বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Writing by #md sumon al hasan.
অনেকক্ষণ যাবৎ মাছ
ধরছিলাম তৃশা অামার
থেকে ও বেশি মাছ ধরে
অনেক খুশি হয়ে গেলো,
দেখলেন মিস্টার
বলেছিলাম না অাপনি
অামার সাথে মাছ ধরে
পারবেন না। অযথাই বাজি
ধরে হেরে গেলেন এখন
অামি যা বলবো অাপনাকে
তাই করতে হবে।
-ভয়ে ভয়ে বল্লাম কি করতে
হবে অামাকে?
অাবির বলেছে অাপনি
নাকি ভালো বাইক রাইড
করতে পারেন। অাপনি
অামাকে বাইকে নিয়ে
ঘুরাবেন।
-অামার কাছে তো এখন
বাইক নেই অাপনাকে
ঘুরাবো কিভাবে অার
গ্রামটা ও অামি ভালো
মতো চিনি না।
চলেন অামার সাথে।
অামি অার ও বাসায়
অাসলাম। অাবিরের
ভাইয়ার কাছে গিয়ে তৃশা
বাইকের চাবি নিয়ে
অাসলো। এর পর বাইকের
কাছে অামাকে নিয়ে
গিয়ে চাবি দিয়ে বল্লো
চলান, গ্রাম টা অামি চিনি
অাপনাকে চিনতে হবে না।
অামি ওকে নিয়ে বের
হলাম। ওর দেখানো পথে
কিছুকক্ষণ যাওয়ার পর একটা
বীল দেখতে পেলাম। বীলটা
অনেক সুন্দর ছিলো, বীলের
মাঝ দিয়ে একটা উচু কাঁচা
রাস্তা একদম বীলের শেষ
পর্যন্ত। চারপাশে পানি,
ছরিয়ে ছিটিয়ে অাছে কাশ
ফুল, মনে হচ্ছে রং তুলিতে
অাঁকা কাল্পনিক
ক্যানভাস। অামি তৃশা কে
নিয়ে রাস্তাটা দিয়ে
বাইক চালাচ্ছি। খানিকটা
যাওয়ার পর ও বল্লো বাইক
থামান। বাইক থামানোর পর
ও নেমে গিয়ে ঘাসের উপরে
বসলো, অামি ও বাইক রেখে
ওর পাশে এসে বসলাম।
,
------ পরীর অাগমন ------
,
পরীস্থানের রাজকন্যা
ঈলিনা তার ঘুমন্ত ছোট বোন
ইকোর পাশে বসে অশ্রুজল
নয়নে তাকিয়ে অাছে। তিন
যুগ হলো এভাবে ইকো ঘুমিয়ে
অাছে এই রুম টা তে। তিন যুগ
অাগে ইকো তার দুই খেলার
সাথি কে নিয়ে পৃথিবিতে
গিয়েছিলো তখন এক
তান্ত্রিক তাকে কালো
যাদু দিয়ে ধরে
ফেলেছিলো। তান্ত্রিক
ইকোকে স্পর্শ করার সাথে
সাথে ইকো ঘুমিয়ে পড়ে। এর
পর জিনদের রাজা ইকোর
বাবা নার্সিসাস
পৃথিবীতে গিয়ে ঐ
তান্ত্রিককে পাথর
বানিয়ে ঘুমন্ত মেয়েকে
নিয়ে পরিস্থান এ ফিরে
অাসে।
অনেক চেস্টা করেও
নার্সিসাস তার মেয়ের ঘুম
ভাঙ্গাতে পারে নি। এর
থেকে পরিত্রাণ পাবার
উপায় জানার জন্য তিনি
প্রেমের দেবি
এ্যাফ্রেদাইতি'র কাছে
যান। দেবি তাকে বলেন
পৃথিবীতে তিন যুগ পরে
পূর্ণিমা রাতে একটি ফুল
ফুটবে সেই ফুল রাজকন্যাকে
স্পর্শ করালেই রাজকন্যা
জেগে উঠবে তবে সেই ফুল
কোন জিন বা পরী স্পর্শ
করলে সাথে সাথে অদৃশ্য
হয়ে যাবে। শুধুমাএ পাপ মুক্ত
কোন মানব পুএ ই কেবল সেই
ফুল স্পর্শ করতে পারবে।
ঈলিনার বাবা রাজা
নার্সিসাস অার মা
মারিনা ঘুমন্ত মেয়ের রুম এ
অাসেন। ঈলিনা বাবাকে
জরিয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে
বল্লো বাবা ইকো কি অার
কখনো জেগে উঠবে না?
রাজা নার্সিসাস মেয়েকে
দেবী এ্যাফ্রেদাইতি যে
উপায় গুলো বলেছে তা
বল্লো। তখন ঈলিনা তার
বাবাকে বল্লো অামি
পৃথিবীতে গিয়ে সেই মানব
সন্তান কে খুজে বের করে ফুল
নিয়ে অাসবো তিন দিন পর
পূর্ণিমা অামি অাজ ই
পৃথিবীতে যাবো।
,
এদিকে ফায়াজ অার তৃশা
বাসায় ফিরে অাসে, বীল
থেকে অাসার পর থেকে
ফায়াজের প্রতি তৃষার
ভালো লাগার শুরু হয়ে
গেছে।
বাসায় এসে ফায়াজ দেখলো
বাড়িটা পুরো পুরি
স্বাজানো হয়ে গেছে। কাল
তমার গায়ে হলুদ। সবার মুখে
হাঁসি এ এক অদ্ভুত রকমের
ভালো লাগা। অাজ বাড়ি
ভর্তি মানুষ। অাবির
অামাকে কে দেখে বল্লো
কিরে কোথায় গিয়েছিলি
তোরা?
-বীল দেখতে গিয়েছিলাম।
অাচ্ছা ভালো করছিস চল
পুকুরে গোসল করবো। বাসায়
গোসলের সিরিয়াল লাগছে।
গোসল শেষ করে এসে দূপুরের
খাবার খেলাম। তার পর রুম এ
গিয়ে দিলাম একটা ঘুম।
বিকেলে তৃশা এসে ঘুম থেকে
ডেকে উঠালো, উনি অামার
জন্য নাশতা এনেছেন। ফ্রেশ
হয়ে এসে নাশতা করে ছাদে
গেলাম। পড়ন্ত বিকেল
সূর্যটা রক্তিম লাল বর্ণ ধারন
করেছে কিছুক্ষণ এর মধ্যে
সূর্য টা ডুবে যাবে। তৃশা
এশে অামার পাশে
দাড়ালো দুজন মিলে নিশ্চুপ
দাড়িয়ে সূর্য অস্ত যাওয়া
উপভোগ করছি।
রাতে ডিনার শেষ করে
অামি অার অাবির বাসার
বাহিরে এসে কথা বলছি
বাসায় এতো মানুষ এর কথার
শব্দে অামার মাথা ব্যাথা
করছিলো এখন কিছুটা
ভালোলাগছে। বাড়িটা
সুন্দর করে লাইটিং করা
হয়েছে। অনেক দূর পর্যন্ত
অালো যাচ্ছে। অাবির ভুলে
ফোনটা রুম এ রেখে অাসছে
অামাকে বল্লো তুই থাক
অামি ফোনটা নিয়ে
অাসি।
-অাচ্ছা যা।
অনেকক্ষণ যাবৎ বসে অাছি
অাবির অাসছে না। অামি
উঠে হাটা শুরু করলাম হাটতে
হাটতে বাসা থেকে অনেক
দূরে চলে অাসলাম চাঁদের
অালোতে চারপাশ
অালোকিতো। চারপাশে
ছোট বড় অনেক গাছ। দূরে
অাবিরদের বাড়ি টা
লাইটিং এর অালো একটু একটু
দেখা যাচ্ছে।
অনেকটা পথ না এবার
ফিরতে হবে বাসার সবাই
চিন্তা করছে। ফোনটা ও
অানতে ভুলে গেছি। কিছুটা
পথ অাসার পর কুকুরে ঘেউ
ঘেউ শব্দ সুনতে পেলাম।
শব্দটা ক্রমশই অামার কাছে
অাসছে একটু পর দেখি একটা
মেয়ে কে দুটো কুকুর তাড়া
করছে। মেয়েটা অামার
দিকে অাসছে।
.
চলবে..........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now