বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Writing by #md sumon al hasan.Part-10
.
চোঁখ থেকে পানি ঝরছে,
মাথা নিচু করে ফায়াজের
কথা গুলো শুনছি। মিথ্যাতো
বলে নি কিছু। কিন্তু চরম এই
সত্যটাকে মেনে নিতে কষ্ট
হচ্ছে খুব।
ফায়াজ বল্লো অামি
একজনকে খুব ভালোবাসি।
প্রতিটা মুহুর্ত ওকে নিয়ে
ভাবি, ওকে দেখার জন্য
ছটফট করি জানি না সে
অামাকে কতোটা
ভালোবাসে, অামি এটাও
জানি না পৃথিবীতে
অামাদের মিলন হবে কি
হবে নাহ! তবুও অামি ওকে
ভালোবাসি। কথাগুলো
শুনতে অাপনার খারাপ
লাগছে অামি জানি,
অাপনি অনেক ভালো একটা
মেয়ে দেখবেন একদিন
অাপনাকে অাপনার মতো
কেউ একজন অনেক
ভালোবাসবে। অাপনি কিছু
বলার অাগেই অাপনার মুখের
দিকে তাকিয়ে বুঝে যাবে
অাপনার মনের অনুভূতি এই
অাবেগি ক্ষণের কথা তখন
মনে করে হাঁসবেন।
অনেকক্ষণ যাবৎ দুজনই চুপ করে
অাছি।
অামার দিকে তাকিয়ে
তৃশা বল্লো অামার খুব কষ্ট
হচ্ছে এইটা ভেবে যে অামি
অাপনার ভালোবাসা
পাবো না। কিন্তু তার
চেয়েও বেশি ভালোলাগছে
এইটা শুনে যে অাপনি
অামাকে বন্ধু ভাবেন।
সবচেয়ে বড় কথা হলো
ভালোবাসাটা কি যদি
অাপনার সাথে পরিচয় না
হতো অামি হয়তো কখনো
বুঝতেই পারতাম না। অনেক
রাত হয়েছে নিচে চলেন।
-অাপনি জান অামি
অাসছি।
তৃশা চলে গেলো।
মেয়েটাকে কথাগুলো
এভাবে বলা ঠিক হয়নি।
কিন্তু অামার ও তো কিছুই
করার ছিলনা। জানি কয়েক
দিন অনেক কষ্ট পাবে তার
পর সব ঠিক হয়ে যাবে।
অাকাশের দিকে তাকিয়ে
অাছি কেনে জানি না
চাঁদটা দেখতে একদম ইচ্ছে
করছে না। ইলিনা পাশে
থাকলে হয়তে ভালো
লাগতো। হঠাৎ সেই মিস্টি
গন্ধটা অামার চারপাশে
ছড়াতে লাগলো। ঈলিনা
অামার সামনে দৃশ্যমান
হলো।
অামাকে বল্লো চিন্তা
করো না সব ঠিক হয়ে যাবে।
-বিশ্বাস করো অামি ওকে
কাঁদাতে চাই নি। কিন্তু
অামার কিচ্ছু করার ছিলো
না।
অামি সব জানি। মন খারাপ
করো না। তুমি অনেক ক্লান্ত
এসে অামার কোলে মাথা
রেখে ঘুমাবে।
,
------কালো জাদুকর------
,
এক তান্ত্রিক তার গুপ্তচর
জীন এর সাহায্যে জানতে
পারলো পরী রাজকন্যা
পৃথিবীতে এসেছে। সে যদি
পরী রাজকন্যাকে বশীভূত
করে মায়া শক্তিকে নিজের
কাছে নিয়ে অাসতে পারে
তাহলে পৃথিবীতে সবচেয়ে
শক্তিধর তান্ত্রিক হবে সে।
কাজটা যদি এতোটাই সহজ
হতো তবে বাবা তিন যুগ
অাগে পাথরের মূর্তি হতো
না।ছেলে তার বাবার
মূর্তির সামনে দাড়িয়ে
বলছে অার মাএ একটা দিন
পরশু দিন পূর্ণিমা। সেই দিন
তোমার ছেলে হবে পৃথিবীর
সবচেয়ে বড় তান্ত্রিক।
অামি তুমি পাথর থেকে
মানুষ।
এর পর তান্ত্রিক
রাজকন্যাকে বশীভূত করার
জন্য মন্ত্র পাঠ করলো কিন্তু
সেই মন্ত্রে কোন কাজই
হলো না। তান্ত্রিক তার
বশীকৃত এক জীনকে বল্লো
অামার মন্ত্র-শক্তি কেনো
কাজ করছে না। অামি
কেনো পারছি না পরীকে
অানতে। তখন জীন বল্লো
যদি তুমি পরীর একটি চুল
সংগ্রহ করতে পারো তবেই
তোমার মন্ত্র পরীর উপর
প্রভাব ফেলবে। তান্ত্রিক
দুটি খারাপ অাত্মাকে
পাঠালো পরীর কাছ থেকে
একটি চুল নিয়ে অাসার জন্য।
খারাপ অাত্মা গুলো যখন
অাসছিলো পথের মধ্যে সেই
অভিশাপ মুক্ত ভালো
অাত্মাটি এসে দাড়ালো।
ভালো অাত্মাটি খারাপ
অাত্মা গুলোকে চলে যেতে
বল্লো। কিন্তু তারা গেলো
না। ভালো অাত্মাটি
বল্লো তোমরা যদি এখান
থেকে না যাও তাহলে
অামি তোমাদের বিনাশ
করতে বাধ্য হবো। খারাপ
অাত্মা গুলো তবু ও ভালো
অাত্মার কথা শুনলো না।
একটা ভয়ানক যুদ্ধ শুরু হলো
ভালো অার খারাপ অাত্মা
গুলোর মধ্যে। বড় বড় গাছ
গুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে
চারিদিকে বিকট শব্দ হতে
শুরু করলো একপর্যায় খারাপ
অাত্মা গুলো ভালো
অাত্মার শক্তির কাছে হার
মেনে সেখান থেকে
পালিয়ে গেলো।
দোলনার উপর ঈলিনার
কোলে মাথা রেখে ফায়াজ
ঘুমাচ্ছে। ঈলিনা ফায়াজের
মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে,
মনে মনে বলছে হে
নিঃষ্পাপ মানব সন্তান তুমি
জানো না অামি তোমাকে
অামার থেকেও বেশি
ভালোবাসি তুমি তো কেউ
একজনকে তোমার মনের
কথাটা বলতে পেরেছো
অামি তো তাও পারছিনা।
অশ্রুজল নয়নে ইলিনা
অালতো করে একটা চুমু
দিলো ফায়াজের কপালে।
এদিকে খারাপ অাত্মা গুলো
তান্ত্রিককে এসে ভালো
অাত্মার কথা বল্লো।
তান্ত্রিক মনে মনে বল্লো
আত্মাদের দিয়ে এ কাজ
করানো যাবেনা। সময় খুবই
কম যা করার খুব তারা
তারি করতে হবে। অামি
নিজেই যাবো পরীর কাছে।
পূর্ণিমারাত ছাড়া পরীর
অাশে পাশে যাওয়ার মতো
শক্তি অামার হয় নি,
অামার মন্ত্র শক্তিও তার
মায়া শক্তির কাছে অতি
সামান্য, তান্ত্রিক ভাবতে
লাগলো কি ভাবে কি করা
যায়।
অাবিরের অাম্মু ফজরের
নামাজ পড়ে কোরঅান শরীফ
পড়েন প্রতিদিন। কোরঅান
শরীফ পড়া শেষ করে এসে
দেখেন ফায়াজ ঘুমাচ্ছে
দোলনার উপরে।
উনি এসে অাবিরকে
জাগালেন।
অাবির বাবা তুমি সারা
রাত এখানে ঘুমাইছো?
-জ্বি অান্টি।
যদি কিছু হয়ে যেতো তখন
তোমার বাবা-মা কে
অামরা কি জবাব দিতাম।
এই গ্রামটা খুবই খারাপ এই
গ্রামে অাত্মারা ঘুরে
বেড়ায়। কিছু দিন পর পর
এখানে সেখানে লাশ
পাওয়া যায় অার তুমি একা
একা এখানে ঘুমিয়ে ছিলো।
অাল্লাহর কাছে হাজার
শুকরিয়া জানাই তোমার
কিছু হয় নি। যাও বাবা রুম এ
গিয়ে ঘুমাও।
-জ্বি আন্টি।
অামি রুম এ চলে অাসলাম।
অাবির অার অায়ান
ঘুমাচ্ছে। অামি এসে
অায়ানের পাশে বসলাম।
ঠিক মতো রাতে ঘুম হয় নি
তাই প্রচন্ড মাথা ব্যাথা
করছিলে। দেয়াল ঘড়ির
দিকে তাকিয়ে দেখি ৫টা
৪০ বাজে। এখনো অনেকক্ষণ
ঘুমানো যাবে। অায়ানের
পাশে একটু জায়গা খালি
ছিলো ঐ খানেই শূয়ে
পড়লাম।
বিছানায় শরীরটা লাগতেই
চোখে ঘুম চলে অাসলো।
,
চলবে..............
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now