বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অামরা পৃথিবীর মাঝে বসবাস করতে গিয়ে কতই না ঘটনা দেখে বা শুনে থাকি।কিন্তু অাজ অামি যে ঘটনাটির কথা বলব তা প্রায় সকলের জীবনের মাঝে কম্পন সৃষ্ঠি করবে ।তবে হ্যাঁ যদিও কোন গল্প লিখার মাঝে লেখকের পরিচয়টা তুলে ধরাটা খুব একটা ভালো নয় তবু ঘটনাটির সত্যতা যাচাই এর তাগিদে আমার পরিচয়টা দিলাম ।আমার নাম মো:আবুল কালাম আজাদ,গ্রাম:বলরামপুর,থানা:কাহারোল,জেলা:দিনাজপুর।আমাদের গ্রমের পাশে অবস্থিত এক খুদ্র গ্রাম নাম তার হিদুডাঙ্গা সেখানে বসবাস করত কিছু পরিবার তাদের মধ্যে দুটি পরিবার যাদেরকে ঘিরেই অামার এ গল্প।মাত্র কিছু দিন আগে সংঘঠিত হওয়াএক বন্যা অথাৎ ২০১৭ সালের ৮ ই আগষ্ঠের বন্যা । এই বন্যার কারনে অনেক কেই বাড়িঘর ছেড়ে আাশ্রই নিতে হয়েছিল বিভিন্ন রকম প্রতিষ্ঠানে ।এ সময় এই পরিবার দুটির অথাৎ রহমানের পরিবারের ৩ {১২(মেয়ে),৯(ছেলে),৭(মেয়ে)}সন্তান সহ তার স্তী/বৌ(নাম:সোনা বেগম) ও সায়েদের পরিবারের এক ৭ বছর বয়সি সন্তানও আশ্রই নিয়েছিল গ্রামের পাশের এক মাদ্রাসাই।কিন্তু দূরভাগ্য যে এ সময় রহমান ও সায়েদ ২ ভাইয়ী কুমিল্লাতেই ছিল ।২ পরিবারের ৫ সদস্য (সোনা ও তার ৩সন্তান এবং সোনার দেবরের ১ ছেলে) মিলে যখন মাদ্রাসাই অবস্থান করছিলেন তখন রহমানের বড় মেয়ে তাদের বাসায় গিয়ে ঘরের ভিতরে পায়েস রান্না করে খাবার বায়না করে ।অবুঝ মেয়ের বাইনা রাখতে মায়ের মনে বন্যা আর বন্যা মনে হলনা ।সে(সোনা) তার ছোট ছোট ৩ সন্তান ও সায়েদের এক সন্তান কে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্য চলা শরু করে যখন কিনা রাস্তা উপরেই কমর পযর্ন্ত পানি ।মাদ্রাসা থেকে সোনাদের বাসাই যাবার রাস্তাটিতে ছিল যথেষ্ঠ বাক ,তাই সোনা তার ছোট মেয়েকে ঘাড়ে ও দেবরের ৭ বছর বয়সি ছেলেটিকে কোলে করে আর বাকি ২জনকে হাতে ধরে পথ চলছিলো ।কিন্তুু রাস্তার উপর দিয়ে স্রোত চলাই সোনা রাস্তার বাক বুঝতে না পেরে রাস্তার বাইরে পড়ে যাই ।সোনা সাতার না জানা সত্তেও অনেক কষ্ঠ করে রাস্তাই উঠে এসে চিৎকার করে ফলে গ্রাম বাসিরা সেখানে ছুটে যাই কিন্তু কাউকে জীবিত অবস্থাই উঠাতে পারেনি।উদ্ধরকৃত লাশ গুলোকে ১দিন পরে রহমান ও সায়েদ আসার পর দাফন করা হয়। অবুঝ মেয়ের নির্রবুঝ বায়না রাকতে গিয়ে কোল শূন্য হতে হল সোনাকে যদিও তার দেবরের আরো একটি সন্তান ছিল কিন্তুু সোনার তো কোন সন্তান থাকল না।এ সবের কারনে আজ হয়তো অনেকেয় সোনাকে দোসারোপ করছেন কেন সে এত বন্যায় তাদের নিয়ে বেরিয়ে গেল ? এই ভেবে ।কিন্তুু অন্য দিকে এক বার ভেবে দেখুন তো সোনার বাড়ি যাবার পিছনের কারন কি সে তো তার সন্তানদের ভালোবাসার কারনেই এক বন্যা হবার পরেও সন্তানের বায়না পূরন করতে চেষ্ঠা করছিল। কোন প্রকৃত বাবা,মা বা সন্তান সোনাকে দোষারোপ করতে পারেনা ।আজ যদি আমরা সোনার জায়গাই থাকতাম তাহলে আমরা বুঝতাম সোনার বুকফাটা আতর্নাদ তার নিসন্তান থাকার বেদন । এই ছিল আমার আজকের বাস্তব গল্প
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now