বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখকঃ মোঃ আনিছুর রহমান (নিজ)
প্রকাশনাঃ হ্যামক ট্যুরিজম বিডি
শ্রেণীঃ উপন্যাস
প্রকাশকালঃ ২০১০
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
♥পর্ব-১৩♥
আজ শুক্রবার। উষার আলোর ভোরে লোহিত আকাশ। আলো ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। পাখির কূজনে মুখরিত, মনোমুগ্ধকর রূপে প্রকৃতি অপরূপ সাজে সজ্জিত হয়ে নিজের সৌন্দর্য প্রদর্শন করছে। পাখির কিচিরমিচির শব্দে অপরাজিতার নিদ্রা হারালো সুবেহ সাদিকের কুমল মলয়ের পরশে। অপরাজিতার মা ফজর নামাজ আদায় করে উঠানে পায়চারী করছেন।
এদিকে আমি আমার বন্ধুর আবু সাইদের বাড়িতে যাব বলে দুজনে ভোরে সকল কিছু গুছিয়ে নিলাম। রওনাও হয়ে গেলাম। হঠাৎ আমরা একটি ঝামেলার সম্মুখিন হই। হাবিব আঙ্কেলের ছেলে মুহিন একটি মেয়েকে একা পেয়ে ইভটিজিং করছিল। এ দৃশ্য দেখে আবু সাইদ আর স্থির থাকতে পারেনি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সে যেন ন্যায়ের মহানায়ক। সাইদ মুহিনকে চড় মেরে আক্ষেপে বলে উঠে,
- তোর মা বোন নেই? একটি মেয়েকে একা পেয়ে এই ব্যবহার তোর?
মুহিন রেগে গিয়ে কিছু একটা করতে চেয়েছিল বোধহয়। কিন্তু আমাকে দেখে কিছু করার সুযোগ পেল না। কারণ সে আমার পরিচিত ছিল।
- সরি আনিছ ভাই, আমাকে মাফ করবেন।
এ বলে মুহিন চলে যায়।
মেয়েটির নাম প্রিয়া। চেহারায় মাধুর্য আছে। ভারী মিষ্টি মুখ। সে কোচিং শেষে একা একা বাড়ি ফিরছিল। এমন সময় মুহিন তাকে উত্তক্ত করে তা জানা গেল। প্রিয়াকে বিদায় জানিয়ে আমরা রওনা হলাম। এটাই ছিল আমার প্রথম শুভযাত্রা বন্ধুর বাড়ির উদ্দেশ্যে।
হঠাৎ আমি আমার প্রিয়তমা অপরাজিতার বাড়ির সামনে চলে আসি। আমি তো অবাক! হয়ে গেছি হতবাক! তাহলে কি আমার বন্ধু আবু সাইদ কি অপরাজিতার ভাই? আমি কি আমার বন্ধুর বোনের প্রেমে পড়লাম। এই ভাবনায় মাথাটা কাজ করছে না। সাইদ বলে উঠল-
- এই বাড়িটি আমাদের। আয়, ভেতরে আয়। কি হলো তোর?
- না..., কিছু.....না। এটা তো আকাশ ভাইয়ার বাড়ি তাই না?
- তুই, আকাশ ভাইয়াকে চিনিস নাকি?
- চিনব না মানে? তোর ভাবি মিতা আমার চাচাত বোন রে সালা।
- ঐ, আমারে সালা বলবি না।
- আমরা তো আত্মীয় হয়ে গেলাম রে!
- চল, চল না!
স্বপ্নের আড়ালে অপরূপ সাজে সজ্জিত নীল পরীর নিকেতনে প্রবেশ করি আমি। নীল পরী যেন হাজার হাজার বছর ধরে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। একটু ভালবাসার রঙিন ছোঁয়া পেতে। আমিও তাই। তার চোখে চোখ পড়লে নজর এড়ানো দায়! আমাকে দেখেই চিনতে পেরে খুশীতে নীল শাড়িটি পরেছিল। চুলগুলো রেখেছিল খোলা, চোখে লাগিয়েছিল কাজল সুরমা। নীল শাড়িতে অপরাজিতাকে সত্যিকারের নীল পরী মনে হচ্ছিল। যাই হোক। আমার ও অপরাজিতার প্রেমের কথা কেউ জানত না। সাইদ তার মা সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিল।
...চলবে...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now