহু নিজের মতো করে তৈরি করেছেন। আমার কপোট্রনে এক ধরনের বায়ো-ইলেকট্রিক্যাল কপোট্রন রয়েছে, যেটাতে ইন্সটল করা হয়েছে ড. জোনের ব্রেইন। পৃথিবীতে এটাই একমাত্র বায়ো-ইলেক্ট্রিক রোবোট-ব্রেইন, যা প্রায় মানুষের মস্তিস্কের মতো করে কাজ করতে পারে। শুধু একটাই পার্থক্য, মানুষের ব্রেন ভুল করে, আমারটা করে না। ড. জোন যখন কোন কাজে ব্যস্ত থাকেন, তার অন্য কাজগুলো আমিই করি।" প্রেসিডেন্ট হাততালি দিয়ে বলে উঠলেন, "ওয়াও! ড. জোন আসলেই একজন এক্সট্রাঅর্ডিনারি পার্সন!!" এয়ার ভাইস মার্শাল হাত তুললেন, "এক্সকিউজ মি মিস্টার রোবোগড, আই হ্যাভ আ কোয়েশ্চেন।" "বলুন।" "আমি শুনেছি ডক্টর জোন আপনার ব্রেনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন এবং আপনি পারেন যে কোন রোবটের ব্রেইন নিয়ন্ত্রণ করতে। কিভাবে?" "ওয়েল স্যার, আপনি UNF এবং URF টার্ম দু'টোর সাথে পরিচিত?" "আয়াম আফ্রেইড, নো! উড ইউ এক্সপ্লেইন?" "শুনুন, মানুষের ব্রেনে কিছু ফ্রিকোয়েন্সি থাকে। রেগে গেলে এক ফ্রিকোয়েন্সি, দুঃখ পেলে আরেক ফ্রিকোয়েন্সি, খুশী হলে আরেক ফ্রিকোয়েন্সি, এভাবে অনেকগুলো ফ্রিকোয়েন্সি আছে। এই ফ্রিকোয়েন্সিগুল ো সব মানুষের মধ্যেই মোটামুটি কমন। কিন্তু এসব ছাডাও এমন একটি ফ্রিকোয়েন্সি আছে, যেটা সবার ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র। দু'জন মানুষের ফিঙ্গার প্রিন্ট যেমন এক হয় না, রেটিনার গঠন যেমন এক হয় না, ডিএনএ যেমন এক হয় না, তেমনি দু'জন মানুষের এই বিশেষ ধরনের ব্রেন-ফ্রিকোয়েন্সিও এক হয় না। এটাকে বলা হয় UNF বা ইউনিক নিউরোলজিক্যাল ফ্রিকোয়েন্সি। ঠিক একই ভাবে সকল আধুনিক রোবোটের কপোট্রনে এক ধরনের URF বা ইউনিক রোবোটিক ফ্রিকোয়েন্সি পাওয়া যায়। যেহেতু আমার কপোট্রন একটি বায়ো-ইলেক্ট্রিক কপোট্রন, এখানে UNF এবং URF দুই ধরনের ফ্রিকোয়েন্সিই রয়েছে। ড. জোনের ব্রেন ইন্সটল করার কারণে আমার আর ডক্টরের UNF একই। তাই ড. জোনের যে কোন নির্দেশ ব্রেনওয়েভের মাধ্যমে আমার মেমোরিতে পৌঁছে যায়। আমি চাইলেও আমার UNF বদলাতে করতে পারব না, কিন্তু URF পারব। যে কোন রোবোটের URF এর সাথে নিজেরটা সেট করে আমি ইচ্ছেমতো যে কোন রোবটকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। বুঝেছেন?" "এক্সিলেন্ট!" সবাই সমস্বরে বলে উঠল। "আর কোন সিক্রেট আছে আপনার মি. রোবোগড?" প্রশ্নটা করলেন প্রেসিডেন্ট। "হ্যা। আমি নিজে নিজে বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করতে পারি, নিজেই প্রোগ্র্যাম তৈরি করতে পারি। মানব-মস্তিস্ক যা পারে, তা সব পারি। এমনকি যা পারে না, তাও পারি! আমি চব্বিশ ঘন্টা বিনা বিশ্রামে কাজ করতে পারি। সে জন্যই ড. জোন আমার নাম দিয়েছেন- রোবোগড! রোবোটদের ঈশ্বর।" "ওয়েল, আয়াম ইম্প্রেসড! তাহলে এবার কাজের কথায় আসা যাক। সেন্ট জোসেফ আইল্যান্ডে অভিযানের জন্য আপনি তৈরি তো?" "ইয়েস প্রেসিডেন্ট!" "এক মিনিট," এয়ার মার্শাল বললেন-"কাজ প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে আমি শেষবারের মতো একটা প্রশ্ন করতে চাই রোবোগডকে। আর কোন সিক্রেট নেই তো?" "হ্যা...আর মাত্র একটা। তবে সেটার কোন গুরুত্ব নেই।" এ কথা শুনে পাতলা সুন্দরী অর্থপূর্ণভাবে হাসল, বোঝা গেল- সিক্রেটটা তার অজানা নয়। সেটা লক্ষ্য করলেন এয়ার মার্শাল । বললেন- "ওয়েল, ঠিক আছে! এবার তাহলে কাজের প্রসঙ্গে আসা যাক।" সবাই আলোচনায় ব্যস্ত হয়ে গেল অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে। ||ছয়|| চোখ মেললেন ডক্টর জোন। আশেপাশে তাকিয়ে বুঝলেন যে তিনি বেঁচে আছেন এবং ফ্লিন রাইডার গুলি করে তাকে কয়লাখনির রোবোট-ঘাটির যে জায়গাটাতে ফেলে গিয়েছিল, এখনও সেখানেই পড়ে আছেন তিনি; আশে পাশে কেউ নেই, খাঁ খাঁ নির্জনতা। বুকের কাছে শার্টটা রক্তে ভিজে গেছে। তিনটা জিনিস তাকে অবাক করল! এক-বুকের বামপাশে গুলি লাগার পরও তিনি বেঁচে আছেন। দুই-তিনি কোন ব্যাথা অনুভব করছেন না। তিন-কোন অজ্ঞাত কারণে টাস্ক ফোর্স তাকে গুলি করে ফেলে রেখে গেছে। কারণটা কি? বেশি ভাবার সময় পেলেন না তিনি। তার আগেই হলোগ্রাফিক স্ক্রিণ জ্যান্ত হয়ে উঠল। হলোগ্রাফিক চিত্র কেন কিভাবে এল বুঝতে পারলেন না তিনি। তবে যে লোকটাকে চিত্রে দেখা গেল,তাকে তিনি চেনেন। চিত্রের লোকটা কথা বলে উঠল- "গুড আফটারনুন ড. জোন। আমাকে চিনতে পারছেন তো?" "হ্যা, আপনি ইউএস এয়ার মার্শাল । দশ বছর আগে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আমার বাড়িতে এসেছিলেন।" "রাইট! সেদিন আপনার বাড়িতে গিয়ে আমরা একের পর এক সারপ্রাইজ পেয়েছিলাম। তাই না? আজ আপনাকে কিছু সারপ্রাইজ দিই, কেমন?" "আগে আমার প্রশ্নের উত্তর দিন। আমাকে গুলি করা....." "থামুন ডক্টর, আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন একে একে। আগে আমার কথা শুনুন!" "ঠিক আছে, বলুন।" "সারপ্রাইজের জন্য রেডি তো? তাহলে শুনুন, আপনি নিজেকে যে ড. জোন ভেবে বসে আছেন, আপনি কিন্তু জোন নন, আপনি হলেন রোবোগড!" "হোয়াট?" "হ্যা, হিপনোটিজমের মাধ্যমে আপনাকে মানসিকভাবে রোবোগড বানানো হয়নি, এমনিতেই আপনি রোবোগড! আপনার চেহারা আর ডক্টরের চেহারা এক হওয়ায় এবং আপনার আংশিক স্মৃতিভ্রষ্ট হওয়ায় আপনি নিজেই বিভ্রান্ত হয়ে গিয়েছেন।" "তা কি করে হয়? কি করে সম্ভব? এই যে দেখুন, আমার বুক থেকে রক্ত পড়ছে।" "হ্যা পড়ছে! কিন্তু কোন ব্যথা অনুভব করছেন? করছেন না! রক্তও ফুরিয়ে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যে।" "তার মানে?" "আপনি, রোবগড, দশ বছর আগে একটা সিক্রেট লুকিয়েছিলেন আমাদের কাছ থেকে! সেটা আমরা পরে ড. জোনের এসিসট্যান্ট মারিয়ার কাছ থেকে জেনেছি।" "কি সেটা?" "তেমন কিছু না! জোনের একটা রসিকতা। ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত কিনে আপনার সিনথেটিক চামরার নিচে কৃত্রিম শিরা আর ধমনী তৈরি করে প্রবেশ করানো হয়েছে, যাতে অন্যরা বিভ্রান্ত হয়।" "তাহলেও প্রশ্ন থেকে যায়। আগেরবার যখন হাত কেটেছিলাম, আমার কেটে যাওয়া চামরা জোড়া লেগে গিয়েছিল। কি করে?" "হা হা হা! এটা একটা প্রাচীন পদ্ধতি। একবিংশ শতাব্দী থেকেই এই প্রযুক্তি সামরিক কর্মকর্তাদের গাড়িতে ব্যবহৃত হতো। এক ধরণের তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব; টায়ারে কেউ গুলি করলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাপমাত্রা বেড়ে-কমে টায়ার আবার জোড়া লেগে যেত। সে প্রযুক্তিই আপনার সিনথেটিক চামরায় ব্যবহার করা হয়েছে।" "হলি কাউ!" "আর কোন প্রশ্ন ড. জোন..... ওপস! মি. রোবোগড?" "হ্যা, আমি বেশ কয়েকবার ভুল করেছি। গাণিতিক ভুল, উচ্চারণগত ভুল। মানুষ ভুল করে, রোবট করে না! এর ব্যাখ্যা কি?" "ওয়েল, এটা আমাদের কাছেও পরিস্কার নয়। তবে আপনি এক বিশেষ ধরনের বাইনোমিয়াল কোডের কথা বলছিলেন, রাইট?" "ইয়েস, ইউনিকোড!!" "হোয়াটএভার, বিজ্ঞান একাডেমির ধারণা, কোডটা এতই শক্তিশালী যে আপনার বায়ো-ইলেক্ট্রিক ব্রেইনের সিস্টেমে একটা কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করেছে। হয়তো দেখবেন, প্রতি একশোটা অংক করার পর ১০১ নম্বরের সময় হিসেবে ভুল করবেন।" কেমন যেন অবিশ্বাসের ছায়া দেখা গেল জোনরূপী রোবোগডের চেহারায়। হতাশ গলায় প্রশ্ন করল- "শেষ একটা প্রশ্ন! আমাকে ড. জোন ছাড়া আর কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারত না। রোবোটরা কিভাবে পারত?" "এটা ডক্টর জোনের একটা গাধামী। কখনো যদি তার নিজের ব্রেন ফ্রিকোয়্যান্সি দিয়ে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ না করা যায়, তখন কাজ চালানোর জন্য একটি ফ্রিকোয়্যান্সি রেগিউলেটর যন্ত্র তৈরি করে রেখেছিলেন। টের পেয়ে রেগিউলেটরটা চুরি করে নেয় বিদ্রোহী রোবটরা। আসলে ড. জোন যে মারা গেছেন, এবং রোবোগড বিদ্রোহী রোবোটদের হাতে চলে গেছে, সেটা আমরা আগে থেকেই টের পেয়েছিলাম। হন্য হয়ে খুঁজছিলাম আপনাকে। কিন্তু পাইনি!" "এখন তো পেলেন, এবার? কি করবেন আমায় নিয়ে?" "সরি টু সে, বাট ইউ আর আ গ্রেট রিস্ক ফর হিউম্যানিটি। রোবোগডের সাহায্য না পেলে হয়তো আর অনেক আগেই বিদ্রোহী রোবটদের শেষ গ্রুপটা ধরা পড়ে যেত! তাই বর্তমান ইউএস প্রেসিডেন্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আপনাকে ধ্বংস করে ফেলা হবে।" এমন ভয়ংকর কথা শুনেও কোন ভাব দেখা গেল না রোবগডের। এয়ার মার্শাল বলে যেতে লাগলেন- "রোবোগড, আপনি অনেক বড় একটা শক্তি ছিলেন, কিন্তু আফসোস! মানবজাতির আর কোন কাজে আসতে পারবেন না। তবে ধন্যবাদ জানাতে চাই আপনাকে, পৃথিবীবাসীকে দু' দু'টো ভয়ংকর রোবো বিদ্রোহ থেকে বাঁচিয়েছেন আপনি।" "ইউ আর ওয়েলকাম!" কথাটা ব্যাঙ্গাত্বক সুরে বলল রোবোগড। "এখন, বিদায় নিতেই হয়! শুভ বিদায় রোবোগড!!" "ডেথ ইজ জাস্ট দা বিগিনিং, বিদায়!" হলোগ্রাফিক স্ক্রিনটা গায়েব হয়ে গেল। দিনটা ছিল ২২৮৮ সালের ৩১ শে জানুয়ারি, কোন এক পরিত্যক্ত কয়লাখনিতে প্রচন্ড বিস্ফোরণের ফলে কেঁপে উঠেছিল পুরো শিকাগো শহর।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রবোগড-২(শেষ)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now