বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রেম যেন অংকুরেই বিনষ্ট।

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোহাম্মদ শাহজামান শুভ (০ পয়েন্ট)

X সমাবেশে চোখে চোখ পরাতে শুভর সমাবেশে শপথ পাঠ করানো একটু এলোমেলো হয়েছে। তারমানে কি শুভ নিজেই শামীমার প্রেমে পড়েছে। আসলে ঘটনাটি ছিল শামীমার চোখ পড়াতে গতকালের প্রেম পত্রের কথা মনে গেল। আজ শামীমার পত্রে উত্তর দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু উত্তর লিখে নাই শুভ। স্কুলে যাবার সময় নৌকার বৈঠা খালে হাত থেকে পড়ে গেছে। বৈঠা হলো স্কুলে আসার চাবী। যারা বর্ষাকালে স্কুলে আসবে তাদের প্রত্যেকের বৈঠা বাধ্যতামুলক। পানিতে নেমে যে বৈঠা খুঁজবে সেই সাহস বা শক্তি নেই শুভর। এছাড়া স্কুলে তাড়াতাড়ি যেতে হবে। তাই বৈঠা ফেলেই স্কুলে গেল তারা। স্কুলে আসার পথে বৈঠা হারালো এবং সমাবেশে সমাবেশ পরিচালনায় ভুল, শামীমার প্রেমপত্র ইত্যাদিতে শুভর মাথা এলোমেলো হয়ে গেছে। তাই চুপ করে থাকা ছাড়া আর কোন উপায় নাই। দ্বিতীয় ঘন্টায় গণিতে ক্লাস। গণিতের স্যার খুবই রাগী তাই ভয় হচ্ছে নতুন অংক পারে কি না? স্যার বোর্ডে একটি অংক বুঝিয়েছে তারপরে আরেকটি অংক ছাত্রদের করতে দিলেন। এবার তোঁ শুভ অংক করতে পারেনি। হাসান শামীম এবং লাভলী অংক করতে পেরেছে। অংক না পারায় স্যার শুভকে নানা মন্দচারী করেছে যা কয়েকটা বেতের আঘাতের চেয়ে বেশি মানসিক কষ্ট পেয়েছে শুভ। বিরতির সময় মোশারফ বলল, আজ শুভর শনির দশা তাই শুভর মন খারাপ। তাঁর মন ভাল করার জন্য দুপুরে সবাই একসাথে আড্ডা দিব। কথানুয়ায়ী দুপুরে মোশারফ বাড়িতে দুপুরে সবার জন্য মুড়ি নারিকেলের ব্যবস্থা করেছে। স্কুলের পাশেই মোশারফের বাড়ি। মন খারাপ হলে হয় খেলাধুলা না হয় আড্ডা দিলে মন ভাল হয়ে যায়। আড্ডায় মোশারফ এবং রাজিয়ায় জানাল শামীমা দশম শ্রেণির কয়েকটা ছেলেকে প্রেমপত্র দিয়েছে। তাদের কথানুযায়ী সত্য বলে মনে হলো কারণ একটা পত্রের চাক্ষুষ স্বাক্ষী হলেন রাজিয়া। তাই শুভকে প্রেমপত্র দিয়েছে তা আড্ডায় প্রকাশ করেনি। শুভর মনে আরেকটা ধাক্কা খেল। শুভ মনে মনে সিদ্ধান্ত নিল শামীমার চিঠির উত্তর দেয়া যাবে না। মনে হয় চরম ভন্ড। আর এই ভন্ডামীর কারণে হয়তো ঢাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে গ্রামে এসেছে। গ্রাম থেকে ছেলে মেয়ে শহরে যায় পড়তে আর এই মেয়ে গ্রামে এসেছে পড়তে। কাজেই কোন রিপলাই দেবে না শামীমাকে। আর বন্ধুদের বললে হিতে বিপরীতই হবে বেশি। তাই চেপে গেল। শুভর এই প্রেম যেন অংকুরেই বিনষ্ট। উত্তমের কৌতুক শুনে হাসা-হাসি করে মনটা হালকা হল। স্কুল ছুটির পর একই পথে নৌকা নিয়ে বৈঠা হারানো যায়গায় এসে আলম পানিতে নামলো। আলম সাঁতার পারে ভাল। আলম প্রথম ডুব দিয়েই হারানো বৈঠা নিয়ে ভেসে উঠল। নৌকার সবাই উচ্চস্বরে আলমকে স্বাগত জানাল। আলমের ভয়ও কম। রাতের বেলায় অন্ধাকারে আলম ভয় পায় না। গহীন রাতে আলম গ্রাম থেকে অনেক দূরে যেতে পারে। অন্ধকার রাতে আম গাছে উঠে আম পারতে পারে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রেম যেন অংকুরেই বিনষ্ট।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now