বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রেমময়,,,,, পর্ব (৫)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md mainul islam (sagor) (০ পয়েন্ট)

X লেখিকা - Polok Hossain পলক হোসাইন ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ -আমার বিশ্বাস হচ্ছে না অরু,তুমি একটা সাধারণ টিকটিকিকে ভয় পাও! এই বলে উদয় হাসতে লাগলো।অরনিতা বললো- -অরু না।অরনিতা বলুন। -ঠিকাছে,অরনিতা।কিন্তু আমার কাছে এখনো হাসি পাচ্ছে। -হাসুন।হাসি ছাড়া আর তো কিছুই জানেন না! -উহু।ভুল বললে।হাসি ছাড়া আমি আরও অনেক কিছুই জানি। -তাই নাকি।সেগুলো কি! -রোমান্স করতে। -ছি:..আপনিও না..অসহ্য। -জানো,আমি এমন একটা বাসর কল্পনা করে রেখেছিলাম যেখানে বউ ঘোমটা মাথায় আমার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকবে।মুখে তার লজ্জার রক্তিমা মেশানো থাকবে।আমি কাছে এসে তার ঘোমটা খুলবো এবং সে লজ্জা পেতে থাকবে।আমি তার হাত স্পর্শ করবো এবং সে লজ্জায় মুখ লুকোতে চাইবে। অরনিতা এক চোখের ভ্রু উঁচু করে উদয়ের দিকে তাকিয়ে রইলো।উদয় ওর ভঙ্গি দেখে বললো- -কি হলো!অবাক লাগছে?অবাক লাগলেও এইটাই সত্যি।কিন্তু বাস্তবটা হয়েছে আমার কল্পনার উল্টোটা।বাকি ইতিহাস আর নাই বা বললাম। অরনিতা বললো- -হয়েছে,থামুন।আপনি যেগুলো বলছেন ওসব শুধু সিনেমার কাহিনীতে হয়। উদয় অন্যদিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে বললো- -বাস্তবেও হতো যদি না বউটা হিটলার না হতো। অরনিতা উদয়ের কথা আন্দাজ করতে পারায় উদয়কে বললো- -কি বললেন আপনি? -তুমি না শুনে থাকলে কিছুই বলি নি।কিন্তু শুনে থাকলে অনেক কিছুই বলেছি। অরনিতা উদয়ের দিকে তাকিয়ে রইলো।হঠাৎ অরনিতার কাছে মনে হলো কটু গন্ধযুক্ত কিছুর গন্ধ আসছে।নিকোটিনের ধোয়ার মতো একটা ঘ্রাণ।অরনিতা বললো- -শুনুন,একটা পোড়া পোড়া গন্ধ পাচ্ছেন!মনে হচ্ছে আপনার কাছ থেকেই আসছে। -কিসের গন্ধ? -সিগারেট টাইপ গন্ধ। অরনিতা কিছুক্ষণ এদিকওদিক তাকিয়ে নাক কুঁচকে বললো- -সর্বোনাশ!আপনি সিগারেট খান না তো! -মাথা খারাপ।আমি এসবের ধারের কাছেও যাই নি কখনো। -দেখুন,মিথ্যে বলবেন না।আপনি ধরা খেয়ে গেছেন।গন্ধটা আপনার কাছ থেকেই আসছে।নিশ্চয়ই বাহিরে থেকে সিগারেট খেয়ে ঘরে ঢুকেছেন। -কি আজব।বললাম তো এসব আমি খাই না। -আপনি মিথ্যে বলছেন।আপনি এগুলো খান।ভেবেছিলাম এইরকম একটা বর পাবো যে কখনো স্মোকিং করবে না।কিন্তু না।এইদিক দিয়েও আমার ভাগ্য খারাপ। উদয় এইবার বানিয়ে বানিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করলো।অরনিতার কথাগুলো শুনতে মন্দ লাগছে না। উদয় বললো- -শুধু সিগারেট না।মদ,গাঞ্জা সব খাই। অরনিতা মিন মিন করে বললো- -আগেই জানতাম।আপনি একটা নেশাখোর।নিশ্চয়ই প্রেমিকার কাছ থেকে ছ্যাকা খেয়ে এইসব খাওয়া শুরু করেছিলেন।এরপর আর ছাড়তে পারেন নি।ঠিক বলেছি না? -একদম ঠিক বলেছো। অরনিতা এইবার ভাব ধরে বললো- -আপনি নিজেও জানেন না,আপনি কতো ভদ্র একটা মেয়েকে বিয়ে করেছেন যে এতোকিছু জেনেও আপনাকে সহ্য করে যাচ্ছে। -তুমি নিজেকে নিজে ভদ্র মেয়ে ভাবো!সিরিয়াসলি? এই বলে উদয় হাসতে শুরু করলো।অরনিতা বললো- -আমি শুধু ভদ্রই না।মাত্রাধিক ভদ্র।কোনো সন্দেহ আছে! উদয় বললো- -ভদ্রর সাথে ভীতু কথাটা বাদ দিলে মানায় না।টিকটিকি ভয় পাওয়া ভীতু হিটলার তুমি। -দেখুন,আমি এখন মোটেও ঝগড়া করার মুডে নেই। -আমি কি তোমাকে বলেছি ঝগড়া করতে? -আপনি আমাকে রাগিয়ে দিচ্ছেন।যার ফলাফল হবে ঝগড়া। এমনসময় রুমের দরজায় কড়া নড়লো।উদয় দরজা খুলে দেখলো হালিমা দাঁড়িয়ে আছে।হালিমা বললো- -আপনাগো খাইতে ডাকতাসে। -আসছি এক্ষুনি। . . নিহিলা ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।নিহিলার মামাতো বোন দুটি নিহিলার সাথেই ঘুমায়।ওদের একজনের নাম জবা,আরেকজনের নাম জুই।জবা ক্লাস টেন এ পড়ে।জুই ক্লাস সেভেন এ পড়ে।নিহিলা খায় নি।ইদানীং রাতে না খেয়ে ঘুমানোটা অভ্যাস হয়ে গেছে। জবা আর জুই দুইজনেই সজাগ।ওরা শুয়ে শুয়ে একজন আরেকজনের সাথে গল্প করছে।নিহিলা আপুর বিয়েতে কে কিভাবে সাজবে এইটাই ওদের গল্পের বিষয়বস্তু।জবা বলছে- -জুই,গায়ে হলুদের দিন তুই আর আমি একইরকম শাড়ি পরবো। জুই বললো- -শাড়িটা কি রংয়ের হবে রে আপু? -লাল পাড়ের সাদা শাড়ি।একেবারে বাঙালি সাজ দিবো দুজন। -চুরি আর টিকলি এর একটা নথও পরবো কিন্তু। -হ্যা।এইগুলোও লিস্টে থাকবে।মা আর ফুপি কাল মার্কেটে যাবে।এইগুলোর একটা লিস্ট বানিয়ে রাখবি। -জবা আপু,তোকে দেখে রুমন স্যার পাগল হয়ে যাবে রে। রুমন স্যার ওদের প্রাইভেট টিউটর।সে বাসায় এসে জবা আর জুই দুজনকেই পড়ায়।জবা তাকে খুব পছন্দ করে।তবে রুমন স্যার করে কি না তা সে জানে না। রুমন স্যারের কথা উঠতেই জবা জুইয়ের মুখ চেপে ধরে ফিসফিসিয়ে বললো- -আস্তে কথা বলতে পারিস না?নিহিলা আপু পাশে শুয়ে আছে সেই খেয়াল আছে? জুই দাত দিয়ে জিব কেটে বললো- -সরি আপু,সরি।ভুলে মুখ পিছলে বলে ফেলেছি। -এইরকম ভুল যেন ভুলেও না হয় তোর।নয়তো আমি তোকে শেষ করবো আর সবাই মিলে আমাকে শেষ করবে। নিহিলা এতোক্ষণ ওপাশ ফিরে শুয়ে ছিলো।সে চিন্তা করছে নিজের কথা।বাস্তবতাকে প্রতিটা মানুষের মেনে নিতে হয়।সেই বাস্তবতা মানুষকে বদলে দেয়।তখন মানুষ যদি তার ভাগ্যের মোড় না ঘুরিয়ে আগের অবস্থানেই পরে থাকে তাহলে সেটা হয় তার নিজের ব্যর্থতা।সুতরাং নিহিলাকেও এগিয়ে যেতে হবে।মেনে নিতে হবে বাস্তবতাকে।নিহি লা ভাবছে ওর বিয়ে হয়ে গেলে মা একা পরে থাকবে এই মামাবাড়িতে।মাকে একা রেখে কি করে পরবাড়িতে থাকবে সে!মা এইখানে একা একা থাকবেন।হয়তো একসময় মেয়ের কথা মনে করে একা একা বসে কাঁদবেন।মেয়ের চিন্তায় নিজের প্রেশার বাড়িয়ে তুলবেন।তখন রোগ বালাইয়ে নিজেকে নিজে জর্জরিত করে ফেলবেন।এসব চিন্তায় নিহিলার ঘুম আসছে না।কেমন যেন ভয় ভয় লাগছে।রাতের অন্ধকারটাকে দেখলে সেই ভয় আরও বেড়ে যায়। নিহিলা খেয়াল করলো জবা আর জুই না ঘুমিয়ে ফিসফিসিয়ে একজন আরেকজনের সাথে গল্প করছে।নিহিলা বললো- -কখন থেকে শুনছি দুজন বক বক করেই যাচ্ছিস!এইবার কি থামবি?ঘুম নেই তোদের চোখে? জুই বললো- -তুমিও ঘুমাও নি? -তোদের ফিসফিসানির শব্দে কি ঘুমানো যায়? -তুমি ঘুমাও তো আপু।আমাদের কথা এখনো শেষ হয় নি।কথা শেষ হোক এরপর ঘুমাবো। -কিসের এতো কথা তোদের? জবা বললো- -তোমার বিয়ে নিয়ে আমি আর জুই প্ল্যানিং করছি।তোমার গায়ে হলুদে আমরা দুজন এক রঙের শাড়ি পরবো আর বিয়ের দিন পরবো লেহেঙ্গা। -রাত কয়টা বাজে সেই খেয়াল আছে!সকালে দুজনের স্কুল আছে।আর একটা কথা না।দুজনে ঘুমিয়ে পর। জবা আর জুই ঘুমিয়ে পরার ভান করলো।নিহিলা ঘুমোতে চেষ্টা করছে কিন্তু পারছে না। . . অরনিতা আর উদয় পাশাপাশি শুয়ে আছে।তবে দুজনেই দুজনের উলটো দিকে মুখ ঘুরিয়ে শুয়েছে।এমনসময় অরনিতার ফোনে কল আসলো।মা ফোন দিয়েছে।অরনিতা উঠে ব্যালকুনিতে গিয়ে ফোন রিসিভ করলো। -হ্যালো মা.. -কেমন আছিস অরনিতা?জামাই কেমন আছে? -আমরা ভালো আছি।তোমরা কেমন আছো? -ভালো আছি।কেমন লাগছে ওখানে?কোনো অসুবিধে হচ্ছে না তো! -সবই ঠিকঠাক আছে মা। -নতুন পরিবেশ মানিয়ে নিতে প্রথম প্রথম একটু অসুবিধে হবে।কিন্তু পরে সব ঠিক হয়ে যাবে। -জানি মা।তুমি চিন্তা করো না।কাশফিয়া কেমন আছে? -কাশফিয়া ভালোই আছে।তবে তোর জন্য ও খুব মন খারাপ করে।কিন্তু আমাকে সহজে বুঝতে দেয় না।পাগলীটা জানে না যে আমি সব বুঝি।তোর বোনটা তোর মতোই হয়েছে।সবকিছু চেপে রাখে।কাউকে কিছু বুঝতে দেয় না। -কাশফিকে ফোনটা দাও। -ও ঘুমিয়ে পরেছে। -জানো মা,এইখানে আমার একটুও ঘুম হয় না। -ধীরে ধীরে সব ঠিক হয়ে যাবে। মায়ের সাথে কথা বলতে গিয়ে অরনিতার কান্না পাচ্ছে।আরও কিছুক্ষণ কথা বলে গেলে হয়তো ফোন কানে ধরেই চিৎকার করে কেঁদে বসবে।শ্বশুরবাড়িতে অবস্থানরত মেয়ের কান্নাকাটি কোনো মা-ই কখনো সহ্য করতে পারবেন না।অরনিতা নিজেকে সামলে নিয়ে বললো- -মা,এখন রাখি।আমার ঘুম পাচ্ছে। এই বলে অরনিতা ফোন কেটে দিলো।ফোন রাখার সাথে সাথেই কান্নাগুলো দরদরিয়ে চোখ থেকে গড়িয়ে পরলো নিচে।ব্যালকুনি থেকে আকাশের চাঁদটা দেখা যায়।চাঁদের দিকে তাকিয়েই অরনিতা কান্না করতে লাগলো।চোখের এই পানি যেন শেষ হবার মতো নয়।যতোই মোছা হচ্ছে ততোই পরছে।চোখ গলে ঝড়না পরছে।এই কান্নাগুলোতে কোনো কষ্ট নেই,কোনো দু:খজর্জরিত কাহিনী নেই কিন্তু প্রিয়জনদের দেখতে না পারার আকাঙ্ক্ষা ও ভালোবাসা এই কান্না নামক পানির মাধ্যমে ফুটে উঠছে। অরনিতা চোখ মুছতে মুছতে রুমে গেলো।উদয় এতোক্ষণে এপাশ ফিরে চোখ বুঝে শুয়ে ছিলো।চোখের পাতা হাল্কা উঁচিয়ে অরনিতাকে দেখার চেষ্টা করলো।উদয় লক্ষ্য করলো অরনিতা কাঁদছে।চোখে মায়াময় কান্নাগুলো দেখে ইচ্ছে করছে অরনিতাকে জড়িয়ে ধরে আদরের পরশ বুলিয়ে ওর কান্নাময় চোখগুলোকে শান্ত করে দিতে।ইচ্ছে করছে ওকে আদরের চাদরে মুড়িয়ে ওর কষ্টটাকে নিভিয়ে দিতে।অরনিতা শুয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো।উদয় চোখ খুলে তাকিয়ে দেখলো অরনিতা ওপাশে মুখ ঘুরিয়ে শুয়েছে।হয়তো কাঁদছে।আপনজনদের কথা মনে করে চোখের মায়াময় কান্না ওর শান্ত চেহারাটাকে ভাসিয়ে অশান্ত করে দিচ্ছে। . . সকালের সূর্যটা যখন ঘরে আসতে চায় তখন তাকে আসতে দেওয়া উচিত।আধারের ক্লান্তি পরিষ্কার করে নিয়ে যাওয়া এই রোদেলা সকালটা প্রতিদিনের মতো আজও চমৎকার লাগছে।নিহিলা জানালাগুলোর কপাট খুলে দিলো।জুই আর জবা দুজনেই স্কুলে চলে গেছে।মা মামীর সাথে গিয়েছেন মার্কেটে।টুকটাক কেনাকাটা করার জন্য।মামা আর ভাইয়া কেউই বাসায় নেই।সবাই সকালে নাস্তা খেয়ে একজনের পর একজন বেড়িয়ে গেছে।শুধু নিহিলা আর কাজের মেয়ে সাবেরা বাসায়।কিছুক্ষণ আগেই এক কাপ ধোয়া ওড়ানো চা খেয়েছে নিহিলা।আবারও এক কাপ চা খেয়ে নিতে ইচ্ছে করছে।নিহিলা সাবেরাকে ডেকে বললো- -এক কাপ চা বানিয়ে নিয়ে আয় সাবেরা।প্রচন্ড মাথা ধরেছে। সাবেরা এসে মিটিমিটি হেসে বললো- -ক্যানবুবু!কাল কি ঘুম হয় নাই?সারারাত জাইগা জাইগা কার কথা চিন্তা করসেন?আমাগো হবু দুলাভাইয়ের কথা? নিহিলা বললো- -ইদানীং অনেক কথা বলিস তুই।যা বলেছি তা কর। সাবেরা তো চা আনতে গেলোই না।উলটো নিহিলার পাশে বসলো।মনে হচ্ছে এই সম্পর্কে আরও বাড়তি কথা জানতে চায় সে।ঠিক তাই হলো।সাবেরা বললো- -বুবু..দুলাভাইয়ের ছবি দেখসেন? নিহিলা বললো- -হুম। -দেখতে কেমুন লাগসে? -ভালোই।তোর যদি পছন্দ হয় তাহলে মামাকে বলবো তার সাথে তোর বিয়েটা দিয়ে ফেলতে।বিষয়টা কেমন হবে? -বুবু! -সত্যি বলছি।পছন্দ হলে বলতে পারিস.. সাবেরা বললো- -কি কন এইগুলি! -ঠিকই তো বলেছি।আমার চেয়ে তোর আগ্রহ বেশী।তাই এই বিয়ে আমার বদলে তুই করে ফেল।বিয়ের দিন আমার শাড়ি তুই পরে থাকবি।লম্বা ঘোমটা দিয়ে মুখ ঢেকে রাখবি।কেউ চিনতে পারবে না।এরপর ওই ছেলের সাথে তোর বিয়ে হয়ে যাবে।আর আমি হাফ ছেড়ে বাঁচবো। সাবেরা ফিক করে হেসে দিলো।নিহিলা বললো- -কি হলো?হাসছিস কেন? -আপনের কথা শুইনা।তয় দুলাভাইরে ছবিতে দেখসি।আমার কাসে খুব ভালা লাগসে। -ভেরী গুড।মামা আসলে বলবো আমার বদলে তোকেই বিয়ে দিতে। সাবেরা হাসতে হাসতে বললো- -হ..বুবু।আমি রাজি। নিহিলা বললো- -অনেক কথা হয়েছে।এইবার যা তো চা নিয়ে আয়।তোর আরেকটা বেশী কথা শুনলে আমার মাথা আরও ধরে যাবে। -যাইতাসি বুবু। কলিং বেল বাজছে।নিহিলা উঠে গিয়ে দরজা খুললো।দরজার সামনে সাতাশ আটাশ বয়সের একজন ছেলে দাঁড়িয়ে আছে।পরনে কালো শার্ট।জিন্স আর চোখে সানগ্লাস।অবাক করে দেওয়ার মতো সুদর্শন।নিহিলা হয়তো ছেলেটিকে চিনতে পেরেছে।নিহিলার সাথে বিয়ে ঠিক করা ওই ছেলেটির ছবির সাথে এই ছেলেটির চেহারায় অনেক মিল।এর মানে কি সে হেমন্ত নামের ওই ছেলেটি যার সাথে মামা ওর বিয়ে ঠিক করেছেন!!! To Be Continued.


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রেমময়,,,,, পর্ব (৫)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now