বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
১ম পর্ব!!
রাফিদ অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র। তার বয়স ২৮-২৯ বছর হয়ে গিয়েছে। তার বয়সের সবাই এখন পড়া লেখা শেষ করে ভালো চাকরি করে। কিন্তু সে গত ৬ বছর অব্ধি ৪র্থ বর্ষেই রয়ে গিয়েছে। শিক্ষকরা তাকে প্রমোশন দিতে চায় কিন্তু সে নিতে চায় না। সে কোন বছর পরিক্ষাই দেয় না আবার কোন বছর শূন্য খাতা জমা দিয়ে এসে পড়ে। এক কথায় শিক্ষকগণ যে তাকে নাম্বার দিবে সে পরিস্থিতিই সে রাখে না। আর যদি তাকে পাশ করা ছাড়াই প্রমোশন দিতে চায় সে নেয় না। সে বলে যেদিন সে পাশ করতে পারবে সেদিনই সে প্রমোশন নিবে।
তবে তার ব্যবহার অনেক ভালো। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৯০% শিক্ষার্থীই রাজনীতি নেশা,গুন্ডামি ইত্যাদির সাথে জড়িত। কিন্তু সে এই সমস্ত কোন কিছুতেই নেই। এক কথায় তার মতো ভদ্র ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ও নেই। যার কারণে এখন পর্যন্ত সে বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকে আছে। না হয় এতোদিন তাকে গাঁড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়া হতো। তবে হ্যা আরো একটা ব্যপার পৃথিবীতে তার কেউ নেই। সে নিজে চাকরি করে নিজের খরচ চালায়। তার চাকরিটাতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় তার যেতে হয় তাই তার অনেক পরীক্ষা/ক্লাস মিস হয়। এই কথাও শিক্ষকগণ যানেন। তাই তাকে কিছু বলেন না।
কি ভাবছেন??? সে দুর্বল ছাত্র??? যার কারণে খালি খাতা জমা দেয়??? একই বর্ষে বার বার রয়ে যায়।
যদি ভেবে থাকেন আপনি ভুল ভাবছেন।
আর মাত্র ২সপ্তাহ পর তার বার্ষিক পরীক্ষা। সে পরীক্ষার জন্য দিন-রাত খেটে যাচ্ছে। শিক্ষকগণ ও তাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করছেন। এইবার সবার ধারণা সে পাশ করে প্রমোশন নিয়ে নিবে।
যথারীতি পরীক্ষার দিন আসলো। পরিক্ষার সময় আধাঘণ্টা শেষ। দায়িত্বরত শিক্ষক এনাম সাহেব এদিক-সেদিক তাকালেন। তাকে দেখেই বুঝা যাচ্ছে সে খুব চিন্তিত। তার আর মন মানছে না। তাহলে এবারো কি ছাত্রটা প্রমোশন নিতে পারবে না!! না! না! এ হয় না। তিনি পিওনকে ডেকে বললেন:- দ্রুত খোজ নেও রাফিদ কোথায় আছে।
পিওন ১০মিনিট পরে এসে বলল:- স্যার!! রাফিদ ভাইরে তো সব হানে খুইজ্জা দেইখা হালায়সি কিন্তু কোনানে পাইনি।
এনাম সাহেব মাথায় হাত দিয়ে বসে পরলেন।
৬দিন পর।
এনাম সাহেব নিজ বাসার ইজি চেয়ারটাতে বসে পত্রিকাটা হাতে নিলেন। প্রথম পেজ খুলতেই তার চোখগুলো বড় বড় হয়ে গেল। তিনি আঁৎকে উঠলেন। পত্রিকাটির হেডলাইনেই একটা খুনের নিউজ। নিচেই বড় করে একটা ছেলের লাশের ছবি। আনুমানিক ছেলেটির বয়স ২৮-২৯ বছর হব্র। যাকে খুন করে একটা ঝোপের মাঝে ফেলে দেয়া হয়েছে.................
চলবে...............
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now