বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

***পরীর-গল্প ***

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Sumon Al Hasan (০ পয়েন্ট)

X Writing by #md sumon al hasan Part-3 . অামি অার অাবির খাবার খেয়ে ছাদে উঠলাম। অাবির সিগারেট ধরালো ওদের ছাদটা অনেক বড় ছাদে কিছু ফুলের গাছ অার একটা দোলনা ও অাছে। বাড়ির পেছনে বড় একটা পুকুর। অাবির তোদের পুকুরে মাছ অাছে? -হুম অাছে ইনফেক্ট তুই এই পুকুরের মাছ দিয়ে লাঞ্চ করেছিস। =কাল এই পুকুরে গোসল করবো মাছ ধরবো। -অাচ্ছা ধরিস। তুই কি ছাদে থাকবি? =হে কেনো তুই কি চলে যাবি। -হুম। অামি রুম এ যাচ্ছি তুই চারপাশ টা দেখ। অাবির ছাদ থেকে নেমে গেলো। অাবির দের বাসার চারপাশ বাউন্ডারি করা। নিচে একপাশে একটা দোলনা অাছে অন্যপাশে ফুলের বাগান। চার পাশে হাতে গুনা কয়েকটা বাড়ি। কিছুক্ষন পর রুমে অাসলাম কেমেরা নেয়ার জন্য অাবির ঘুমাচ্ছে , ভাবছিলাম ওরে নিয়ে গ্রামটা ঘুরে দেখবো কিন্তু ও ঘুমাচ্ছে তাই অার ডাকলাম না নিচে নেমে এসে দেখি সবাই বিয়ের কাজ নিয়ে ব্যাস্ত। অান্টি ছোট চাচির সাথে বসে কাজ করছিলেন অামি গিয়ে অান্টিকে বল্লাম অামি গ্রামটা ঘুরে দেখবো অান্টি বল্লো অাবিরকে নিয়ে যাও। -অাবির তো ঘুমাচ্ছে। =অাচ্ছা অামি রিয়া কে ডেকে দিচ্ছি তুমি ওর সাথে যাও। ছেট চাচি বল্লো ফায়াজ এখানে কেমন লাগছে? জ্বি অান্টি ভালো লাগছে। তমার সাথে তো তোমার পরিচয় হয় নি তুমি যখন অাসছিলা ও তখন অামার বড় বোনের বাসায় গিয়েছিলো। তমা এই তমা এদিকে অায় তো, তোর ফায়াজ ভাইয়া কে দেখে যা। তমা অাসলো হায় ভাইয়া ভালো অাছেন? -এইতো অাপু ভালো তুমি কেমন অাছো। একটা হাঁসি দিয়ে বল্লো ভালো অাছি। অাবির ভাইয়া বাসায় অাসলে সব সময় অাপনার কথা বলে, অাপনাকে দেখার ও অনেক ইচ্ছে ছিলো। এমন সময় রিয়া অাসলো অান্টির সাথে। রিয়া বল্লো ভাইয়া চলেন। -অাচ্ছা অামি ঘুরে অাসি পরে কথা বলবো। ছোট চাচি বল্লো অাচ্ছা যাও। এর পর অান্টি বল্লো সন্ধার অাগে চলে এসো। -অাচ্ছা আন্টি। বাসা থেকে বের হয়ে অামি অার রিয়া হাটতে লাগলাম। রিয়া তোমার পড়াশেনা কেমন চলছে? -জ্বি ভাইয়া ভালো। অাচ্ছা রিয়া অাবির বলেছিলো তোমাদের এই খানে নাকি ভূত অাছে কথা টা কি সত্যি নাকি? -হে ভাইয়া অামাদের এখানে রাত ১০টার পর কেউ বাহিরে থাকে না। সবাই বলে রাতে নাকি ভূতেরা বের হয়। =তুমি কখনো দেখছো? -হে ভাইয়া অামি একদিন রাতের বেলা বাবার উপর রাগ করে ছাদে গিয়ে দোলনাতে বসে বসে কাঁদছিলাম কিছুক্ষণ কান্না করার পর টের পাই অামি একা কাঁদছি না অামার সাথে অারেক জন কাঁদছে। অামি চুপ করে কান্নার শব্দটা শুনতে থাকি। অদ্ভুত একটা চাপা কান্নার শব্দ অাসছে বাসার পিছনের পুকুরের পাশটা থেকে। অামি অাস্তে আস্তে এগিয়ে গিয়ে দেখি পুকুরের প্রান্তের ঘাটলা টা তে বসে একটা মেয়ে কাঁদতেছে। চাঁদের অালোতে শুধু ওর শরীর অার চুল গুলো দেখা যাচ্ছে কিছুক্ষণ পর মেয়েটা কান্না থামিয়ে দিলো এর পর অামার দিকে তাকালো, ও দেখতে এতো বাজে অার ভয়ংকর ছিলো যে অামি মেয়েটাকে দেখে একটা চিৎকার দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যাই। =তার পর কি হলো? পর দিন অামার জ্ঞান ফিরে অামার শরীরে অনেক জ্বর অাসছিলো ডাক্তার অনেক ওষুধ দিয়েছিলো কিন্তু জ্বর ভালো হয় নি পরে এক হুজুর অামাকে একটা তাবিজ দেয়, তাবিজটা পরার পর অাস্তে অাস্তে অামার জ্বর ভালো হয়। ভাইয়া অাপনি কখনো ভূত দেখেছেন? -অামি এইসব এ বিশ্বাস করিনা, কখনো দেখিনি তো তাই। হাটতে হাটতে অামরা অনেক দূরে একটা পুরনো ভাঙ্গা বাড়ির সামনে চলে অাসি। বাহিরের বাউন্ডারি গুলো খসে পড়েছে বাড়ির ভিতরে অনেক জংগল। বাড়িটার কয়েকটা ছবি তুল্লাম। রিয়া এই বাড়িটা কার ছিলো? =ভাইয়া শুনেছি এই বাড়িটা এক বিদেশী ওয়ালার ছিলো। ওনার একটা ছেলে ছিলো নাম ছিলো সোহান। ছেলেটি পাশের গ্রাম এর একটা মেয়েকে ভালোবাসতো। বেপারটা জানাজানি হবার পর ছেলেটার বাবা ছেলেটাকে বিদেশে পাঠিয়ে দেয় এর পর একদিন মেয়েটা কাউকে কিছু না বলে কোথায় যেনো চলে যায় তার কিছু দিন পর এ বাড়ির বাড়ির সবাই মারা যায়। শুধু ছেলেটা ছাড়া। এর পর নাকি অনেকেই এই বাড়িটা দখল করতে এসেছিলো পরে তাদের লাশ পাওয়া যায় বাড়ির পেছনের জংগল এ। -কি বলো তুমি এই সব। =জ্বি ভাইয়া অামি সত্যি বলছি। -পরে কি হলো? পরে এক তান্ত্রিক এসে বাড়িটা দেখে বলে এই বাড়িটা অভিশপ্ত বাড়ি এখানে কেউ থাকতে পারবে না।এরপর তান্ত্রিক মন্ত্র পরে বাড়িটা বন্ধ করে দেয়। এখনো এই বাড়িতে ভূতেরা ঘুরে বেড়ায়। অাকাশে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, সন্ধা ও হয়ে অাসছে অামি রিয়া কে বল্লাম ভাইয়া চলো বাসায় চলে যাই অাকাশের অবস্থা ভালো নাহ বৃষ্টি অাসতে পারে। রিয়া বল্লো ওকে ভাইয়া চলেন। বাসায় ফিরতে ফিরতে অামি এই গ্রাম সম্পর্কে অারো অনেক কিছুই জানলাম রিয়ার কাছ থেকে। বাসায় এসে দেখি অাবিরদের অনেক আত্মিয় এসেছে। অান্টি অামাকে দেখে বলে উপরে গিয়ে ফ্রেশ হও অামি নাশতা পাঠিয়ে দিচ্ছি। রুমএ এসে দেখি অাবির একটা মেয়ের সাথে কথা বলছে, অামাকে দেখে অাবির বল্লো কোথায় গিয়েছিলি? কেমেরা টা রাখতে রাখতে বল্লাম রিয়াকে নিয়ে গ্রামটা ঘুরে দেখছিলাম। =ভালো করেছিস। পরিচয় করিয়ে দেই ও হচ্ছে অামার খালাতো বোন তৃশা। -একটা হাঁসি দিয়ে বল্লো হাই কেমন অাছেন =জ্বি ভালো অাছি, অাপনি কেমন অাছেন? -জ্বি ভালো। =অাবির তোয়ালে টা দে তো। তোয়ালেটা নিয়ে বল্লাম এক্সকিউমি অাপনারা কথা বলুন অামি ফ্রেশ হবো। , তোর বন্ধু অনেক ভাব ওয়ালা বুঝছি। গার্ল ফেন্ড অাছে ওর? -না নাই। কেন এই কথা জিগাইলি কেন? =চান্দু তোমার ভাব অামি ছুটামু, মনে মনে বল্লো তৃশা। -কিরে কি ভাবিস? =হুম, না কিছু না তুই থাক অামি নিচে যাবো সবাইরে একটু জ্বালাই অাসি। বাহিরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে। হালকা হালকা ঠান্ডা ও পরেছে বাড়ির ছেলেরা সবাই মিলে একসাথে ডিনার শেষ করে রুম এ এসে শুয়ে পড়লাম। জার্নি করে এসেছি তার পর বিকেলে ঘুরো ঘুরি সব মিলিয়ে খুব ক্লান্ত। শোয়ার সাথে সাথেই ঘুম চলে অাসলো। . চলবে..........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ***পরীর-গল্প ***

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now