বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লোককাহিনীর রবিন হুড যেমন সুদর্শন, তেমনি সাহসী। ধনুক আর তলোয়ারে দক্ষতায় তার জুড়ি মেলা ভার। অত্যাচারী ধনীদের কাছ থেকে সম্পদ ছিনিয়ে নিয়ে তিনি বিলিয়ে দিতেন গরীবের মাঝে।মধ্যযুগের শেষ ভাগে নটিংহ্যামের শেরউডের জঙ্গলে ছিল তার সগর্ব বিচরণ।
আর এখন গোটা নটিংহ্যাম শেরউড যেন রবিন হুডের রাজ্য। শহরে আছে তীর ছুঁড়তে উদ্যত রবিন হুডের ভাস্কর্য। বার, পাব, রেস্তোরাঁ, রাস্তা, বাড়ি, হোটেলসহ নানা কিছুর নামের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে কিংবদন্তি এই চরিত্রের নাম।
রবিন হুড বলে কেউ সত্যিই ছিলেন? এ নিয়ে যুগে যুগে গবেষণা হয়েছে বিস্তর। তাকে নিয়ে সবচেয়ে পুরোনো যে গাঁথার সন্ধান মেলে, সেটি সেই ১৪০০ সালের।
ইতিহাসবিদদের গবেষণায় নিশ্চিত কিছু মেলেনি।তবে মিথ ক্রমে ডালপালা ছড়িয়েছে। জমেছে গল্পের পর গল্প। বেড়েছে জনপ্রিয়তা। তাকে নিয়ে হয়েছে চলচ্চিত্র, টিভি সিরিজ, কার্টুন স্ট্রিপ।
নটিংহ্যাম শহর থেকে ৪৫-৫০ মিনিটের ড্রাইভ শেরউডের জঙ্গল। দূর থেকে দেখে মনে হয় বনের সবুজ যেন মিশে গেছে আকাশের নীলে। কাছে যাওয়ার পর অবশ্য জঙ্গলের চিরায়ত রূপটিই ধরা দিল। হয়তো একসময় সেখানেই লিটল জন, উইল স্কারলেটদের নিয়ে শেরিফের কাছ থেকে অধিকার আদায়ের রণপরিকল্পনা সাজাতেন রবিন হুড। সদাবিদ্রোহী জীবনের শত ব্যস্ততা ও সতর্কতার ফাঁকে এখানেই হয়তো তার আনন্দময় সময় কেটেছে প্রেয়সী মারিয়ানের সঙ্গে!
রবিন হুড রাজত্বের জন্য লড়াই করছেন শত্রুর সঙ্গে। গাছে ওঠা, খানা-খন্দ পার হওয়া, এসব পরীক্ষার মধ্য রবিন হুড ঐ সময়টায় ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
কল্পনা নাকি বাস্তব! তবু রবিন হুড সকল মানুষের মনে গেঁথে আছেন তার বীরত্বের জন্য। বর্তমান পৃথিবীতে রবিন হুডকে আসার জন্য স্বাগত জানাই। ফিরে এসো, গরীবের বন্ধু রবিন হুড, ফিরে এসো।
**********************★*******************-
তথ্যসূত্রঃ বিডিনিউজ২৪।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now