বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রানি ভবাণির জমিদারবাড়ী বা মন্দির

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান EvA AhMED (০ পয়েন্ট)

X নাটোরে গিয়ে যেমন কাঁচাগোল্লা না খেলে হয় না, ঠিক তেমনি রানী ভবাণীর মন্দির না দেখলেও চলে না। নাটোরের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল রানী ভবাণীর মন্দির। এই অঞ্চলে একসময় বেশ বিখ্যাত ছিলেন রানী ভবাণী। হাওড়া থেকে কাশী পর্যন্ত রাস্তা নির্মান করেছিলেন তিনি যা রানী ভবানী রোড বা বেনারস রোড নামে খ্যাত ছিল। বর্তমানে এটি বোম্বে রোডের অংশ। বগুড়া জেলার শেরপুরে অবস্থিত পীঠস্থান ভবানীপুরের মন্দিরসমূহের উন্নয়নে রাণী ভবাণী অনেক অবদান রাখেন। আর এসবের সাথে নিজের জন্য রানী নির্মান করেন জমিদারবাড়ী। নাটোর শহরের প্রাণ কেন্দ্রের উত্তরে ১৮০ বিঘা জমির ওপর নাটোর রানী ভবানী জমিদারবাড়ী অবস্থিত। জানা যায়, নাটোর জমিদারবাড়ী এলাকাটি এক সময় বিল ছিল। যাকে অনেকেই ভাতঝাড়ার বিল আবার কেউ ছাই ভাঙার বিল বলে ডাকে। জমিদারবাড়ীর চারিদিকে ঘিরে রয়েছে বৃহৎ দুটি জলাশয়, ইনার বেড় এবং আউটার বেড় চৌকি। জমিদারবাড়ী চত্বরে রয়েছে ছোট বড় পাঁচটি জলাশয়। বর্তমানে নাটোর জমিদারবাড়ীকে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে মূল প্রাসাদ ৩টির কিছু সংস্কার করা হয়েছে। অন্য ভবনগুলো সংস্কার না করায় ধ্বংস হতে বসেছে। ল ফটকের পাশে দর্শনার্থীদের সমাবেশ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে আনন্দ ভবন। ভাড়ার বিনিময়ে যে কোনো দর্শনার্থী আনন্দ ভবন ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও জমিদারবাড়ী চত্বরে নির্মাণ করা হয়েছে কয়েকটি পিকনিক স্পট। নাটোরবাসীর জন্য একমাত্র বিনোদনের এই জায়গাটিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসেন দর্শনার্থীরা। ঢাকা থেকে নাটোর চার ঘণ্টার পথ। গ্রিনলাইন ও হানিফ পরিবহনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসসহ শ্যামলী ও ন্যাশনাল ট্রাভেলসের বাস এ পথে নিয়মিত চলাচল করে। এ ছাড়া জমিদারশাহীগামী যে কোনো বাসে অথবা ট্রেনে নাটোর যাওয়া যাবে। সময় লাগে ছয় ঘণ্টা। নাটোরের জমিদারবাড়ী শহরের উত্তর দিকে। বাসস্ট্যান্ড থেকে আধা ঘণ্টার হাঁটা রাস্তা। রিকশায় ২৫ টাকা ভাড়া নেবে। বাসস্ট্যান্ড থেকেই রিকশাওলাকে অথাবা কাউকে জিজ্ঞাসা করলেই আপনাকে দেখিয়ে দেবে। রানী ভবানীর জমিদার প্রাসাদ/নাটোরের জমিদারবাড়ী।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রানি ভবাণির জমিদারবাড়ী বা মন্দির

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now