বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পরোপকারের ফল

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মানসূর আহমাদ (০ পয়েন্ট)

X হাইওয়ে রোডে চলতে থাকা একটা গাড়ি হটাৎ করে নষ্ট হয়ে যায়। গাড়ির মালিক অল্প বয়স্কা এক সুন্দরী মেয়ে। একে তো সন্ধ্যা তার উপর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। একা একটা মেয়ে গাড়ির পাশে এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে এক যুবক এগিয়ে আসলো তার দিকে। . আমার নাম জিসান। আপনার গাড়িতে কি কোনো প্রবলেম হয়েছে? . জ্বী হটাৎ করে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় এখন আর স্টার্ট নিচ্ছেনা! . আপনি দুশ্চিন্তা করবেন না, গাড়িতে গিয়ে বসুন আমি সাহায্য করছি। . ছেলেটা গাড়ির বনেট খুলে চেইক করলো, এবং সমস্যা ধরতে পেরে সেটা ঠিক করে দিলো। . মেয়েটা খুশি হয়ে ছেলেটাকে কিছু টাকা দিতে চাইলো। কিন্তু ছেলেটা টাকা নিতে অস্বীকার করলো। . এটা আমার প্রফেশন না তাই এই টাকা আমি নিতে পারবোনা। কোনো একদিন আমাকেও একজন এভাবে উপকার করেছিলো এবং বলে ছিলো সুযোগ আসলে যেন আমিও কারো উপকার করি এবং এই চেইন অফ হ্যাপিনেস টা ধরে রাখি। আপনিও কোনোদিন কারো বিপদ দেখলে সাহায্য করবেন এবং চেইন অফ হ্যাপিনেস টা ধরে রাখবেন। . মেয়েটা খুশি মনে বিদায় নিলো। অন্য একদিন মেয়েটা একটা কফি শপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো। হটাৎ লক্ষ্য করলো প্রায় সাত মাসের এক অন্ত সত্ত্বা মেয়ে কফি শপে কাজ করছে। মেয়েটা তাকে ডেকে কিছু স্নাক্স অর্ডার করলো।অন্ত:স্বত্বা মেয়েটা এত হাসি খুশি ভাবে কাজ করছে যে মুখ দেখে বোঝার উপায় নেই সে অন্ত: স্বত্তা কিনা! যাই হোক স্নাক্স গুলো নিয়ে গাড়িতে ওঠার আগে মেয়েটা টেবিলের উপর একটা খাম রেখে গেলো। . কফি শপের মেয়েটা ঘুরে এসে বিল নেয়ার সময় দেখলো বিলের পাশে একটা খাম রাখা আছে। মেয়েটা খাম টা খুলল। খামের ভিতরে দশ হাজার টাকা আর একটা ছোট চিরকুট রাখা। . মেয়েটা পড়তে শুরু করলো। তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি অন্ত: স্বত্তা! এই অবস্থাতেও তুমি কাজ করছো! বুঝতে পারছি টাকা গুলো তোমার দরকার। আমি কে জানার দরকার নাই। যদি পারো অন্য কারো বিপদে তাকে সাহায্য করে এই চেইন অফ হ্যাপিনেস টা ধরে রেখো। . কাজ শেষে মেয়েটা খামসহ ঘরে ফিরলো। ঘরে ঢুকে দেখলো তার স্বামী চিন্তিত মুখে বসে আছে। মেয়েটা পেছন থেকে স্বামীকে জড়িয়ে ধরে বলল। তোমাকে আর চিন্তা করতে হবেনা। আমার ডেলিভারির টাকা জোগাড় হয়ে গেছে। আই লাভ ইউ মাই হাসবেন্ড জিসান। . জিসান! চিনেছেন তো? . যদিও গল্পটা বেশ পুরানো তবে এই সাধারন একটা গল্পকে চাইলেই আমরা অসাধারন করে তুলতে পারি। চেইন অফ হ্যাপিনেস শুরু হোক এখান থেকেই। শেয়ার করুন, এবং ডিসিশন নিন কারো উপকার করে প্রতিদান না বরং তাকে বলে দিন চেইন অফ হ্যাফিনেস টা ছড়িয়ে দিতে। বিশ্বাস করুন যে ভালোবাসা আপনি ছড়িয়ে দিচ্ছেন ঘুরে ফিরে একদিন তা আপনার কাছেই আবার ফিরে আসবে। অবশ্যই আসবে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পরোপকারের ফল

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now