বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পরিণতি (ছোট গল্প/অসম্পূর্ণ গল্প)
জামাল সাহেব বাড়ি ছেড়েছে আজ এক সপ্তাহ। ছেলের বউর সাথে ঠিক বুনিবনা হয় না।তার স্ত্রী মারা যাবার পর একদম একা হয়ে গিয়েছেন।তাছাড়া তার এক মাত্র ছেলে কে কি সব যাদুটোনা করে হাতে বস করে রেখেছে ছেলের বউ।সবকিছু মিলিয়ে জামাল সাহেবের বাড়ি থাকা আর হল না।পেটে অনেক খিদে কিন্তু পকেটে যে কানাকড়িও নেই।না খেয়ে খেয়ে একদম দাঁড়কাক হয়ে গেছে।রাস্তার দুষ্ট ছেলেপুলে পাগল পাগল বলে পিছু নেয় ঢিল ছোড়ে।একদিন দুষ্ট ছেলেপুলে রাস্তায় পাগল পাগল বলে তাড়া করছিল এমন সময় এক বি.এম.ডাব্লিউ থেকে সুটবুট পরা ভদ্রলোক জামাল সাহেব কে দুষ্ট ছেলেদের হাত থেকে বাঁচায়।
জামাল সাহেবঃ কে তুমি বাবা তোমাকে তো ঠিক চিনলাম না?
ভদ্রলোকঃজি,আপনি আমাকে ঠিক চিনবেন না কিন্তু আমি আপনাকে চিনি।
জামাল সাহেবঃ তুমি কে বলো তো!
ভদ্রলোকঃ স্যার আমি সেই ছোট্ট ছেলেটি যাকে আজ থেকে ২৫ বছর আগে খিদের জালা সইতে না পেরে ফলের দোকান থেকে ফল চুরি কারার অপরাধে সব লোকজন যখন মাড়ছিল তখন আপনি বাঁচিয়েছিলেন।
***জামাল সাহেব পার্থ বলেই ভদ্রলোক কে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করল।
ভদ্রলোকঃ স্যার আমি সেই পার্থ যাকে ২৫ বছর আগে একটি ভাল নাম দিয়েছিলেন আর নতুন করে বাঁচতে শিখিয়েছিলেন।
জামাল সাহেবঃ কিন্তু তুমি আমাকে চিনলে কিভাবে।
ভদ্রলোকঃ আমি আপনাকে কত খুঁজেছি, আপনার বাসায়ও গিয়েছিলাম কিন্তু পাইনি।আর এত ভাল মানুষের মুখ কি কখনো ভোলা যায়?যায় না আজ আমার যা সবি আপনার জন্য।
***এই বলে জামাল সাহেব কে সঙ্গে করে নিয়ে গেল পার্থ নামের ভদ্রলোক। এই ভদ্রলোকের কৃতজ্ঞতা আবার প্রমান করে পৃথিবীতে এখনো মানুষের অস্তিত্ব বিলীন হয়নি।যদিও গল্পটা অসম্পূর্ণ তবে অল্পতে যতটা সম্ভব ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করেছি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now