বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পতিতা

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Jewel (০ পয়েন্ট)

X পতিতা . লেখাঃAnthohin Avi(যাযাবর) . অনার্স শেষ করে চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছি।মাষ্টার্স করার ইচ্ছাটাও প্রবল।এদিকে পারিবারিক অবস্থাটাও সোচনীয়।ভাবলাম নিজের উপার্জনের টাকায় মাষ্টার্স করবো,কিন্তু উপার্জনটা কিভাবে করবো?ভাবলাম ঢাকা অনেক বড় শহর ওখানে কোনো না কোনো চাকরি জুটবেই!যে ভাবা সেই কাজ।রাতের গাড়িতেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম।দুটো রুটি আর একটা কলা ব্যাগে নিয়েছি রাতে খাবার জন্য। . মধ্য রাতে ঢাকা পৌছে গেলাম।রাতের ঢাকা শহরটা বেশ উজ্জল।বড় বড় ইট পাথরের দেয়াল দেওয়া ঘরগুলো বেশ ভালোই লাগে দেখতে।রাতটা গাড়িতেই কাঠিয়ে দিলাম।খুব ভোরে রাস্তা ধরে হাটা শুরু করলাম।চারপাশে দেয়ালের দিকে তাকাচ্ছি বার বার।কিন্তু কোনো নিয়োগ বার্তা নেই।ভাবলাম কোনো একটা অফিসে ঢুকে যাই!কিন্তু এতো সকালে অফিস খোলেনি।ফুটপাতে দাড়িয়ে নাস্তা সেড়ে অফিস খোলার অপেক্ষা করছি। . -ভাই এটা কি অফিস?(আমি) -এটা ক্যাবেল অফিস।ডিস সাপ্লাই করা হয় এখান থেকে।(দারোয়ান) -ওহ।আমি গ্রাম থেকে এসেছি ভাই।এখানে একটা কাজ পাওয়া যাবে? -কেন যাবেনা?গেটের বাইরে দাড়িয়ে অফিস দেখাশোনার কাজটা করতে পারো তবে মাইনে হবেনা। -এটা কেমন কাজ ভাই?বেতন ছাড়া কি কাজ করা যায়? -যায়না।তুমি কি সহজে বুঝতে পারোনা?এখানে চাকরি ফাকরি হবেনা।এখান থেকে যাও। . লোকটার কথা শুনে আবার হাটতে শুরু করলাম।এরপর ধারাবাহিকভাবে কয়েকটা অফিসে ঢুকলাম কিন্তু নো ভ্যাকেন্সি বলে বের করে দিলো।দিনের আলোটা নিভে আসছে।এখনো দুপুরের খাবার হিসেবে পেটে কিছুই দিতে পারিনি।হটাৎ করেই মাথায় আসলো,রাতে থাকবো কোথায়?পরিচিত কেউতো নেই।গোসলটাও সাড়া হয়নি।রাত নেমে এলো।টাকার কমতি থাকায় ফুটপাত থেকে দুটো আলুর চপ কিনে খেতে খেতে হাটছি। . পথ ঘাট কিছুই চেনা নেই।রাত গভীর হতে থাকলো।একটু দূরে একটা ওভারব্রিজ দেখে মনে মনে ভাবলাম রাতটা ওখানেই কাটিয়ে দিব। . রাত আনুমানিক ১টা... . বসে আছি ওভারব্রিজের উপর।হটাৎ এক অপরুপা কোমর দুলিয়ে দুলিয়ে পাশে বসলো। -কিছে মামা, লাগবো?(মেয়েটি) -কি লাগার কথা বলছেন?(আমি) -ঢং করিসনাতো।আজ ধান্দা হয়নি।১০০ দিলেই হবে। -মানে কি?কি বলছেন আপনি? -আর মান বাড়াতে হবেনা বাবু।ঘর আছে?নাকি দিতে হইবো? -দেখুন,আমি আজই ঢাকায় আসছি।চাকরির জন্য।পারলে একটা চাকরি দিয়ে দেন।থাকার জন্য যা খরচ হবে তা আমার ইনকামের টাকা হাতে পেয়ে দিয়ে দিবো। . কথাটা শুনে মেয়েটি উঠে হাটা দিলো।ভাবলাম হয়ত পাগল!চুপচাপ কিছু সময় বসে আছি।হটাৎ সেই মেয়েটা আবার আসলো। . -তোর কথা শুনে মনে হলো তুই সত্যিই অনেক কষ্টে আছিস।কিন্তু তোকে চাকরি কিভাবে দিবো বল?আমিতো একটা বেশ্যা।রাতে আলাদা আলাদা পুরুষের কাছে সুতে হয়।কিছু টাকা দেয় ওটা দিয়ে পেট চলে।(মেয়েটা) -কোনো কিছু একটা ব্যাবস্থা করা যায়না?আপাতত থাকা খাওয়াটা জোগার করতে পারলেই হলো!(আমি) -আমিও অনেক কষ্টের পরে ঢাকাতে আসছিলাম চাকরির জন্য।কেউ সাহায্য করেনি।দুদিন দু'রাত না খেয়ে কাটিয়েছিলাম।একদিন রাতে ওভারব্রিজে বসে থাকতে থাকতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম তা নিজেই বলতে পারিনা!অতঃপর চোখ খুলে দেখলাম আমি একটা অপরিচিত পুরুষের সাথে।(কান্না বিজরিত কন্ঠে) . মেয়েটা বেশ কিছু সময় কাঁদার পরে চোখটা মুছে বলল, -চল।তোকে দিদির কাছে নিয়ে যাই! -কোন দিদি?(আমি) -আমি যার ওখানে কাজ করি। -মানে?আপনি না বললেন কাজ করেন না!মানে বেশ্যাবৃত্তি করে পেট চালান? -হ্যা রে।তবে আমাদের ঠিকানা ওটা।বাবুরা বাসায় যেতে বললে বাসায় যাই অন্যথায় রাস্তায় মোরগ খুজে বেড়াই। . মেয়েটা ওর দিদির কাছে নিয়ে যায় আমাকে।প্রায় এক সপ্তাহ পরে একটা লোকের সহযোগিতায় পিওনের চাকরি পাই।সেই বেশ্যার সর্দার আমার চাকরিটা পাইয়ে দিয়েছিলো।আমি এখন সেই অফিসের ম্যানেজার।ভুলিন ি পতিতাদের।পতিতা হলেও মনুষ্যত্বহীন


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পতিতা.
→ পতিতাবৃত্তি_।রোধ সম্ভব কি?
→ পতিতাবৃত্তি_।রোধ সম্ভব কি?
→ ইচ্ছে করে কেউ পতিতা হয় না
→ পতিতা
→ নামধারী (পতিতা)
→ পতিতা
→ এক পতিতার গল্প
→ পতিতা দর্শন-২
→ পতিতা দর্শন-১
→ পতিতা দর্শন-১
→ এক পতিতা মেয়ের গল্প
→ একজন পতিতার গল্প
→ নাসরীন আক্তার এর পতিতা হওয়ার কাহিনী
→ পতিতা পল্লী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now