বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তিন_গোয়েন্দা
#পুরনো_ভূত
#পর্ব_তের
উঁচু জায়গাটা থেকে নেমে সরু উপত্যকা ধরে একছুটে টিলার বাঁকটার কাছে চলে এলো ওরা। ভূতুড়ে মূর্তিটাকে দৌঁড়ে হারানোর বাজি ধরেছে যেন। একটিবারের জন্যেও পেছনে ফিরে তাকালো না। মুসার হেলমেট পড়ে গেলো মাথা থেকে, কিশোর ফেলে দিলো তার মুখোশ। তোলার চেষ্টাও করলো না কেউ। একমাত্র লক্ষ্য, কি করে আগুনের কাছে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছতে পারবে। তাদের ছুটে আসাটা নজরে পড়লো ডেভিড আর ইংমারের। উদ্বিগ্ন হয়ে উঠে এলেন তারা।
কি হয়েছে? কোথায় গিয়েছিলে? চিৎকার করে জানতে চাইলেন প্রিন্সিপ্যাল। আমরা এদিকে খুঁজে মরছি!
কি ব্যাপার? ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন।
আমরা ডনের পিছু নিয়েছিলাম! হাঁপাতে হাঁপাতে বললো মুসা।
ফাঁকি দিয়ে পালালো, জোরে জোরে দম নিচ্ছে কিশোর। আগে আগে চলছিলো, হঠাৎ করে হারিয়ে গেলো কোথায়....
একটা জাহাজ দেখলাম! রবিনা জানালো।
তারপর একটা ভূত! বললো মুসা।
আরেকজনকে দেখলাম, কিশোর বললো। হাতে একটা টর্চ।
হাত তুললেন প্রিন্সিপ্যাল। শান্ত হও। খুলে বলো সবকিছু। এখান থেকে উঠে যাওয়ার পর কি কি ঘটলো?
বলছি। লম্বা দম নিয়ে শুরু করলো কিশোর, আরেক দিকে তাকিয়ে ছিলাম। কোন ফাঁকে আগুনের কাছ থেকে উঠে চলে গেলো ডন। আমরাও উঠে গিয়ে তাকে দেখলাম কুয়াশার ভেতর দিয়ে এগিয়ে চলেছে। দ্বীপের শেষ প্রান্তের টিলাটার দিকে চলেছে। তারপর যা যা ঘটেছে সব খুলে বললো সে।
আবার একই কান্ড! বলে উঠলেন ডেভিড।
শুধু ভূতুড়ে জাহাজটা বাদে! যোগ করলেন ইংমার।
হ্যাঁ, সম্ভবত দ্য ফ্লাইং ডাচম্যান।
ওটা আবার কি? জানতে চাইলো মুসা।
দ্য ফ্লাইং ডাচম্যান ছিলো, গল্পটা জানা আছে কিশোরের, একটা কিংবদন্তী। খারাপ কাজ করেছিলো একজন জাহাজের ক্যাপ্টেন। এর শাস্তি হিসেবে জাহাজটা তার চলতেই থাকলো, চলতেই থাকলো, কোনো বন্দরে পৌঁছালো না, কোথাও থামলো না। শেষে তার প্রাণ বাঁচালো এক মহিলা। এই গল্প নিয়ে নাটক তৈরি হয়েছে।
সিনেমাও হয়েছে, রবিন বললো। অনেক আগেই দেখেছি আমি।
ঢোক গিললো মুসা। তার মানে ওটা ভূতুড়ে জাহাজ!
ডেভিড ভয় দেখিয়ে আনন্দ পায়, মুসা, হেসে বললেন ডাক্তার। ওসব রসিকতা আর গালগল্প বাদ দিয়ে গিয়ে দেখা দরকার তোমরা সত্যি সত্যি কি জিনিস দেখেছো।
তাই চলো, প্রিন্সিপ্যাল বললেন।
চলুন, উঠে দাঁড়ালো কিশোর।
দ্বিধা করতে লাগলো মুসা। শেষে বলেই ফেললো, কিশোর, আমি না গেলে হয় না?
দূর, চলো তো, কিশোর বললো। এতো ভয় কিসের?
অনিচ্ছাসত্ত্বেও উঠতে হলো মুসাকে।
বাতাস এখন প্রায় একটানা বইছে। ফলে টিকতে পারছে না কুয়াশা। চাঁদের আলো আরও উজ্জ্বল হয়েছে। দ্রুত টিলার গোড়ায় পৌঁছে গেলো দলটা। যেখান থেকে হারিয়ে গেছে ডন। রবিন জানালো, কি করে এখানে ঝোপের গায়ে টিউনিকের ছেড়া টুকরো পেয়েছে। কিভাবে জুনিপারের ধার দিয়ে গিয়ে পৌঁছেছে খাঁড়ির ধারে।
আমাদের মনে হলো, কিশোর বললো অগ্নিকুন্ডের কাছে যায় নি ডন। লুকিয়ে পড়েছে। তাই এগিয়ে চললাম। গিরিখাদ আর লুকিয়ে থাকার মতো সমস্ত জায়গায় খুঁজলাম। পেলাম না। কিভাবে যে কোথায় গায়েব হয়ে গেলো, বুঝতেই পারলাম না।
তারপর দেখলাম, রবিন বললো, খাঁড়ির কিনারে দাঁড়িয়ে টর্চ জ্বালছে কেউ। জাহাজটা দেখা গেলো।
আর আরেকটু হলেই, কেঁপে উঠলো মুসা। ক্যাপ্টেন কুলটারের ভূতটা এসে মুন্ডু কেটে ফেলছিলো আমাদের!
ওসব কিছু না, সাহস যোগালেন প্রিন্সিপ্যাল। এগোও। আগের বার যে পথে যে পথে গিয়েছিলে।
পরিষ্কার আকাশ। ঝকঝকে চাঁদের আলো এখন। বাতাস বাড়ায় ঢেউও বেড়ে গেছে। দক্ষিণের নিচু টিলাটার গায়ে এসে আছড়ে ভাঙছে ঢেউ, পানি ছিটিয়ে দিচ্ছে ফোয়ারার মতো। খুদে খাঁড়িটার কাছে পৌঁছে কিছুই দেখা গেলো না। কুয়াশা নেই। খাঁড়ির মুখের কাছ থেকে সাগর অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। জাহাজ-টাহাজ কিছুই চোখে পড়লো না।
চলমান আলোও তো নেই, কপালের কাছে হাত ঠেকিয়ে দূরে দেখার চেষ্টা করছেন ইংমার। নাহ্, কোনো জাহাজ নেই।
ঢাল বেয়ে উঁচু পাথুরে জায়গাটা থেকে খাঁড়ির সরু সৈকতে নেমে এলো কিশোর। চারপাশে তাকিয়ে দেখে নিয়ে বললো, এখানেই ছিলো। ঠিক এই জায়গাটায় থেকে টর্চের আলো ফেলেছে জাহাজের ওপর।
এই, দেখ! চেঁচিয়ে উঠলো মুসা। নিচু হয়ে ছয় ব্যাটারির একটা বড় টর্চ কুড়িয়ে নিলো সে।
টর্চটা হাতে নিয়ে দেখলেন প্রিন্সিপ্যাল। হ্যাঁ, এটাই চুরি হয়েছিলো আমাদের তাঁবু থেকে কোনো সন্দেহ নেই। দেখ, মারকাস র্যাগনারসনের নাম লেখা রয়েছে।
তার মানে চুরিই গিয়েছিলো, রবিন বললো। হারানো-টারানো নয়।
তাইতো মনে হচ্ছে, কিশোর বললো। আর চোরের সঙ্গে সাগরের ওই জাহাজের কোনো সম্পর্ক রয়েছে।
কিশোর, জাহাজটাকে সংকেত দেয়নি তো?
হ্যাঁ, দিয়েছে। পথ দেখিয়ে খাঁড়িতে এনেছিলো হয়তো।
ক্যাপ্টেনের ভূতটার ব্যাপারে কি মনে হয়? জিজ্ঞেস করলেন ডাক্তার।
ওটাকে ওই পাথরের ওপর দেখেছি, হাত তুলে দেখালো রবিন। টর্চ চোরের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক আছে কিনা বলতে পারবো না।
একটা কথা বলতে পারবো, মুসা বললো। ভূতটা আমাদের এখানে আসা পছন্দ করেনি।
মাথা ঝাঁকিয়ে একমত হলো কিশোর। ঠিকই বলেছো। ভূত হোক, আর যা-ই হোক, ক্যাপ্টেন কুলটার আমাদের গোয়েন্দাগিরি পছন্দ করতে পারেনি। বাধা দিয়েছে যাতে টর্চধারীর পরিচয় জানতে না পারি। রহস্যময় লোকটাকে ডনের কটেজে দেখার পর থেকেই আমার মনে হয়েছে দ'জনের মাঝে কোনো একটা যোগাযোগ রয়েছে।
তুমি ভাবছো, প্রিন্সিপ্যাল বললেন। ডনই টর্চ নিয়ে এসেছিলো এখানে?
হতে পারে।
তার মানে ওই জাহাজটার সঙ্গেও তার সম্পর্ক আছে, ডাক্তারের কণ্ঠে অস্বস্তি। এবং তার অর্থ স্মগলিং কিংবা আরও খারাপ কিছুতেই জড়িয়ে গেছে ছেলেটা!
আমার তাই মনে হয় স্যার।
তোমার কোনো পরামর্শ আছে, কি করতে হবে?
জোৎস্নালোকিত খাঁড়ির চারপাশে ধীরে ধীরে তাকালো আরেকবার কিশোর। উঁচু জায়গাটায় এখন একটুও কুয়াশা নেই।
ভূতটা আমাদেরকে ভয় দেখিয়েছে, বললো সে। তবে আমার বিশ্বাস, আমরাও তাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছি। মনে হয় না আজ রাতে আর এখানে ঘটবে। ডনকে খুঁজে বের করা দরকার। হয়তো সে কিছু বলতে পারবে।
এক সারিতে ছড়িয়ে পড়লো ওরা। দানবীয় টিলা থেকে শুরু করে দ্বীপের দক্ষিণ তীরের ছোট টিলাটা পর্যন্ত এগিয়ে গিয়ে খুঁজলো, ফিরে এলো আবার ধীরে ধীরে। শুধু জোৎস্নার ওপর আর ভরসা করলো না এবার। টর্চও জ্বালিয়ে নিয়েছে। মস্ত টিলাটা ঘুরে দ্বীপের প্রায় মাঝামাঝি চলে এলো, কিছুই পেলো না। এগিয়ে চললো পুব দিকে, যেখানে অগ্নিকুন্ড জ্বলছে।
দেখ, চেঁচিয়ে বললো রবিন।
আগুনের পাশে বসে রয়েছে ডন র্যাগনারসন। পরনে ভাইকিং পোশাকই রয়েছে, শুধু হেলমেটটা খুলে রেখেছে। দুই জোড়া দম্পতির সঙ্গে বসে আরাম করে মদ খাচ্ছে। ছেলেদের দেখা দাঁত বের করে হাসলো। হাত নেড়ে আমন্ত্রণ জানালো তার সাথে গিয়ে মদ খাওয়ার জন্যে। টিটকারির ভঙ্গিতে।
মুসা আর কিশোরের মুখোশ নেই। ফেলে যে দিয়ে এসেছে আর তুলে আনেনি।
তখনই বুঝেছি, হাসতে হাসতে বললো ডন।যখন ডেভিড আংকেলের সঙ্গে তোমাদেরকে বোটে দেখলাম। তিন গোয়েন্দা! হাহ্ হাহ্! আসলে থ্রি স্টুজেস। ছদ্মবেশে এলে কি হবে? তোমাদের ওই কালো নিগ্রোটা কি আর ঢাকা পড়বে কোনো পোশাকের মধ্যে।
কিছু বলতে সবে মুখ খুলতে যাচ্ছিলো কিশোর, রবিন বলে উঠলো, আর কি জানো তুমি? রাগ চাপতে পারছে না সে। এটাও নিশ্চয় জানো দ্য স্টার অভ পানামা জাহাজের ক্যাপ্টেনের পোশাক পড়ে কে ঘুরে বেরায়?
ক্যাপ্টেন কি?
ক্যাপ্টেন কুলটার কে ভালো করেই জানো তুমি, ফোঁস করে উঠলো মুসা। অতো ভণিতা করছো কেন? তোমার কটেজে তাকে দেখেছে আমরা। তার সঙ্গে কথাও বলেছি।
কিশোর বললো, তুমি নিশ্চয় জানো কোন জাহাজে করে বাড়ি যাচ্ছিলেন তোমার পূর্বপুরুষ নাট র্যাগনারসন। কি করে জাহাজ ডুবলো। কি করে তিনি বেঁচে ফিরলেন রকি বীচে। এইযে সেলিব্রেট করছো, তারই তো স্মরণে।
ঘেউ ঘেউ করে চলেছো। কিছুই তো বুঝতে পারছি না। আমি শুধু কয়েকটা দিন পিকনিক করে কাটাটে এসেছি এখানে।
পারিবারিক ইতিহাস কিছু জানেনা ডন, শুকনো গলায় জানালেন ডাক্তার ইংমার।
কিন্তু তার ঘরে ক্যাপ্টেন কুলটারকে দেখেছি আমরা, জোর দিয়ে বললো রবিন।
ভুরু কোঁচকালো ডন। আমার বাড়িতে কেন গিয়েছিলে?
চোরাই ফটোগুলোর খবর করতে, জবাব দিলো কিশোর। তুমি ওগুলো চেয়েছিলে, মনে নেই?
আর কে চায় তার কথা বলো।
ওই লোকটা কে? প্রশ্ন করলো মুসা। টিলার ওধারে ছোট খাঁড়ির পাড়ে দাঁড়িয়ে যে টর্চ জ্বালছিলো? সাগরের দিকে মুখ করে?
আমি কি করে বলবো? ওখানে কখনো যাইইনি।
তোমার টর্চটা কোথায়? জানতে চাইলো রবিন।
এই তো, রোমশ আলখেল্লার ভেতর থেকে টর্চ বের করে দেখালো ডন।
খাঁড়িতে যেটা পেয়েছে সেটার মতোই দেখতে। একই জিনিস।
একটু আগে খাঁড়ির কাছে সাগরে একটা জাহাজ দেখা গেছে, কিশোর বললো। ওটার কথা কি কি জানো তুমি?
আমি কোনো জাহাজই দেখিনি।
আগুনের আলোয় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ছেলের মুখ। সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে ডাক্তার। উঠে যার যার তাঁবুতে চলে গেছে দুই জোড়া দম্পতি। শুধু ডন বসে রয়েছে এখন আগুনের ধারে।
আমার মনে হয় না ও কিছু করেছে, ডাক্তার বললেন। এসবের অন্য কোনো ব্যাখ্যা আছে।
আমারও তাই মনে হয়, প্রিন্সিপ্যাল বললেন। তোমাদের কি মনে হয়?
আপাতদৃষ্টিতে তো সেরকমই লাগছে, স্যার, জবাব দিলো কিশোর।
বোকাগুলোর মুখে এই প্রথম একটা বুদ্ধিমানের মতো কথা শুনলাম। ঘোষণা করলো যেন ডন। উঠে দাঁড়ালো। বাবা, ঘুমোতে যাচ্ছি। নাকি সেটা করা বারণ আমার?
বাবার জবাবের অপেক্ষা করলো না সে। হাঁটতে শুরু করলো তাঁবুর দিকে। চিন্তিত ভঙ্গিতে সে দিকে তাকিয়ে রইলো কিশোর।
ছেলের সাথে কথা বলার জন্যে দ্রুত এগোলেন ডাক্তার। মাঝপথে থামিয়ে কি যেন বলতে লাগলেন। তারপর পাশাপাশি হাঁটতে থাকলেন দু'জনে। সেদিকে তাকিয়ে রইলেন প্রিন্সিপ্যাল, ওরা আগুনের আলোর বাইরে না চলে যাওয়া পর্যন্ত।
কিশোর, এবার কি করবে? জিজ্ঞেস করলেন তিনি।
ঘুমোতে যাওয়াই উচিত, কিশোর বললো। রাতে পাহারার ব্যবস্থা অবশ্যই করবো। কিছু ঘটলে যাতে দেখতে পাই। তারপর সকালে দিনের আলোয় গিয়ে ভালোভাবে খুঁজবো দ্বীপের পশ্চিম ধারটা। কোনো কিছু থেকে থাকলে বের করবোই। বাতাসে মিলিয়ে যেতে পারে না কোনো মানুষ।
তোমাদের সঙ্গে আমিও পাহারা দেবো, সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন প্রিন্সিপ্যাল। প্রথমে পাহারা নাহয় আমিই দেই।
তাহলে তো ভালোই হয়, স্যার। চারজন হলাম আমরা। দু'ঘন্টা করে পাহারা দিলে আট ঘন্টা জাগতে পারবো। ওয়াকি-টকি আছে আমাদের সাথে। রবিনেরটা আপনাকে দেবে, পাহারার সময়। একটা সময় তাকে জাগিয়ে দিয়ে আপনি ঘুমোতে যাবেন।
রাতে অনেক পরিবারই থাকতে রাজি হয়নি, চলে গেছে, কিন্তু তাদের তাঁবু খাটানোই আছে। ওরকম একটা তাঁবুতেই তিন গোয়েন্দার ঘুমোনোর ব্যবস্থা করে দিলেন ডেভিড। শোয়ার পরেও বেশ কিছুক্ষণ জেগে রইলো ওরা। অদ্ভুত ঘটনাগুলো নিয়ে আলোচনা করলো। ঘুমিয়ে পড়লো অবশেষে, কানে ঢেউয়ের শব্দ নিয়ে।
একটা পর্যন্ত জেগে রইলেন প্রিন্সিপ্যাল। তারপর রবিনকে জাগিয়ে দিলেন। অগ্নিকুন্ড জ্বলছেই। তার পাশে এসে হাঁটুতে থুঁতনি ঠেকিয়ে বসে পড়লো তিন গোয়েন্দার নথি-গবেষক। তাকিয়ে রয়েছে গনগনে কয়লার দিকে। কানে আসছে ঢেউ আর বাতাসের গর্জন।
হঠাৎ রাতের নিস্তব্ধতাকে চিরে দিলো রক্ত জমাট করে তীক্ষ্ণ চিৎকার।
(চলবে....)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now