বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
♥প্রেম যমুনায়- মাঝি ও আমি♥পর্ব-১৪♥ রোমান্টিক পর্ব।
X
লেখকঃ মোঃ আনিছুর রহমান (নিজ)
প্রকাশনাঃ হ্যামক ট্যুরিজম বিডি
শ্রেণীঃ উপন্যাস
প্রকাশকালঃ ২০১০
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
♥পর্ব-১৪♥
সাইদের মার সাথে পরিচয়ের পর্ব শেষ হলো মাত্র।
- তোমাকে চেনা চেনা লাগছে, কোথায় যেন দেখেছিলাম?
- হয়ত আন্টি আপনি আমাকে আপনার কোন রিলেটিভের সাথে মিলিয়ে ফেলছেন। এই প্রথম আমি আপনার সাথে পরিচিত হচ্ছি।
- যাই হোক। তোমরা ফ্রেশ হয়ে নাও। আমি তোমাদের জন্য একটু জল খাবারের ব্যবস্থা করছি।
- না, আন্টি। আমি এখন সাইদের সাথে একটু বেরুব। আপনার বাড়ির চারপাশটা ঘুরে দেখব। আমার কাছে আপনাদের ফুলের বাগানটি খুউউব ভাল লেগেছে।
- চল্ সাইদ। উঠ্ নারে.....।
- ভাইয়া আমিও তোদের সাথে যাব (অপরাজিতা)।
- আনিছ তুই অপরাজিতার সাথে ঘুরে দেখ্। আমি ক্লান্ত। এখন একটু বিশ্রাম নিব।
- ( মনে মনে ভাবছি ) এমন একটা সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। অপরাজিতাকে একা পাব ভাবতে পারি নি। সাইদ এ সুযোগটি করে দিল। ধন্যবাদ সাইদ।
চারপাশে সবুজে ঘেরা তেপ্রান্তর। মনের মাধুরী দিয়ে গড়া বাড়িটির সামনে প্রকাণ্ড একটি ফুলের বাগান। লাল, নীল, হলুদ, বেগুনি ফুলে আচ্ছাদিত বাগানটি। বাগানে আমি ও অপরাজিতা। দু'জনের মধ্য চলছে কথোপকথন আর মিষ্টি মৃদু হাসির আড়ালে চোখের পলকের হাতছানি।
- নীল শাড়িতে তোমাকে খুউউব সুন্দর লাগছে, যেন সত্যিকার নীল পরী গো।
- তুমি কিন্তু বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলছো।
- না, সত্যি!
- তাই!
- তাই তো মনে হচ্ছে।
- তুমি কি আমার জন্য এখানে এসেছো?
- কি মনে হয় অপরাজিতা?
- জানি না।
- ওওও। জানো তুমি, বাগানের ফুলগুলোও তোমার কাছে হার মানবে। বাগানের ফুলগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখো।
- তুমি না আনিছ!
- আমি কি? বলো বলো।
- তুমি খুউউব রোমান্টিক কথা বলো।
- তাও তো আজও পরিষ্কার জানতে পারলাম না তুমি আমাকে ভালবাসো কি না?
- তুমি একটা আস্ত বোকা। মেয়েরা ভালবাসার কথা মুখে বলে হাদারাম। এগুলো বুঝে নিতে হয়।
- I love you Aparajita.
- I love you Anis too.
- তোমার হাতটা একটু ধরি অপরাজিতা।
- না, হয়ত মা দেখে ফেলতে পারে।
অপরাজিতার না বলা সত্ত্বেও আমি তার হাতে কোমল ভাবে স্পর্শ করি। অপরাজিতা অন্য রকম ফিলিংস অনুভব করছিল। অপরাজিতা তার আবেগটাকে আর ধরে রাখতে পারে নি। আমাকে তার অজান্তেই দ্বিতীয় বারের মতো আলিঙ্গন করে আমি বুঝে উঠার আগেই। আমি আর কি করব?
দু'জন দু'জনকে জড়িয়ে ধরে রাখি। হঠাৎ আন্টির ডাকে অপরাজিতার হুঁশ হয়। লজ্জা পেয়ে দৌড়ে চলে যায় অপরাজিতা।
এরপর রীতিমতো কয়েকদিন কেটে গেল। সম্পর্কটা আরো ঘনিষ্ঠ হলো অপরাজিতার সাথে। প্রায় সপ্তাহ খানেক ওদের বাড়িতে সময় কাটিয়েছি। আজ বিদায়ের পালা।
আমার ও সাইদকে ভার্সিটিতে ফিরতে হবে। বিদায়ের মুহূর্তে মনটা ভেঙে যাচ্ছিল আমার। অপরাজিতার এমনটা হবে না এটা অস্বাভাবিক। তবুও বিদায় নিতে হবে। সবার চোখে অশ্রু না দেখলেও অপরাজিতার চোখে জল অবশ্যই দেখেছি সেদিন। যাওয়ার সময় সে একখানা ছবি দিয়েছিল যা ছিল আমার নিত্য সঙ্গী।
...চলবে...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now