বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রতিউত্তর

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☠Sajib Babu⚠ (০ পয়েন্ট)

X - আমার অপরাধ? গেইট দিয়ে ঢোকতে যাব,ওমনি কোনো রমনী এসে পথ আগলে দাঁড়ালেন। কিছু বুঝে উঠার আগেই কষে থাপ্পড় মেড়ে বসলেন। কিন্তু অপরাধ কি,আর কিসের জন্যই বা আমার মত নিরীহ একটা যুবক কে এভাবে অপমান! এটা জানা দরকার। আমি উনাকে প্রশ্ন করলাম। - আমার অপরাধ? - আমার বোনকে ডিস্টার্ব করা। যখন মনে হল কারো বোন কি কোনো মেয়ের সাথেই আমি এমন কিছু করিনি যে কেউ এভাবে আমাকে অপমান করবে। সঙ্গে সঙ্গে রমনীর নরম গালটা টমেটোর মত লাল করে ফেললাম। মেয়েটাকে দেখে মনে হচ্ছে মাথার রক্ত গুলা টগবগে ফুটছে। গালের সাথে চোখ দুটোও রক্তিম লাল সূর্যের মত হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে নিজের রাগ কন্ট্রোল করতে পারছে না। যে কোনো সময় প্রতিঘাত করবে। তাই আমি দুই এক পা পিছে সরে গেলাম। - আমাকে মাড়লেন কেন? - কেননা আমি কারো বোনকে ডিস্টার্ব করিনি। রমনী আর কিছু বলতে পারেননি, তার আগেই উনার ডিস্টার্ব ওয়ালী বোন এসে হাজির। - আপু এ তো সেই ছেলে না। - কি? আমি শুধু দর্শকের মত দুবোনের কথোপকথন শুনছি। যতটুকু বুঝতে পারছি উনি ভুলবশত আমাকে এসে থাপ্পড়টা মেড়েছেন। কিন্তু আমি ইচ্ছে করেই মেড়েছি। তবে মেয়েটাকে দেখে মনে হচ্ছে, বেপারটা সাধারণ ভাবে নেবে না। কিছু একটা গণ্ডগোল পাকাবেই। সেটাই হল। মেয়েটা আমার পাশে এসে বলল সরি, এবার আপনিও সরি বলুন। - পারব না। - কি? - হ্যা। - সরি বলবি কি না বল? - বলব না। বলেই আমি হাটা ধরলাম। রমনী পিছন থেকে অগ্নিদৃষ্টি স্থাপন করলেন। কিন্তু সেদিকে আমার কোনো ইন্টারেস্ট নেই। তবে মেয়েটা যে এটা হালকা ভাবে নেবে, সেটা মোটেও না। কিছু একটা অবশ্যই করবে। বিকেলে বের হয়েছি হাটতে। বাসার গেইট থেকে বের হতেই কালকের অগ্নি দৃষ্টি স্থাপনকৃত মেয়েটা সামনে এসে দাঁড়াল,পাশে বড় ভাই। - আজ আবার বড় ভাই নিয়ে! - স্বর্ণাকে সরি বল( বড় ভাই) - বলব না। (মেয়েটার নাম তাহলে স্বর্ণা) বলেই গেইট দিয়ে আবার বাসায় ঢোকলাম। নিজের ফ্লাটে না ঢোকে পাশের ফ্লাটে ঢোকে বড় বোনকে নিয়ে আসলাম। প্রতিউত্তর দিতে হবে তো। - আফরান কি হয়েছে রে?(বড়বোন) - আপু দেখ এই মেয়েটা কাল থেকে আমার পিছে আটার মত লেগে আছে। - এই মেয়ে আমার ভাইকে ডিস্টার্ব করছিস কেন,যাবি এখান থেকে?(বড়বোন) - আপনার ভাই ওকে সরি বলবে, না হলে ও যাবে না। (বড়ভাই) - হ্যা আপু ও সরি না বলা পর্যন্ত আমি এখান থেকে এক পাও নড়ব না। (রমনী) এখন ঝগড়া চলছে আমার বড়বোন এবং রমনীর বড়ভাই, এই দুজনে। মাঝপথে আমরা দুজন কেটে পড়েছি। তবে আমি সরি বলিনি। পরেরদিন ভার্সিটিতে যাওয়ার জন্য বের হয়েছি, তখনই চোখ গিয়ে সোজা পড়ল সামনের রিক্সার দিকে, যেখানে আমার পাশে ফ্লাটের বড়বোন ও স্বর্ণার বড়ভাই হেসে খেলে রিক্সায় চড়ে যাচ্ছে। যা দেখে আমি তো প্রায় হার্ট এট্যাক হওয়ার মত অবস্তা। কিন্তু তার আগেই কারো শক্ত লাঠির আঘাতে আমি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে গেলাম। যখন জ্ঞান ফিরল তখন নিজেকে হাসপাতালের বেডে আবিষ্কার করলাম। মাথায় হাত দিয়ে দেখলাম মাথাটা বাধা। তবে, পাশে একটা মেয়ে করুণভাবে কান্নাকাটি করছে। ঠিক তার মুখমণ্ডলটা আমি দেখতে পারছিনা। - কে গো রূপসী? আমার কথায় মেয়েটা চোখ তোলে থাকল। একি স্বর্ণা মেয়েটা দেখি। - আপনি কাঁদছেন কেন? - তুমি ঠিক আছ তো! - হ্যা। মেয়েটা নিরবে কেঁদেই যাচ্ছে, নদীর মত,যা বহমান। হঠাৎই কান্নাজড়িত কন্ঠে বলল আমি আপনাকে ভালবাসি! - কি?(আমি তো পুরাই বাকরুদ্ধ।) - আসলে তোমাকে মাড়তে ছেলেগুলা আমিই পাঠিয়ে ছিলাম। কিন্তু বুঝতে পারিনি এভাবে আমার মনের ভিতরে জায়গা করে নেবে। - ........নিস্তব্ধ। - কিছু বলছ না যে? আমি নিরবে একটা জিনিস চিন্তা করলাম।যে মেয়ে আমাকে মাড়তে ছেলেপুলে পাঠাতে পারে, এখন যদি না বলি তাহলে গলায় চুরি চালাতেও এক মুহূর্ত চিন্তাভাবনা করবে না। - কিছু বলছ না যে? - ভালবাসি। মেয়েটা প্রায় জড়িয়ে ধরে আছে। আর আমি চিন্তা করলাম কি এমন করলাম যে মেয়েটা আমাকে ভালবাসতে বাধ্য হল। - সরি বল? আমার ভাবনাটা শেষ হল স্বর্ণা মেয়েটার ধমকে। - কি হয়েছে? - সরি বল? অবশেষে রমনীকে সরি বলতেই হল। না হলে কি না কি করে বসে কে জানে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রতিউত্তর

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now