বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রেম ভালবাসা!

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ruhul Amin Raj (০ পয়েন্ট)

X সকাল বেলা আম্মুর ডাকে ঘুম ভাঙল।হালকা শীত পরা শুরু করেছে এখন।তইতো কাঁথা গায়ে শুয়ে ছিলাম।কিন্তু এই সাত সকালেই আম্মু আমাকে দোকানে পাঠিয়ে দিল নাস্তা আনতে।ছোট ভাইটা স্কুলে যাবে।গ্যাস চলে গেছে আরো আগেই।তাই বাইরের হোটেল গুলোই এখন ভরসা। আমিও নাস্তা নিয়ে বাসায় ফিরছি। কিন্তু গলি দিয়ে ঢুকতেই মনটা খারাপ হয়ে গেল। সেই উদাস চোখের চাহনি! আমিও না দেখার ভান করেই বাড়ি চলে আসলাম। কিন্তু এসে কোন কিছুতেই আর মন বসছে না।বারবার তারই কথা মনে পরছে।অনেক বার সরি বলেছে।এমনকি গত মাসে নিজেদের বাসা ছেড়ে আমাদের পাশের বাসায় ভাড়া পর্যন্ত এসেছে। তাই হয়তো আজ অনেক খারাপ লাগছে ওর জন্য।তাইতো পুরনো,ধুলোজমা সেই ডায়রিটা বের করলাম। কলেজে ভর্তি হয়ে প্রথম দিনই ওটা কেনা।উদ্দেশ্য কলেজ জীবনকে সবসময় নিজের কাছে রাখা।কিন্তু এটা যে আমার জীবনের প্রথম ভালবাসার এক দর্পন হয়ে যাবে তা কখনোই ভাবিনি। এসব ভাবতে ভাবতেই আপু এসে চা দিয়ে গেল।শীতের সকালে ধোঁয়া ওঠা চায়ের সাথে পুরনো স্মৃতিচারণ বেশ জমবে বলেই মনে হচ্ছে। তাই এখন পুরনো সেই দিনগুলোর দিকে আবার ফিরে দেখা, , -আজ ছিল আমার কলেজ জীবনের প্রথম ক্লাস।নতুন পরিবেশ,নতুন মুখ।তাই একটু নার্ভাস লাগছিল।কিন্তু একটু মিশুক হওয়ায় সহজেই অনেক বন্ধু বানিয়ে ফেললাম।এদের মঝেই একজন ছিল অনন্যা। হ্যা,এই মেয়েটা সত্যি অনন্য ছিল।যেমন মিষ্টি গানের কন্ঠস্বর,তেমনি নাঁচ।আবৃত্তিতেও ছিল অসাধারন।আগে জেলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেখেছি।তখন পরিচয় হয়নি।কিন্তু আজ পরিচয় হলো। আমারো সাহিত্যের প্রতি একটু ঝোক থাকায় অল্প সময়েই আমরা বন্ধু হয়ে গেলাম। , -আজ কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ও প্রতিটা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে আর আমি দ্বিতীয়।একটু খারাপ লাগছিল।কিন্তু ও যোগ্য ছিল।ও আমাকে অনুপ্রেরনাও দিল।তাই আমাদের ঘনিষ্টতাও বাড়ল।আজই প্রথম কোন মেয়ের নাম্বার মোবাইলে তুলে নিলাম। , -আজ ওর সাথে প্রথম ফোন আলাপ হল।ওর জন্মদিন ছিল আজ।তাই শুভেচ্ছা জানালাম। আমিই নাকি ওকে প্রথম শুভেচ্ছা জানিয়েছি। এজন্য ও খুব খুশি ছিল।ও আবদার করল ওর সাথে প্রতিদিন মেসেজ এ কথা বলতে হবে আর ওকে "তুমি" বলে সম্বধন করতে হবে।আমি কারন জানতে চাওয়ায় বলল,"আমরাতো ভাল বন্ধু।আর সবার সামনে না বললেও মেসেজে বলতেই হবে।" আমার কেন যেন মনে হলো ও অধিকার খাটাচ্ছে।তাই আমি অবশ্য রাজি হতে চাইনি।কিন্তু ওর জন্মদিনের আবদার হওয়ায় তা মেনে নিতে হল। শুরু হলো ওর সাথে কথা বলা। , -ওর সাথে কথা বলতে বলতে আমিও এখন ওর প্রতি দুর্বল হয়ে গেছি।কথার পরিমান তাই দিন দিন বাড়ছে।আর আমরাও তা আরো বাড়াচ্ছি। যেন কোন অঘোষিত ভালবাসার তরীতে ভেসে চলেছি আমরা। , -অনন্যা আজ এক অদ্ভুত কথা বললো।আমি অন্য মেয়ের সাথে কথা বললে নাকি তার অনেক রাগ হয়। মানে সেও আমাকে নিয়ে ভাবে।অনেক খুশি লাগছে।তবুও কি আর করার,সবার সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দেব ঠিক করলাম। , -অনন্যা ওর সবকিছুই আমাকে জানায়।আমিও সবকিছুই শেয়ার করি।একেবারে ঘুম থেকে ওঠা হতে শুরু করে আবার ঘুমনোর আগ পর্যন্ত সব কিছু। কিন্তু আজই প্রথম জানতে পারলাম ওর পায়ে নাকি টিউমার হয়েছে যা ক্যান্সারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এটা জেনে অনেক কাঁদলাম।জলদিই অপারেশন করার জন্য বললাম। , -আজ অনন্যার অপারেশন ছিল।ওকে দেখে মাত্রই বাসায় ফিরলাম।যাক বুক থেকে যেন পাথর নেমে গেছে বলে মনে হচ্ছে।আমি আজ অনেক খুশি। , -আজ আমার সংগঠন থেকে বান্দরবন ভ্রমনের আয়োজন করা হয়েছে।অনন্যাকে বলতেই ও কেঁদে দিল!একদম কোন বাচ্চা মেয়ের মত।খারাপ লাগলেও এটা ভেবে ভাল লাগছে আমাকে ও কতটা ভালবাসে।যদিও কেউই মুখে বলি নি এখনও।তবুও,সবতো আর মুখে বলতে হয় না। , -আজ ওকে নিজ হাতে ফুঁচকা খাইয়ে দিয়ে যাওয়ার অনুমতি নিতে হলো।তাও আবার প্রতিদিন চার ঘন্টা কথা বলতে হবে এই শর্তে।সাথে আরো জুড়ে দিল এখন থেকে ওকে বাবু বলতে হবে আর ও নিজেও আমাকে বাবু বলবে।একেইতো ওখানে নেটওয়ার্ক থাকে না,তার ওপর আাবার বাবু বলা!!! কিন্তু কিছুই করার নেই।তাই আমিও মেনে নিলাম।চাচ্ছি সবই যেন পাচ্ছি। জীবন আসলেই খুব সুন্দর। , -আজকে ছিল বিশ্ব ভালবাসা দিবস মানে ১৪ই ফেব্রুয়ারী।ভাবতেই অবাক লাগে আমিও আজ সারা দিন কারো সাথে ঘুরে এলাম।অনেক মজা করেছি আজ।ও সত্যিই আমার অগোছালো জীবনকে গুছিয়ে দিয়েছে,ভালবাসা দিয়ে সাজিয়ে দিয়েছে সুন্দর এক বাগান। , তো এইভাবেই কেটে যাচ্ছিল ওর সাথে আমার দিন গুলো ।একে অন্যকে ছাড়া এক মুহুর্তও থাকতে পরি না।এরপরই এল আমার সাথে ওর পরিচয় হওয়ার পর ওর প্রথম জন্মদিন। যথারীতি আমিই ওকে প্রথম শুভেচ্ছা জানালাম। আর ওর জন্য একটা ব্রেসলেট কিনলাম।কিন্তু ওকে দিতে গিয়েই বিপত্তি বাধল।পরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু আমি কোন ভাবেই রাজি হলাম না।এ জন্য ও রাগ করে বাড়ি চলে যায়।আসলে এর মাঝে ওর অনেক ছেলে বন্ধুই হয়েছে।তাই আমার একটু জ্বেদ কাজ করছিল।তাই পরিয়ে দেই নি। আর এটা ও বুঝতে পারে।তাই সে দিন ও অনেক বারই কেঁদে কেঁদে সরি বলেছে।আমিও সরি বলেছি আর ছেলেমানুষি মনে করে সব ভুলে গেছি। , -আজ ও আমাকে কোন মেসেজ দেয়নি।কথাও ইদানিং খুব কম বলে।প্রয়োজন ছাড়া ফোন দেয় না।ওর বদলে যাওয়া দেখে খুব কষ্ট লাগে।এ যেন কোন স্রোত ছাড়া নদীর মত যা যেকোন সময় থমকে যাবে।মনের মাঝে তাই ভয়ও হয়।ওকে হারানোর ভয়।ভেবেই নিয়েছি আমার জন্য খরাপ কিছু অপেক্ষা করছে। দেখা যাক শেষটায় কি হয়। , -যাক এত দিনের অপেক্ষার আজ সমাপ্তি ঘটল।আর সমাপ্তিটা খুব সুখকরও ছিল না।ছিল এরকম, আজ অনন্যা আমাকে দেখা করতে বলে,একটু বিশেষ ভাবেই। বিকেলে তাই পার্কে চলে আসলাম।একটু পরই ও এলো।এসেই বললো,"আমাকে ভুলে যেও।তোমার সাথে আর যোগাযোগ সম্ভব না।" সময় যেন হটাৎ থমকে গেল,থেমে গেল জীবনের সব কোলাহল,স্তব্ধ হয়ে গেলাম আমি। রাত পর্যন্ততো সব ঠিকঠাকই ছিল।কিন্তু সকালে যখন ওর প্রথম মেসেজটা পেলাম মনটা তখনই খারাপ হয়ে গেল।ও বলছে আজ থেকে নাকি ও আর আমার সাথে আর মেসেজে কথা বলবে না। আমি অনেক বার কারন জানতে চেয়েছি।কিন্তু বার বার একই কথা বলেছে।"আমি জানি না।" আর বিকেলে ডেকে নিয়ে একেবারেই বন্ধ করে দিল।আমি ঠিক বিষয়টা মানতে পারছিলাম না।তাই ঠিক করেছি ওর সাথে আবারও কথা বলব আর এ সবের কারনও বের করার চেষ্টা করব। প্রথমে রাজি না হলেও পরে কথা বলবে বলে রাজি হলো , -আজকে দুনিয়াটাকে বড় স্বার্থপর লাগছে।আমার নাকি কোন ভুল নেই।তারই আর ভাল লাগে না আমাকে।আমিও আর কিছু বলিনি।যে চলে যেতে চায় তাকে ধরে রাখতে নেই।সময়ের হাতেই তাকে তুলে দিতে হয়। , -আজই জানতে পরলাম তার কথা বলার নতুন সাথী হয়েছে।তাকে নিয়েই সে এখন ব্যস্ত।ছেলেটাও আর কেউ না,আমাদের ক্লাসেরই প্লেবয় খ্যাত রনি।এটা ভেবে খুব হাসতে ইচ্ছে করছে যে,শীঘ্রই তার পরিনতিও আমার মতই হবে। হাহাহা.... কিন্তু সেকি রনিকে সত্যিই ভালবাসে?নাকি রনির মতই সেও মজা নিচ্ছে? তা সে যাই হোক।এ সম্পর্কের পরিনতিও খারাপ হবে বলেই মনে হচ্ছে। তবুও ওর জন্য খারাপ লাগছে।কিন্তু কিছু বলার অধিকার আজ আর আমার নেই।তা কেরে নেয়া হয়েছে অনেক আগেই। , -আজ অনেক দিন পর কলেজে গেলাম।আসলে আমার সামনে ও অন্য কাউকে নিয়ে স্বপ্ন দেখবে তা ঠিক মানতে পরছিলাম না।তবুও বন্ধুদের জোড়াজুরিতে গেলাম।চুপচাপ ক্লাস করে চলে এসেছি। সে কিন্তু বেশ ভালই আছে। , -আমার সেদিনের সন্দেহই সঠিক প্রমাণ হলো।রনি আজ ওকে ছেড়ে চলে গেছে।ও শুধু নির্বাক হয়ে তাকিয়ে ছিল ওর দিকে।কিছুই বলতে পারে নি। সবাই স্বার্থপর হলেও সময় কিন্তু তা না।সে সবাইকেই তার যথাযথ প্রতিদান দেয়। যেমন আজ অনন্যা পেল। , -অনন্যার মাঝে আবারো পরিবর্তন দেখছি।আমার দিকে কেমন করে যেন চেয়ে থাকে।আমিও কম কিসে,তাই ওর সামনেই অন্যদের সাথে হেঁসেহেসে কথা বলি। ও অবশ্য অনেক বারই বোঝাতে চেয়েছে ও ফিরতে চায়।কিন্তু আমি দেখেও না দেখার মত করে রয়েছি। , -আজ অনন্যাকে পাশের বাসায় দেখলাম।সাথে ওর বাবা।কেন এসেছে বুঝতে পারলাম না।রহস্যময় মনে হলো। , -আজ ওরা পাশের বাসায় ভাড়া উঠলো।আমার এড়িয়ে চলা দেখেই হয়তো পাশের বাসায় ভাড়া এসেছে।প্রত্যহ কথা বলার চেষ্টাও করে। কিন্তু আমি ঠিকই পাশ কাটিয়ে যাই।কারন আমি জানি সে ছলনাময়ী। , তাইতো আজো চোখ দিয়েই বলতে চেয়েছে, "আমি ভাল নেই।" আমার কি সে ভাল না থাকলে।আমাকেতো বিনা দোষেই শাস্তি দিয়েছিল। , কিন্তু কি মনে করে যেন নাম্বারটা ব্লাক লিস্ট থেকে বের করলাম।মন বলছিল সে আর চুপ থাকতে পারবে না। এবারো কিন্তু আমার ধারনা সত্যি হলো। পাঁচ মিনিট পরই তার মেসেজ আসলো।বলেছে, -আমাকে কি ক্ষমা করা যায় না?এতটাই অপরাধ করেছি আমি? -অপরাধতো আমি করেছি তোমাকে বিশ্বাস করে। -প্লিজ ভুলে যাও সে সব,আবার নতুন করে শুরু করি আমরা।আমি আর সহ্য করতে পারছি না। -তুমি পারবে।আমি যখন পরেছি সেই তুলনায়তো তুৃমি আরো ভাল পারবে। এই দুনিয়ায় আমরা কেউই অসহায় নই। -কিন্তু আমিতো আজ সত্যিই তোমাকে ছাড়া অসহায়। -কখনো আমিও ছিলাম।কই,নিজেকেতো ঠিকই সামলে নিয়েছি। -আমি পারবো না।তোমাকে দেয়া সেই প্রতিটা কষ্ট আজ আমায় কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। তাই আমি এর প্রয়শ্চিত্ত করতে চাই। -তাইতো করছ এখন।নিজ কর্মের ফল ভোগ করছো। -এতটুকু কি যথেষ্ট নয়? -না,নয়।তুমিতো বিনা দোষেই আমায় শাস্তি দিয়েছ।এখন না হয় নিজের ভুলের মাসুল দিলে। -প্লিজ,আর একটি বার শুধু... -বাই,ভালো থেকো। , বলেই লাইন কেটে দিলাম।নিজেকে আজ এই পৃথিবী নামক বিশাল এ নাট্য মনচের এক অভিজ্ঞ অভিনেতা বলে মনে হচ্ছে। কেউ ইচ্ছে করে হয় আর কেউ হয়তোবা শিখে হয়।আমি না হয় শিখেই হলাম।কেউ হয়তো ঠিকই বলেছে,"যেমন কর্ম তেমন ফল।" আমাকে দেয়া কষ্টের ফল আজ সে ভোগ করছে।তাইতো।আজ তাই পাষান, কঠোর, বর্বর আমি। , ছেড়ে যাওয়ার সময় আমারওতো কোন দোষ ছিল না।সে যা চেয়েছে,যেভাবে চেয়েছে সে ভাবেই পেয়েছে।তাই হয়তো মনে করেছে তার কথা আমি ফেলতে পারব না।, কিন্তু না,আমি পেরেছি।আমি পেরেছি তাকে ফিরিয়ে দিতে। নাহ,আজকে ওর সকল কিছুর এখানেই সমাপ্তি করতে হবে।অনেক দেখেছি,মনে করেছি,কেঁদেছিও।আর নয়। তাইতো নাম্বারটা আবারো ব্লাক লিস্টে দিলাম। কিন্তু ডায়রিটা? হ্যা,গ্যসের চুলয় দেয়াই ঠিক হবে।কষ্টের আগুনে পুড়েইতো আজ আমি দ্বিতীয় ভুল থেকে বাঁচলাম।ওটাও না হয় ওখানেই যাক। , ভাবনাগুলোর আজ এখানেই সমাপ্তি হোক।থেমে যাক সেই স্রোতহীন নদীর বয়ে চলা।শুরু হোক নতুন এক শ্বাশ্বত আগামীর,নতুন প্রভাতের।উন্মুক্ত হোক নতুন দিগন্ত।ধুয়ে মুছে নিয়ে যাক সব কষ্ট,গ্লানি আর বেদনা। , চা ও শেষ হয়ে এল।এখন উঠতে হবে।ও চলে যাওয়ার পর অনেক কষ্ট হয়েছে দু মাস।কিন্তু এরপরই ওর খারাপ সময় শুরু হয়।তখনই সামলে নিয়েছি নিজেকে।অনেক তো শুনেছি তার কথা,তার সামনে আর নিজেকে অসহায় প্রমাণ করার কোন ইচ্ছেই আমার ছিল না। , আমাকেতো বাবা-মায়ের স্বপ্নও পূরণ করতে হবে।তাইতো নিজের মত করেই সাজিয়ে নিয়েছি নিজ জীবনের বাগান।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রেম ভালবাসা!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now