বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
প্রচারমাধ্যমে প্রাধান্য পাক নবীজির জীবনাদর্শ
কুলকায়েনাত সৃষ্টির উৎস ও আল্লাহর পেয়ারা হাবিব হুজুরে পুর নুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মের মাস ‘মাহে রবিউল আউয়াল’। আহলান চাহলান মারহাবান। রবিউল আউয়াল মাসে দুনিয়ার বুকে তাশরিফ আনেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনি কেবল মুসলমানদের নবী বা মুসলমানদের কল্যাণের জন্যই নয়; তিনি হচ্ছেন সমগ্র মানব জাতির জন্য রহমত। মানব জাতির সর্বোত্তম জীবনাদর্শ রয়েছে তাঁর জীবনাদর্শে। এর জীবদ্দশায় যারা তাঁর ধর্ম গ্রহণ করেনি, যারা তাঁকে নবী বা রাসূল বলে স্বীকার করেনি, তাদের মধ্যেও যারা তাঁর জীবনাদর্শ তথা ব্যক্তিজীবন সম্পর্কে জানতেন, তারাও তাঁকে একজন উত্তম চরিত্রের দরদি মানুষ বলে মেনে নিতেন। কিশোর বয়সেও তিনি সবার কাছে ‘আল-আমিন’ বলে পরিচিত ছিলেন।
ধর্ম-বর্ণ-জাতি-গোত্র নির্বিশেষে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিঃসন্দেহে একজন অনুকরণীয় জন। যারা ইসলামের অনুসারী নয়, এমন ব্যক্তিও যুক্তি প্রমাণ দিয়ে বলতে পারবেন না যে, তিনি মানব জাতির কল্যাণের জন্য নয়। যদি আমরা সত্যশ্রয়ী হই এবং সঠিক ইতিহাস অধ্যয়ন করি, তাহলে অবশ্যই জানা যাবে, তিনি ছিলেন সব মানুষের কল্যাণকামী। ইতিহাসের এমন এক সময় তাঁর ছিল, যখন আরবীয় সমাজ সীমাহীন অপকর্মে ডুব দিল ‘আইয়্যামে জাহেলিয়া’ নামে পরিচিত সেই যুগেই আগমন করেছিলেন হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনি কেবল একটি ধর্ম প্রচারকই ছিলেন না, একজন সমাজ সংস্কারক হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সফল এবং অনুকরণীয় আদর্শ। তাঁর জন্ম মাস তাই সব মানবতাবাদী শান্তিকামী মানুষের কাছে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। প্রথমেই বলতে হয় হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হচ্ছেন সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসূল। হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমেই আল্লাহ তাঁর মনোনীত দ্বীনের পূর্ণাঙ্গতা দান করেন। তাই তাঁর আগমন বিশ্বাসীদের জন্য সর্বাপেক্ষা আনন্দের বিষয়। তাঁর আগমন মাসে তাঁর অনুপম জীবনাদর্শ সম্পর্কে জানা এবং সেই অনুসারে নিজেদের জীবন গড়ে তোলায় প্রত্যয়ী হওয়া উচিত। ১২ রবিউল আউয়ালে মিলাদ শরিফ পড়া, মিষ্টি বিতরণের মধ্যেই কেবল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমন মাস উদযাপনের কর্মসূচি সীমিত হয়ে পড়েছে। আল্লাহ মানুষকে নির্দেশ দিয়েছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনকে অনুসরণ করতে। তাঁর আনুগত্য করতে। শেষ নবী হিসেবে তার জীবন হচ্ছে মানবজাতির জন্য অনুপম আদর্শ। ইসলামের পূর্ণাঙ্গতা এবং সর্বজনীন জীবনাদর্শ হিসেবে চূড়ান্ত অবস্থা অর্জিত হয় হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন ছিল বৈচিত্র্যময়, ঘটনাবহুল। তাঁর আবির্ভাবের মাসে আমরা সেগুলো জানতে, বুঝতে এবং গবেষণা করতে উদ্যোগী হতে পারি। আমাদের দেশে লক্ষ করছি সপ্তাহব্যাপী, মাসব্যাপী কোনো না কোনো মহামানবের জীবনকর্ম পর্যালোচনা তাদের ঘিরে বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানের। তা হতেই পারে, কিন্তু যিনি সৃষ্টি না হলে কিছুই সৃষ্টি হতো না অর্থাৎ মানবজাতির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ তাঁর আগমন মাসকে কেন্দ্র করে সব ধরনের প্রচারমাধ্যমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা কি জরুরি নয়? অবশ্যই জরুরি। আমাদের স্বার্থেই তা জরুরি। বিশ্বশান্তির জন্যই এটা জরুরি। মানব জাতির কল্যাণের জন্যই তা দরকার। আমরা এ কথা বিশ্বাস করি যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রত্যেকটি কর্মই ছিল অনুকরণীয়। মানবজাতির কল্যাণের জন্যই তাঁর সমগ্র জীবনকে তিনি আল্লাহর নির্দেশ অনুসারে পরিচালিত করেছেন। মানব জাতির কল্যাণ তাঁর জীবনাদর্শের অনুশীলনের মধ্যে রয়েছে। তাঁর জীবনাদর্শের অনুশীলন করতে হলে সঠিকভাবে তাঁর জীবনাদর্শকে জানা দরকার। যেসব আলেম তাঁর জীবনাদর্শকে ভালো জানেন, ভালোভাবে বিশ্লেষণ করতে পারেন, তাদের উচিত বিশ্ববাসীর কাছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শকে প্রচারমাধ্যমে তুলে ধরা। মিডিয়ার মাধ্যমে আমাদের উচিত তাঁর জীবনাদর্শ সঠিকভাবে প্রচার করা
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now