বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

♥প্রেম যমুনায়- মাঝি ও আমি♥পর্ব-৩♥

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ আনিছুর রহমান লিখন (০ পয়েন্ট)

X লেখকঃ মোঃ আনিছুর রহমান ( নিজ ) প্রকাশনাঃ হ্যামক ট্যুরিজম বিডি শ্রেণীঃ উপন্যাস প্রকাশকালঃ ২০১০ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥পর্ব-৩♥ ভালবাসার বাঁধনটা মেতে রইল পুরোটা বছর। সাগর-মাধবী যেন এক অভিন্ন প্রাণ। এই ভালবাসা যেন তারাই প্রাপ্য। কিন্তু ফলাফলটা হলো ভিন্ন। শেষ পর্যন্ত ঘটনাটি মানিক মোল্লার কানে গেল। তিনি এমনিতেই রাগী মানুষ। ঘটনাটি জানার পর তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলেন। কারণ আঃ করিম শেখ বরাবরই মানিক মোল্লার দূর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে আসছে। মানিক মোল্লা তাকে শত্রু বলে তার মনের বেড়াজালে আবদ্ধ করে রেখেছে। তাই সে গর্জে উঠে বলে, - শত্রুর ছেলে সাথে...... ছিঃ ছিঃ আমি ভাবতেই পারি না। আমার মাইয়া হইয়া কি না শত্রুর ছেলের সাথে মিশে! আমি যদি তোরে সাগরের সাথে মিশতে দেখি তাহলে দুইটারে কাইটা গাঙে ভাসাই দিমু। নিলজ্জ মাইয়া কোনহানকার? আমার সম্মান ধূলায় মিশাইয়া দিতে চাস। মানিক মোল্লা মাধবীর কলজে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। মোল্লা তাকে নজরবন্ধী করে রাখে। ওদিকে সাগর মাধবীর জন্য ছটফট করতে থাকে। কত দিন হলো মাধবীর দেখা নেই। কলেজেও আসছে না। কি করবে সাগর? গভীর রাত। মাধবীকে এক নজর দেখার জন্য সাগর মাধবীর বাড়িতে যায়।কেউ কিছু জানে না। এমনকি মাধবীর দাদীও। মাধবীকে না দেখে সাগর এক মুহূর্ত থাকতে পারে না। সে যেন তার জান। জানই বটে। সাগর মাধবীর ঘরে প্রবেশ করে। মাধবী ও তার দাদী একসাথে থাকত। ছোট বেলায় মাকে হারিয়ে দাদীর কাছে বড় হয়েছে মাধবী। তার দাদী মায়ের অভাব কোন দিন বুঝতে দেয় নি। ইতিমধ্যে একটি মজার ঘটনা ঘটে গেল। সাগর মাধবীর দাদীকে মাধবী ভেবে বলছে তাকে না দেখার অতৃপ্ত মনের কথাগুলি। - মাধবী, এই মাধবী? বাইরে এসো কথা আছে। - (কাঁথার নিচে দাদী) গোলামের বেটা গোলাম। আমারে মাধবী মনে করছস। মনে করছস আমি কিছু বুঝি না। আর মাধবী তো নাক ডেকে ঘুমাইতেছে। - এমন করছো কেন মাধবী? জানো মাধবী? তোমাকে না দেখলে আমি তৃপ্তি পাই না। - ওওও, ঢং দেখে বাঁচি না! (দাদী)। - প্লিজ আসো না বাইরে। - গোলাম রে গেলি। হঠাৎ একটু আলো ঠিকরে পড়ে সাগরের উপর। রাতের অন্ধকারে তেমনটা ঠাহর করা যায় না। সাগর চলে যেতে বাধ্য হয়। সাগর চলে যায় চুপিচুপি। ভোর বেলা। মাধবীর দাদী হাসছিল অনেকক্ষণ ধরে। সামনে মাধবীর কলেজের টেস্ট পরীক্ষা। সে পড়তে ছিল। তার দাদীর অট্টহাসিতে বিরক্তি হয়ে বলে উঠল, - কি বুড়ি? পাগল হয়ছো নাকি? - পাগল নারে। না হেসে বাঁচি না। - কি জন্য হাসতাছো? - সাগর আমারে তুই ভেবে কত কিছু বলল? - ওওও। - কতদিন ধরে চলছে এসব? মাধবীর দাদী রাতের সব ঘটনা খুলে বলে। চমকিত পলকে মাধবী বুঝে নেয় সাগরের কথাগুলো। আর এই ভেবে হাসতে থাকে। হাসি আর থামছে না। মানিক মোল্লার ফজর নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরেছে। মেয়েকে এভাবে হাসতে দেখে ধমক দিয়ে বলে, - নিলজ্জ, বেহায়া, বেশরম মাইয়া কোনহানকার? পড়াশুনা বাদি দিয়া খালি রঙ তামাশা করো। সময় পাইলেই হাসাহাসি! ঘরে যা পড় গিয়া। ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ চলবে..........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now